ঢাকা ১২:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

যুক্তরাজ্য সফরে যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস, বৈঠক হতে পারে রাজা ও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:৫৭:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ মে ২০২৫
  • / 423

ছবি সংগৃহীত

 

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস আগামী ৯ থেকে ১৩ জুন পর্যন্ত যুক্তরাজ্য সফরে যাচ্ছেন। এ সফরকালে তিনি ব্রিটেনের রাজা চার্লস ও প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন বলে সরকারের একাধিক সূত্রে জানা গেছে।

সূত্র জানায়, প্রধান উপদেষ্টার এই সফরের সময়সূচি ও কর্মসূচি চূড়ান্ত করার কাজ চলছে। সফরে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। এর মধ্যে রয়েছে—বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার উদ্যোগ, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, উন্নয়ন সহযোগিতার ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা, রোহিঙ্গা সংকট এবং দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সহযোগিতার সম্ভাবনা।

আরও পড়ুন  বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের কূটনৈতিক নীতি: ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ৩ দেশে বহুপাক্ষিক সফর

গত কয়েক বছরে বাংলাদেশ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচার হয়েছে, যা বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে অগ্রাধিকারের বিষয়। জানা গেছে, এই পাচার হওয়া অর্থের একটি বড় অংশ যুক্তরাজ্যে গেছে। তাই যুক্তরাজ্যের সঙ্গে অর্থ ফেরত আনার যৌথ কৌশল নিয়ে আলোচনা করতেই এই সফরের আয়োজন। সফরে বাংলাদেশ ব্যাংক ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) শীর্ষ কর্মকর্তারা প্রধান উপদেষ্টার সফরসঙ্গী হতে পারেন বলে সূত্রে জানা গেছে।

সফরের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হতে যাচ্ছে রোহিঙ্গা সংকট। রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সহায়তায় আন্তর্জাতিক অর্থায়ন দিন দিন কমে আসছে, ফলে ক্যাম্পভিত্তিক মানবিক সেবায় নতুন সংকট দেখা দিয়েছে। যুক্তরাজ্য এ ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ দাতা দেশ হওয়ায় প্রধান উপদেষ্টা তার সফরে এই বিষয়টিও অগ্রাধিকার ভিত্তিতে উপস্থাপন করবেন।

এছাড়া, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক বাণিজ্য, নিরাপত্তা ও জলবায়ু ইস্যুতে একযোগে কাজ করার বিষয়েও আলোচনা হতে পারে বলে জানা গেছে।

সব মিলিয়ে, এই সফরকে অন্তর্বর্তী সরকারের আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক তৎপরতার একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

যুক্তরাজ্য সফরে যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস, বৈঠক হতে পারে রাজা ও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে

আপডেট সময় ০২:৫৭:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ মে ২০২৫

 

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস আগামী ৯ থেকে ১৩ জুন পর্যন্ত যুক্তরাজ্য সফরে যাচ্ছেন। এ সফরকালে তিনি ব্রিটেনের রাজা চার্লস ও প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন বলে সরকারের একাধিক সূত্রে জানা গেছে।

সূত্র জানায়, প্রধান উপদেষ্টার এই সফরের সময়সূচি ও কর্মসূচি চূড়ান্ত করার কাজ চলছে। সফরে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। এর মধ্যে রয়েছে—বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার উদ্যোগ, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, উন্নয়ন সহযোগিতার ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা, রোহিঙ্গা সংকট এবং দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সহযোগিতার সম্ভাবনা।

আরও পড়ুন  ফিলিস্তিন রাষ্ট্র স্বীকৃতি নিয়ে গুঞ্জনে ট্রাম্প, যাচ্ছেন মধ্যপ্রাচ্য সফরে

গত কয়েক বছরে বাংলাদেশ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচার হয়েছে, যা বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে অগ্রাধিকারের বিষয়। জানা গেছে, এই পাচার হওয়া অর্থের একটি বড় অংশ যুক্তরাজ্যে গেছে। তাই যুক্তরাজ্যের সঙ্গে অর্থ ফেরত আনার যৌথ কৌশল নিয়ে আলোচনা করতেই এই সফরের আয়োজন। সফরে বাংলাদেশ ব্যাংক ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) শীর্ষ কর্মকর্তারা প্রধান উপদেষ্টার সফরসঙ্গী হতে পারেন বলে সূত্রে জানা গেছে।

সফরের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হতে যাচ্ছে রোহিঙ্গা সংকট। রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সহায়তায় আন্তর্জাতিক অর্থায়ন দিন দিন কমে আসছে, ফলে ক্যাম্পভিত্তিক মানবিক সেবায় নতুন সংকট দেখা দিয়েছে। যুক্তরাজ্য এ ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ দাতা দেশ হওয়ায় প্রধান উপদেষ্টা তার সফরে এই বিষয়টিও অগ্রাধিকার ভিত্তিতে উপস্থাপন করবেন।

এছাড়া, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক বাণিজ্য, নিরাপত্তা ও জলবায়ু ইস্যুতে একযোগে কাজ করার বিষয়েও আলোচনা হতে পারে বলে জানা গেছে।

সব মিলিয়ে, এই সফরকে অন্তর্বর্তী সরকারের আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক তৎপরতার একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।