ঢাকা ০৮:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মহাকাশে চীনের এআই কম্পিউটার: ১২টি উপগ্রহ উৎক্ষেপণ, মোট পাঠানো হবে এরকম ২৮০০ টি স্যাটেলাইট

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:৫৩:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ মে ২০২৫
  • / 203

ছবি: সংগৃহীত

 

চীন মহাকাশে এক অভিনব প্রকল্প শুরু করেছে—“স্টার কম্পিউট”। এর প্রথম ধাপে তারা ১২টি উপগ্রহ পাঠিয়েছে কক্ষপথে। এরকম তারা মোট ২৮০০ টি স্যাটেলাইট পাঠাবে। লক্ষ্য—একটি মহাকাশভিত্তিক সুপারকম্পিউটার গড়ে তোলা, যা পৃথিবীর ডেটা বিশ্লেষণ পদ্ধতিকে বদলে দিতে পারে।

প্রত্যেকটি উপগ্রহে রয়েছে শক্তিশালী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) চিপ, যেগুলো একসঙ্গে কাজ করে বিশাল পরিমাণ ডেটা পৃথিবীতে না পাঠিয়েই তাৎক্ষণিকভাবে বিশ্লেষণ করতে পারবে। ফলে সময় বাঁচবে, খরচ কমবে, এবং তথ্য হাতে পাওয়া যাবে অনেক দ্রুত।

আরও পড়ুন  কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নতুন বিপদ: মানুষকে ফাঁকি দিতে শিখছে এআই, বলছে মিথ্যাও!

প্রজেক্ট সম্পন্ন হয়ে গেলে এই মহাকাশীয় কম্পিউটার সিস্টেমের ক্ষমতা পৃথিবীর অনেক বড় বড় সুপারকম্পিউটারকেও ছাড়িয়ে যাবে।

এতে কী হবে?
প্রাকৃতিক দুর্যোগের আগাম সতর্কতা আরও উন্নত হবে। মহাকাশের ঘটনা যেমন গামা রশ্মির বিস্ফোরণ সহজে ধরা যাবে। ভার্চুয়াল ট্যুর, স্মার্ট শহর পরিকল্পনা বা উন্নত গেম সিমুলেশন সম্ভব হবে। তথ্য বিশ্লেষণে সময় ও খরচ—দুই-ই কমবে।

কেন এটা গুরুত্বপূর্ণ?
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটা শুধু চীনের প্রযুক্তির দিক থেকেই নয়, বরং পুরো বিশ্বে মহাকাশ ব্যবহার, ডেটা বিশ্লেষণ এবং এআই প্রযুক্তির গতিপথ বদলে দিতে পারে। কারণ, এখনো পর্যন্ত প্রায় ৯০% উপগ্রহ-তথ্য পৃথিবীতে ঠিকভাবে পৌঁছায় না। এই সমস্যার সমাধান দিতে পারে চীনের নতুন পদক্ষেপ।

নিউজটি শেয়ার করুন

মহাকাশে চীনের এআই কম্পিউটার: ১২টি উপগ্রহ উৎক্ষেপণ, মোট পাঠানো হবে এরকম ২৮০০ টি স্যাটেলাইট

আপডেট সময় ০৬:৫৩:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ মে ২০২৫

 

চীন মহাকাশে এক অভিনব প্রকল্প শুরু করেছে—“স্টার কম্পিউট”। এর প্রথম ধাপে তারা ১২টি উপগ্রহ পাঠিয়েছে কক্ষপথে। এরকম তারা মোট ২৮০০ টি স্যাটেলাইট পাঠাবে। লক্ষ্য—একটি মহাকাশভিত্তিক সুপারকম্পিউটার গড়ে তোলা, যা পৃথিবীর ডেটা বিশ্লেষণ পদ্ধতিকে বদলে দিতে পারে।

প্রত্যেকটি উপগ্রহে রয়েছে শক্তিশালী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) চিপ, যেগুলো একসঙ্গে কাজ করে বিশাল পরিমাণ ডেটা পৃথিবীতে না পাঠিয়েই তাৎক্ষণিকভাবে বিশ্লেষণ করতে পারবে। ফলে সময় বাঁচবে, খরচ কমবে, এবং তথ্য হাতে পাওয়া যাবে অনেক দ্রুত।

আরও পড়ুন  তরুণদের এআই ও প্রযুক্তিতে দক্ষ করে গড়বে অন্তর্বর্তী সরকার: আসিফ মাহমুদ

প্রজেক্ট সম্পন্ন হয়ে গেলে এই মহাকাশীয় কম্পিউটার সিস্টেমের ক্ষমতা পৃথিবীর অনেক বড় বড় সুপারকম্পিউটারকেও ছাড়িয়ে যাবে।

এতে কী হবে?
প্রাকৃতিক দুর্যোগের আগাম সতর্কতা আরও উন্নত হবে। মহাকাশের ঘটনা যেমন গামা রশ্মির বিস্ফোরণ সহজে ধরা যাবে। ভার্চুয়াল ট্যুর, স্মার্ট শহর পরিকল্পনা বা উন্নত গেম সিমুলেশন সম্ভব হবে। তথ্য বিশ্লেষণে সময় ও খরচ—দুই-ই কমবে।

কেন এটা গুরুত্বপূর্ণ?
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটা শুধু চীনের প্রযুক্তির দিক থেকেই নয়, বরং পুরো বিশ্বে মহাকাশ ব্যবহার, ডেটা বিশ্লেষণ এবং এআই প্রযুক্তির গতিপথ বদলে দিতে পারে। কারণ, এখনো পর্যন্ত প্রায় ৯০% উপগ্রহ-তথ্য পৃথিবীতে ঠিকভাবে পৌঁছায় না। এই সমস্যার সমাধান দিতে পারে চীনের নতুন পদক্ষেপ।