ঢাকা ০৯:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

চট্টগ্রাম বন্দর ছাড়া অর্থনীতির নতুন দিগন্ত সম্ভব নয়: ড. ইউনূস

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:০০:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ মে ২০২৫
  • / 449

ছবি সংগৃহীত

 

চট্টগ্রাম বন্দর ছাড়া দেশের অর্থনীতির নতুন পথচলা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

বুধবার (১৪ মে) সকালে চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শনে এসে তিনি বলেন, “চট্টগ্রাম বন্দরই দেশের অর্থনীতির হৃৎপিণ্ড। এটিকে বাদ দিয়ে অর্থনীতির কোনো বিকাশ কল্পনা করা যায় না।”

আরও পড়ুন  চট্টগ্রাম বন্দরে বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়ে রায় ৪ ডিসেম্বর

চট্টগ্রাম বন্দর এলাকায় আয়োজিত সংক্ষিপ্ত এক বক্তব্যে তিনি বলেন, “বন্দর নিয়ে এর আগেও বহু আলোচনা-লেখালেখি হয়েছে। তবে এবার দায়িত্ব পাওয়ার পর সরাসরি কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। প্রথম দিন থেকেই বন্দরের কাঠামোগত পরিবর্তন এবং আধুনিকীকরণে হাত দিয়েছি। এ বন্দরকে একটি কার্যকর ও আন্তর্জাতিক মানের বন্দর হিসেবে গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।”

ড. ইউনূস বলেন, “চট্টগ্রাম বন্দরের কর্মক্ষমতা ও সেবার মান আরও বাড়াতে বিদেশি বিনিয়োগ ও প্রযুক্তির সহায়তা নেওয়ার কথা বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন। এর মাধ্যমে বন্দর হবে আরও দক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক।”

এ সময় বন্দর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি এবং বন্দরের বিভিন্ন অবকাঠামো ঘুরে দেখেন।

প্রধান উপদেষ্টা সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে চট্টগ্রাম পৌঁছান। দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই ছিল তার প্রথম চট্টগ্রাম সফর।

এক দিনের সফরসূচিতে তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে যোগ দেবেন বলে জানা গেছে। এছাড়া ঐতিহাসিক কালুরঘাট সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানেও অংশ নেবেন তিনি।

সফর ঘিরে প্রশাসন, বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে ছিল ব্যাপক প্রস্তুতি ও তৎপরতা।

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের এ সফরকে চট্টগ্রামের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে দেখছেন স্থানীয় প্রশাসন ও ব্যবসায়ী মহল। তার নেতৃত্বে চট্টগ্রাম বন্দরসহ সার্বিক অর্থনৈতিক কাঠামোয় নতুন কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে তারা আশাবাদী।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দর ছাড়া অর্থনীতির নতুন দিগন্ত সম্ভব নয়: ড. ইউনূস

আপডেট সময় ১২:০০:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ মে ২০২৫

 

চট্টগ্রাম বন্দর ছাড়া দেশের অর্থনীতির নতুন পথচলা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

বুধবার (১৪ মে) সকালে চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শনে এসে তিনি বলেন, “চট্টগ্রাম বন্দরই দেশের অর্থনীতির হৃৎপিণ্ড। এটিকে বাদ দিয়ে অর্থনীতির কোনো বিকাশ কল্পনা করা যায় না।”

আরও পড়ুন  ২০২৬-এর মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির পথে বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর

চট্টগ্রাম বন্দর এলাকায় আয়োজিত সংক্ষিপ্ত এক বক্তব্যে তিনি বলেন, “বন্দর নিয়ে এর আগেও বহু আলোচনা-লেখালেখি হয়েছে। তবে এবার দায়িত্ব পাওয়ার পর সরাসরি কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। প্রথম দিন থেকেই বন্দরের কাঠামোগত পরিবর্তন এবং আধুনিকীকরণে হাত দিয়েছি। এ বন্দরকে একটি কার্যকর ও আন্তর্জাতিক মানের বন্দর হিসেবে গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।”

ড. ইউনূস বলেন, “চট্টগ্রাম বন্দরের কর্মক্ষমতা ও সেবার মান আরও বাড়াতে বিদেশি বিনিয়োগ ও প্রযুক্তির সহায়তা নেওয়ার কথা বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন। এর মাধ্যমে বন্দর হবে আরও দক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক।”

এ সময় বন্দর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি এবং বন্দরের বিভিন্ন অবকাঠামো ঘুরে দেখেন।

প্রধান উপদেষ্টা সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে চট্টগ্রাম পৌঁছান। দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই ছিল তার প্রথম চট্টগ্রাম সফর।

এক দিনের সফরসূচিতে তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে যোগ দেবেন বলে জানা গেছে। এছাড়া ঐতিহাসিক কালুরঘাট সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানেও অংশ নেবেন তিনি।

সফর ঘিরে প্রশাসন, বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে ছিল ব্যাপক প্রস্তুতি ও তৎপরতা।

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের এ সফরকে চট্টগ্রামের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে দেখছেন স্থানীয় প্রশাসন ও ব্যবসায়ী মহল। তার নেতৃত্বে চট্টগ্রাম বন্দরসহ সার্বিক অর্থনৈতিক কাঠামোয় নতুন কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে তারা আশাবাদী।