ঢাকা ১১:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

দুর্নীতির অভিযোগে পররাষ্ট্রসচিবসহ ছয় সাবেক সচিবের অফিসার্স ক্লাবের সদস্যপদ স্থগিত

দুর্নীতি, পররাষ্ট্রসচিব, সাবেকসচিব, অফিসার্সক্লাব
  • আপডেট সময় ০১:৫৬:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মে ২০২৫
  • / 540

ছবি সংগৃহীত

 

দুর্নীতি ও অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে পররাষ্ট্রসচিব মো. জসীম উদ্দিনসহ ছয় সাবেক শীর্ষ কর্মকর্তার সদস্যপদ স্থগিত করেছে রাজধানীর বেইলি রোডে অবস্থিত অফিসার্স ক্লাব। গতকাল সোমবার ক্লাবের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলার ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দুর্নীতি ও অনৈতিক অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থাকায় তাদের নৈতিক স্খলনের অভিযোগে সদস্যপদ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  পূর্বাচল শহর প্রকল্পে শেখ পরিবারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি অভিযোগ: ৬টি মামলায় চার্জশিট অনুমোদন

পররাষ্ট্রসচিব মো. জসীম উদ্দিন ছাড়াও যাঁদের সদস্যপদ স্থগিত করা হয়েছে, তারা হলেন—সাবেক সচিব এম এ কাদের সরকার, দুদকের সাবেক কমিশনার মোহাম্মদ জহিরুল হক, সাবেক সিনিয়র সচিব ও পিএসসির সদস্য এস এম গোলাম ফারুক, সাবেক নির্বাচন কমিশনার মো. আনিসুর রহমান এবং সাবেক সচিব মো. সিরাজুল হক খান।

অফিসার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এ বি এম আবদুস সাত্তার জানান, গঠনতন্ত্র অনুযায়ী যাঁদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া যায় কিংবা মামলা বিচারাধীন থাকে, তাঁদের সদস্যপদ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়। তবে আদালতে নির্দোষ প্রমাণিত হলে ক্লাব সদস্যপদ পুনর্বহাল করা হবে।

উল্লেখ্য, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত বছরের সেপ্টেম্বরে জসীম উদ্দিনকে পররাষ্ট্রসচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।

অফিসার্স ক্লাব একটি সরকারি কর্মকর্তাদের কল্যাণমূলক সংগঠন, যার চেয়ারম্যান পদে থাকেন বর্তমান মন্ত্রিপরিষদ সচিব। এর আগে চলতি বছরের ১৯ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতির অভিযোগে আরও ১০৬ জন কর্মকর্তার সদস্যপদ স্থগিত করা হয়েছিল। তাদের মধ্যে ছিলেন সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব, মুখ্যসচিবসহ ৭০ জন সচিব।

দুর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে অফিসার্স ক্লাবের এই পদক্ষেপ প্রশাসনিক মহলে আলোচনার সৃষ্টি করেছে। অনেকেই এটিকে সরকারের চলমান শুদ্ধি অভিযানের অংশ হিসেবে দেখছেন।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

দুর্নীতির অভিযোগে পররাষ্ট্রসচিবসহ ছয় সাবেক সচিবের অফিসার্স ক্লাবের সদস্যপদ স্থগিত

আপডেট সময় ০১:৫৬:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মে ২০২৫

 

দুর্নীতি ও অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে পররাষ্ট্রসচিব মো. জসীম উদ্দিনসহ ছয় সাবেক শীর্ষ কর্মকর্তার সদস্যপদ স্থগিত করেছে রাজধানীর বেইলি রোডে অবস্থিত অফিসার্স ক্লাব। গতকাল সোমবার ক্লাবের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলার ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দুর্নীতি ও অনৈতিক অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থাকায় তাদের নৈতিক স্খলনের অভিযোগে সদস্যপদ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  পূর্বাচল শহর প্রকল্পে শেখ পরিবারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি অভিযোগ: ৬টি মামলায় চার্জশিট অনুমোদন

পররাষ্ট্রসচিব মো. জসীম উদ্দিন ছাড়াও যাঁদের সদস্যপদ স্থগিত করা হয়েছে, তারা হলেন—সাবেক সচিব এম এ কাদের সরকার, দুদকের সাবেক কমিশনার মোহাম্মদ জহিরুল হক, সাবেক সিনিয়র সচিব ও পিএসসির সদস্য এস এম গোলাম ফারুক, সাবেক নির্বাচন কমিশনার মো. আনিসুর রহমান এবং সাবেক সচিব মো. সিরাজুল হক খান।

অফিসার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এ বি এম আবদুস সাত্তার জানান, গঠনতন্ত্র অনুযায়ী যাঁদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া যায় কিংবা মামলা বিচারাধীন থাকে, তাঁদের সদস্যপদ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়। তবে আদালতে নির্দোষ প্রমাণিত হলে ক্লাব সদস্যপদ পুনর্বহাল করা হবে।

উল্লেখ্য, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত বছরের সেপ্টেম্বরে জসীম উদ্দিনকে পররাষ্ট্রসচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।

অফিসার্স ক্লাব একটি সরকারি কর্মকর্তাদের কল্যাণমূলক সংগঠন, যার চেয়ারম্যান পদে থাকেন বর্তমান মন্ত্রিপরিষদ সচিব। এর আগে চলতি বছরের ১৯ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতির অভিযোগে আরও ১০৬ জন কর্মকর্তার সদস্যপদ স্থগিত করা হয়েছিল। তাদের মধ্যে ছিলেন সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব, মুখ্যসচিবসহ ৭০ জন সচিব।

দুর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে অফিসার্স ক্লাবের এই পদক্ষেপ প্রশাসনিক মহলে আলোচনার সৃষ্টি করেছে। অনেকেই এটিকে সরকারের চলমান শুদ্ধি অভিযানের অংশ হিসেবে দেখছেন।