ঢাকা ০৩:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান গ্রেপ্তার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:১৬:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ মে ২০২৫
  • / 336

ছবি: সংগৃহীত

 

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় সহিংসতার ঘটনায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী রেজিস্ট্রার (প্রক্টর কার্যালয়) রাফিউল হাসানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক দুইটার দিকে রংপুর নগরের গণেশপুর এলাকায় তাঁর নিজ বাসা থেকে তাঁকে আটক করা হয়।

রংপুর মহানগরের তাজহাট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোসাদ্দেকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, রাফিউল হাসানের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দায়েরকৃত মামলাসহ বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে। গত ৫ আগস্টের পর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন। গোপন সূত্রে তাঁর অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে।

আরও পড়ুন  মিরসরাইয়ে মোটরসাইকেল বিক্রির নামে ফাঁদ পেতে ছিনতাই, ৭ যুবক গ্রেপ্তার

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন গত মঙ্গলবার রাতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় সহিংসতার ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করে। মামলার বাদী হিসেবে নাম রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার হারুন অর রশিদের। মামলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, আওয়ামী লীগ ও পুলিশের সদস্যসহ মোট ৭১ জনকে নামীয় আসামি করা হয়েছে। একই সঙ্গে আরও ৮০-১০০ জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিকেও আসামি করা হয়েছে।

এজাহারে বলা হয়, গত বছরের ১১ জুলাই আন্দোলনের সমন্বয়ক আবু সাঈদের ওপর হামলা এবং ১৬ জুলাই শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের ওপর ভয়াবহ হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, পুলিশ ও বহিরাগতরা মিলে লাঠিসোঁটা, রড, ছুরি, রামদা, কিরিচ ও আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে ছাত্রদের ওপর আক্রমণ চালান। এমনকি পুলিশের গুলিতেও নিরস্ত্র শিক্ষার্থীরা আহত হন।

মামলায় রাফিউল হাসানের নাম ৪৩ নম্বর আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। একই মামলায় ৪৬ নম্বর আসামি হিসেবে থাকা সহকারী রেজিস্ট্রার (ডেসপাস শাখা) মোকতারুল ইসলামকেও গতকাল সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পুলিশ ফাঁড়ির সামনে থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে নতুন করে উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ছাত্রদের দাবি, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের ওপর এ ধরনের দমন-পীড়ন গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপন্থী। অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলছে, আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০৪:১৬:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ মে ২০২৫

 

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় সহিংসতার ঘটনায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী রেজিস্ট্রার (প্রক্টর কার্যালয়) রাফিউল হাসানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক দুইটার দিকে রংপুর নগরের গণেশপুর এলাকায় তাঁর নিজ বাসা থেকে তাঁকে আটক করা হয়।

রংপুর মহানগরের তাজহাট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোসাদ্দেকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, রাফিউল হাসানের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দায়েরকৃত মামলাসহ বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে। গত ৫ আগস্টের পর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন। গোপন সূত্রে তাঁর অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে।

আরও পড়ুন  মোহাম্মদপুরে চাঞ্চল্যকর মুন্না হত্যার আসামি ইসমাইল হোসেন র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন গত মঙ্গলবার রাতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় সহিংসতার ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করে। মামলার বাদী হিসেবে নাম রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার হারুন অর রশিদের। মামলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, আওয়ামী লীগ ও পুলিশের সদস্যসহ মোট ৭১ জনকে নামীয় আসামি করা হয়েছে। একই সঙ্গে আরও ৮০-১০০ জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিকেও আসামি করা হয়েছে।

এজাহারে বলা হয়, গত বছরের ১১ জুলাই আন্দোলনের সমন্বয়ক আবু সাঈদের ওপর হামলা এবং ১৬ জুলাই শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের ওপর ভয়াবহ হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, পুলিশ ও বহিরাগতরা মিলে লাঠিসোঁটা, রড, ছুরি, রামদা, কিরিচ ও আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে ছাত্রদের ওপর আক্রমণ চালান। এমনকি পুলিশের গুলিতেও নিরস্ত্র শিক্ষার্থীরা আহত হন।

মামলায় রাফিউল হাসানের নাম ৪৩ নম্বর আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। একই মামলায় ৪৬ নম্বর আসামি হিসেবে থাকা সহকারী রেজিস্ট্রার (ডেসপাস শাখা) মোকতারুল ইসলামকেও গতকাল সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পুলিশ ফাঁড়ির সামনে থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে নতুন করে উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ছাত্রদের দাবি, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের ওপর এ ধরনের দমন-পীড়ন গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপন্থী। অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলছে, আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।