ঢাকা ০৮:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের লড়াই, মে মাসে বাংলাদেশে আসছে পাকিস্তান দল বেলারুশ—পূর্ব ইউরোপের স্থিতিশীলতা ও ইতিহাসের দেশ সংসদ ওয়াকআউট করে জনগণের অধিকার ক্ষুণ্ন করবেন না: স্পিকার সুনামগঞ্জের পৃথক হাওরে বজ্রপাত, ধান কাটার সময় ৫ কৃষকের মৃত্যু আগামী ২ জুলাই শুরু হচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী বিগত দুই সরকার হামের টিকা না দিয়ে ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে: প্রধানমন্ত্রী পল্লবীতে নিরাপত্তা প্রহরী সালাহউদ্দিন হত্যা: ঘাতক অটোরিকশা চালক গ্রেপ্তার রোহিঙ্গা সংকটের কার্যকর সমাধান রাখাইনেই নিহিত: পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান থালাপতি বিজয়ের বিরুদ্ধে চেন্নাই পুলিশের মামলা বিসিএস ক্যাডার, প্রতিমন্ত্রী ও বর্তমান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী; এক নজরে সালাহউদ্দিন আহমদ

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান গ্রেপ্তার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:১৬:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ মে ২০২৫
  • / 241

ছবি: সংগৃহীত

 

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় সহিংসতার ঘটনায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী রেজিস্ট্রার (প্রক্টর কার্যালয়) রাফিউল হাসানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক দুইটার দিকে রংপুর নগরের গণেশপুর এলাকায় তাঁর নিজ বাসা থেকে তাঁকে আটক করা হয়।

রংপুর মহানগরের তাজহাট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোসাদ্দেকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, রাফিউল হাসানের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দায়েরকৃত মামলাসহ বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে। গত ৫ আগস্টের পর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন। গোপন সূত্রে তাঁর অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে।

আরও পড়ুন  আদালত চত্ত্বর থেকে পালানো আসামী বরগুনা থানা পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন গত মঙ্গলবার রাতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় সহিংসতার ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করে। মামলার বাদী হিসেবে নাম রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার হারুন অর রশিদের। মামলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, আওয়ামী লীগ ও পুলিশের সদস্যসহ মোট ৭১ জনকে নামীয় আসামি করা হয়েছে। একই সঙ্গে আরও ৮০-১০০ জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিকেও আসামি করা হয়েছে।

এজাহারে বলা হয়, গত বছরের ১১ জুলাই আন্দোলনের সমন্বয়ক আবু সাঈদের ওপর হামলা এবং ১৬ জুলাই শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের ওপর ভয়াবহ হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, পুলিশ ও বহিরাগতরা মিলে লাঠিসোঁটা, রড, ছুরি, রামদা, কিরিচ ও আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে ছাত্রদের ওপর আক্রমণ চালান। এমনকি পুলিশের গুলিতেও নিরস্ত্র শিক্ষার্থীরা আহত হন।

মামলায় রাফিউল হাসানের নাম ৪৩ নম্বর আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। একই মামলায় ৪৬ নম্বর আসামি হিসেবে থাকা সহকারী রেজিস্ট্রার (ডেসপাস শাখা) মোকতারুল ইসলামকেও গতকাল সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পুলিশ ফাঁড়ির সামনে থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে নতুন করে উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ছাত্রদের দাবি, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের ওপর এ ধরনের দমন-পীড়ন গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপন্থী। অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলছে, আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০৪:১৬:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ মে ২০২৫

 

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় সহিংসতার ঘটনায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী রেজিস্ট্রার (প্রক্টর কার্যালয়) রাফিউল হাসানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক দুইটার দিকে রংপুর নগরের গণেশপুর এলাকায় তাঁর নিজ বাসা থেকে তাঁকে আটক করা হয়।

রংপুর মহানগরের তাজহাট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোসাদ্দেকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, রাফিউল হাসানের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দায়েরকৃত মামলাসহ বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে। গত ৫ আগস্টের পর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন। গোপন সূত্রে তাঁর অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে।

আরও পড়ুন  ফিলিপাইনের সাবেক প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুতার্তেকে বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন গত মঙ্গলবার রাতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় সহিংসতার ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করে। মামলার বাদী হিসেবে নাম রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার হারুন অর রশিদের। মামলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, আওয়ামী লীগ ও পুলিশের সদস্যসহ মোট ৭১ জনকে নামীয় আসামি করা হয়েছে। একই সঙ্গে আরও ৮০-১০০ জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিকেও আসামি করা হয়েছে।

এজাহারে বলা হয়, গত বছরের ১১ জুলাই আন্দোলনের সমন্বয়ক আবু সাঈদের ওপর হামলা এবং ১৬ জুলাই শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের ওপর ভয়াবহ হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, পুলিশ ও বহিরাগতরা মিলে লাঠিসোঁটা, রড, ছুরি, রামদা, কিরিচ ও আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে ছাত্রদের ওপর আক্রমণ চালান। এমনকি পুলিশের গুলিতেও নিরস্ত্র শিক্ষার্থীরা আহত হন।

মামলায় রাফিউল হাসানের নাম ৪৩ নম্বর আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। একই মামলায় ৪৬ নম্বর আসামি হিসেবে থাকা সহকারী রেজিস্ট্রার (ডেসপাস শাখা) মোকতারুল ইসলামকেও গতকাল সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পুলিশ ফাঁড়ির সামনে থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে নতুন করে উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ছাত্রদের দাবি, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের ওপর এ ধরনের দমন-পীড়ন গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপন্থী। অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলছে, আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।