ঢাকা ১১:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সৌদিতে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য জরু‌রি বিজ্ঞ‌প্তি সৌদি আরবে রিয়াদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে হামলা, বিকট বিস্ফোরণ ঢাকা পলিটেকনিকে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ হরমুজ প্রণালি ‘বন্ধ’, তেল পরিবহনে কঠোর বার্তা তেহরানের জুলাই জাতীয় সনদের বাস্তবায়ন: বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার পাচ্ছে জামায়াত ওমানের মধ্যস্থতার আলোচনার খবর ‘ভিত্তিহীন’: বলছে তেহরান ইরানে হামলা আন্তর্জাতিক আইন ও রীতিনীতি পরিপন্থী: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ব্রাজিল: দক্ষিণ আমেরিকার বৃহত্তম দেশ ও বৈচিত্র্যের শক্তি সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ না দিতে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি ওজন কমানোর ‘গোপন অস্ত্র’ পর্যাপ্ত ঘুম?
এআই প্রযুক্তির নতুন দিগন্ত

এআই প্রযুক্তিতে ‘টাইপ ২’ ডায়াবেটিস ঝুঁকি শনাক্তের নতুন সম্ভাবনা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:০২:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৫
  • / 127

এআই প্রযুক্তিতে ‘টাইপ ২’ ডায়াবেটিস ঝুঁকি শনাক্তের নতুন সম্ভাবনা

 

ডায়াবেটিসের সম্ভাব্য ঝুঁকি আগেভাগে শনাক্ত করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি ব্যবহার শুরু করেছে লন্ডনের দুটি এনএইচএস হাসপাতাল। ‘ইম্পেরিয়াল কলেজ’ এবং ‘চেলসি অ্যান্ড ওয়েস্টমিনস্টার হসপিটাল’ এনএইচএস ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট মিলে একটি উন্নত এআই মডেল তৈরি করছে, যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘এয়ার ডিএম’।

এই এআই মডেলটি রোগীর হার্টের ইসিজি ডেটা বিশ্লেষণ করে সূক্ষ্ম পরিবর্তনগুলো চিহ্নিত করতে সক্ষম। এমন সব সূক্ষ্ম লক্ষণ, যা চোখে ধরা কঠিন এবং ডাক্তারদের পক্ষে শনাক্ত করা প্রায় অসম্ভব, সেগুলোর তথ্য বিশ্লেষণ করে এআই মডেলটি ঝুঁকিপূর্ণ রোগীদের সম্পর্কে পূর্বাভাস দিতে পারবে। গবেষকরা আশা করছেন, ২০২৫ সালের মধ্যেই এ মডেলের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু করা সম্ভব হবে।

আরও পড়ুন  এআই প্রযুক্তির কারণে ডিবিএস ব্যাংকে ৪ হাজার কর্মী ছাঁটাই করল সিঙ্গাপুর

প্রাথমিক পরীক্ষার ফলাফল বেশ আশাব্যঞ্জক। গবেষণায় দেখা গেছে, ‘এয়ার ডিএম’ প্রায় ৭০ শতাংশ সঠিকভাবে ডায়াবেটিস ঝুঁকি শনাক্ত করতে পারে। তবে এর কার্যকারিতা আরও উন্নত করার জন্য রোগীর বয়স, উচ্চ রক্তচাপ, ওজন ইত্যাদির মতো অতিরিক্ত তথ্য যোগ করার প্রয়োজন হতে পারে।

প্রকল্পের প্রধান গবেষক ড. ফু সিওং এনজি জানিয়েছেন, “শুধুমাত্র ইসিজি ডেটার মাধ্যমে এটি এখনই ভালো কাজ করছে। কিন্তু বয়স, রক্তচাপ বা ওজনের মতো তথ্য যুক্ত করলে এর পূর্বাভাসের ক্ষমতা আরও উন্নত হবে।” তিনি মনে করেন, এআই মডেলটি ভবিষ্যতে রোগীদের চিকিৎসার ক্ষেত্রে এক বিপ্লব ঘটাতে সক্ষম হবে।

এ প্রকল্পে আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে ব্রিটিশ হার্ট ফাউন্ডেশন। তাদের মতে, ডায়াবেটিসের ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের আগেভাগে শনাক্ত করা গেলে অনেক জীবন বাঁচানো সম্ভব। এটি শুধু ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন নয়, বরং স্বাস্থ্যখাতের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনাতেও বড় পরিবর্তন আনবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এআই প্রযুক্তির নতুন দিগন্ত

এআই প্রযুক্তিতে ‘টাইপ ২’ ডায়াবেটিস ঝুঁকি শনাক্তের নতুন সম্ভাবনা

আপডেট সময় ০৭:০২:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৫

 

ডায়াবেটিসের সম্ভাব্য ঝুঁকি আগেভাগে শনাক্ত করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি ব্যবহার শুরু করেছে লন্ডনের দুটি এনএইচএস হাসপাতাল। ‘ইম্পেরিয়াল কলেজ’ এবং ‘চেলসি অ্যান্ড ওয়েস্টমিনস্টার হসপিটাল’ এনএইচএস ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট মিলে একটি উন্নত এআই মডেল তৈরি করছে, যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘এয়ার ডিএম’।

এই এআই মডেলটি রোগীর হার্টের ইসিজি ডেটা বিশ্লেষণ করে সূক্ষ্ম পরিবর্তনগুলো চিহ্নিত করতে সক্ষম। এমন সব সূক্ষ্ম লক্ষণ, যা চোখে ধরা কঠিন এবং ডাক্তারদের পক্ষে শনাক্ত করা প্রায় অসম্ভব, সেগুলোর তথ্য বিশ্লেষণ করে এআই মডেলটি ঝুঁকিপূর্ণ রোগীদের সম্পর্কে পূর্বাভাস দিতে পারবে। গবেষকরা আশা করছেন, ২০২৫ সালের মধ্যেই এ মডেলের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু করা সম্ভব হবে।

আরও পড়ুন  অস্কারে নতুন নিয়ম চালু, চলচ্চিত্রে বৈধতা পেল এআই প্রযুক্তি

প্রাথমিক পরীক্ষার ফলাফল বেশ আশাব্যঞ্জক। গবেষণায় দেখা গেছে, ‘এয়ার ডিএম’ প্রায় ৭০ শতাংশ সঠিকভাবে ডায়াবেটিস ঝুঁকি শনাক্ত করতে পারে। তবে এর কার্যকারিতা আরও উন্নত করার জন্য রোগীর বয়স, উচ্চ রক্তচাপ, ওজন ইত্যাদির মতো অতিরিক্ত তথ্য যোগ করার প্রয়োজন হতে পারে।

প্রকল্পের প্রধান গবেষক ড. ফু সিওং এনজি জানিয়েছেন, “শুধুমাত্র ইসিজি ডেটার মাধ্যমে এটি এখনই ভালো কাজ করছে। কিন্তু বয়স, রক্তচাপ বা ওজনের মতো তথ্য যুক্ত করলে এর পূর্বাভাসের ক্ষমতা আরও উন্নত হবে।” তিনি মনে করেন, এআই মডেলটি ভবিষ্যতে রোগীদের চিকিৎসার ক্ষেত্রে এক বিপ্লব ঘটাতে সক্ষম হবে।

এ প্রকল্পে আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে ব্রিটিশ হার্ট ফাউন্ডেশন। তাদের মতে, ডায়াবেটিসের ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের আগেভাগে শনাক্ত করা গেলে অনেক জীবন বাঁচানো সম্ভব। এটি শুধু ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন নয়, বরং স্বাস্থ্যখাতের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনাতেও বড় পরিবর্তন আনবে।