ঢাকা ০৮:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

পাপনের ৮০০ কোটি টাকার লেনদেন ও অবৈধ সম্পদের তথ্য পেয়েছে দুদক

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:২৭:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ মে ২০২৫
  • / 422

ছবি সংগৃহীত

 

সাবেক বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সভাপতি ও সংসদ সদস্য নাজমুল হাসান পাপন এবং তার স্ত্রীকে ঘিরে প্রায় ৮০০ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য উদঘাটন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এছাড়াও দুদকের অনুসন্ধানে পাপন দম্পতির নামে ৩৩ কোটি টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের খোঁজ মিলেছে।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, ইতোমধ্যে কমিশনের অনুমোদন পাওয়ায় পাপন দম্পতির বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া শুরু করেছেন দুদকের উপ-পরিচালক সাইদুজ্জামান। দীর্ঘ এক যুগের বেশি সময় বিসিবির সভাপতির দায়িত্বে থাকাকালীন সময়েই পাপনের বিরুদ্ধে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগ উঠে। দুদকে জমা পড়া অভিযোগে বলা হয়, বিসিবির শত শত কোটি টাকা অনিয়মের মাধ্যমে আত্মসাৎ করেছেন তিনি।

আরও পড়ুন  দুদক কর্তৃক কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট আপিলাত ট্রাইব্যুনালের রায় সংগ্রহের প্রচেষ্টা।

এ বিষয়ে দুদক গত ২৮ এপ্রিল বিসিবিকে একটি চিঠি পাঠায়, যেখানে পূর্বাচল স্টেডিয়াম নির্মাণ প্রকল্প, বিপিএলের খরচ, আইসিসির আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে ব্যয়, বিদেশি কোচ নিয়োগ ইত্যাদি মিলিয়ে ২৭টি ভিন্ন ভিন্ন খাতের নথিপত্র চাওয়া হয়।

দুদক সূত্র বলছে, নাজমুল হাসান পাপন আওয়ামী লীগের টিকিটে একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এমপি থাকাকালীন সময়ে তার বিরুদ্ধে সরকারি অর্থ লুটপাটের অভিযোগও উঠেছে। সেই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতেই দুদকের অনুসন্ধানে উঠে আসে তার এবং স্ত্রীর বিপুল পরিমাণ জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ এবং সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেনের তথ্য।

এছাড়া বিসিবিতে অর্থ আত্মসাতের আরও একটি পৃথক অনুসন্ধানও চালাচ্ছে দুদক, যা এখনও চলমান রয়েছে। এর অংশ হিসেবে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি দফতরে একাধিক চিঠি পাঠিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

নাজমুল হাসান পাপনের বিরুদ্ধে এতবড় আর্থিক কেলেঙ্কারির তথ্য প্রকাশ্যে আসায় ক্রীড়াঙ্গনসহ রাজনৈতিক অঙ্গনেও চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। দুদক বলছে, তদন্তে আরও নতুন তথ্য পাওয়া গেলে সেটিও মামলার আওতায় আনা হবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

পাপনের ৮০০ কোটি টাকার লেনদেন ও অবৈধ সম্পদের তথ্য পেয়েছে দুদক

আপডেট সময় ০২:২৭:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ মে ২০২৫

 

সাবেক বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সভাপতি ও সংসদ সদস্য নাজমুল হাসান পাপন এবং তার স্ত্রীকে ঘিরে প্রায় ৮০০ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য উদঘাটন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এছাড়াও দুদকের অনুসন্ধানে পাপন দম্পতির নামে ৩৩ কোটি টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের খোঁজ মিলেছে।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, ইতোমধ্যে কমিশনের অনুমোদন পাওয়ায় পাপন দম্পতির বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া শুরু করেছেন দুদকের উপ-পরিচালক সাইদুজ্জামান। দীর্ঘ এক যুগের বেশি সময় বিসিবির সভাপতির দায়িত্বে থাকাকালীন সময়েই পাপনের বিরুদ্ধে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগ উঠে। দুদকে জমা পড়া অভিযোগে বলা হয়, বিসিবির শত শত কোটি টাকা অনিয়মের মাধ্যমে আত্মসাৎ করেছেন তিনি।

আরও পড়ুন  মোবাইল ব্যাংকিংয়ে নতুন রেকর্ড, ডিজিটাল অর্থনীতিতে বাংলাদেশ

এ বিষয়ে দুদক গত ২৮ এপ্রিল বিসিবিকে একটি চিঠি পাঠায়, যেখানে পূর্বাচল স্টেডিয়াম নির্মাণ প্রকল্প, বিপিএলের খরচ, আইসিসির আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে ব্যয়, বিদেশি কোচ নিয়োগ ইত্যাদি মিলিয়ে ২৭টি ভিন্ন ভিন্ন খাতের নথিপত্র চাওয়া হয়।

দুদক সূত্র বলছে, নাজমুল হাসান পাপন আওয়ামী লীগের টিকিটে একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এমপি থাকাকালীন সময়ে তার বিরুদ্ধে সরকারি অর্থ লুটপাটের অভিযোগও উঠেছে। সেই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতেই দুদকের অনুসন্ধানে উঠে আসে তার এবং স্ত্রীর বিপুল পরিমাণ জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ এবং সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেনের তথ্য।

এছাড়া বিসিবিতে অর্থ আত্মসাতের আরও একটি পৃথক অনুসন্ধানও চালাচ্ছে দুদক, যা এখনও চলমান রয়েছে। এর অংশ হিসেবে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি দফতরে একাধিক চিঠি পাঠিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

নাজমুল হাসান পাপনের বিরুদ্ধে এতবড় আর্থিক কেলেঙ্কারির তথ্য প্রকাশ্যে আসায় ক্রীড়াঙ্গনসহ রাজনৈতিক অঙ্গনেও চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। দুদক বলছে, তদন্তে আরও নতুন তথ্য পাওয়া গেলে সেটিও মামলার আওতায় আনা হবে।