ঢাকা ১০:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ

বিদেশে নির্মিত সব চলচ্চিত্রে ১০০% শুল্কের ঘোষণা ট্রাম্পের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:১৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ মে ২০২৫
  • / 416

ছবি সংগৃহীত

 

যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে নির্মিত সব চলচ্চিত্রের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রোববার (স্থানীয় সময়) নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প এ সিদ্ধান্ত জানান।

ট্রাম্পের দাবি, মার্কিন স্টুডিও ও নির্মাতারা দিন দিন বিদেশমুখী হয়ে পড়ায় হলিউড ধ্বংসের পথে। তাই এই অবস্থা থেকে রক্ষা করতে তিনি বিদেশে নির্মিত সব চলচ্চিত্রের ওপর শতভাগ শুল্কারোপের প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য বাণিজ্য বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিকে নির্দেশ দিয়েছেন।

আরও পড়ুন  ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা সরকারের: অর্থমন্ত্রীর

ট্রাম্প লেখেন, “আমাদের চলচ্চিত্রশিল্প দ্রুতই ধ্বংসের দিকে এগোচ্ছে। বিভিন্ন দেশ যুক্তরাষ্ট্রের নির্মাতাদের বাইরে নিয়ে যেতে প্রণোদনা দিচ্ছে। এতে হলিউডসহ বিভিন্ন অঞ্চল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, যা আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ।”

এই সিদ্ধান্ত এমন সময় এলো, যখন ট্রাম্প আগ্রাসী বাণিজ্যনীতির কারণে দেশি-বিদেশি মহলে ব্যাপক সমালোচিত। দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় ফিরেই তিনি বিভিন্ন দেশের ওপর বড় অঙ্কের শুল্ক আরোপ করেন। এর আগে তিনি চীনের পণ্যের ওপর ১৪৫ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছিলেন।

এদিকে গত মাসেই চীন ঘোষণা দেয়, তারা আমদানি করা মার্কিন চলচ্চিত্রের সংখ্যা কমাবে। এই প্রেক্ষাপটেই ট্রাম্পের পাল্টা অবস্থান বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

তবে ঠিক কীভাবে এই নতুন শুল্ক কার্যকর করা হবে বা এতে মার্কিন চলচ্চিত্র বাজারে কী প্রভাব পড়বে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। ট্রাম্পের ঘোষণার পর এ বিষয়ে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি বাণিজ্য দপ্তর।

বিশ্ব চলচ্চিত্রবাজারে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেমার অবস্থান শক্ত হলেও, ট্রাম্পের এমন সিদ্ধান্ত বৈশ্বিক বিনিময়ে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, এটি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র বাজারে উত্তেজনা বাড়িয়ে দিতে পারে এবং দীর্ঘমেয়াদে উভয় পক্ষের ক্ষতি হতে পারে।

এদিকে ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তকে অনেকেই যুক্তরাষ্ট্রের চলচ্চিত্রশিল্প রক্ষার জন্য ‘চূড়ান্ত চেষ্টা’ হিসেবে দেখলেও, কেউ কেউ এটিকে ‘আত্মঘাতী পদক্ষেপ’ বলেও অভিহিত করছেন।

এখন দেখার বিষয়, তার এই শুল্কনীতি বাস্তবায়নের পথে প্রশাসন কী পদক্ষেপ নেয় এবং বিশ্ব চলচ্চিত্রে এর প্রভাব কতদূর বিস্তার লাভ করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

বিদেশে নির্মিত সব চলচ্চিত্রে ১০০% শুল্কের ঘোষণা ট্রাম্পের

আপডেট সময় ১১:১৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ মে ২০২৫

 

যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে নির্মিত সব চলচ্চিত্রের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রোববার (স্থানীয় সময়) নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প এ সিদ্ধান্ত জানান।

ট্রাম্পের দাবি, মার্কিন স্টুডিও ও নির্মাতারা দিন দিন বিদেশমুখী হয়ে পড়ায় হলিউড ধ্বংসের পথে। তাই এই অবস্থা থেকে রক্ষা করতে তিনি বিদেশে নির্মিত সব চলচ্চিত্রের ওপর শতভাগ শুল্কারোপের প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য বাণিজ্য বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিকে নির্দেশ দিয়েছেন।

আরও পড়ুন  ট্রাম্পের ‘শেষ সতর্কবার্তা’: হামাসকে জিম্মিরা মুক্তি না দিলে ভোগ করতে হবে ‘নরকের পরিণতি’

ট্রাম্প লেখেন, “আমাদের চলচ্চিত্রশিল্প দ্রুতই ধ্বংসের দিকে এগোচ্ছে। বিভিন্ন দেশ যুক্তরাষ্ট্রের নির্মাতাদের বাইরে নিয়ে যেতে প্রণোদনা দিচ্ছে। এতে হলিউডসহ বিভিন্ন অঞ্চল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, যা আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ।”

এই সিদ্ধান্ত এমন সময় এলো, যখন ট্রাম্প আগ্রাসী বাণিজ্যনীতির কারণে দেশি-বিদেশি মহলে ব্যাপক সমালোচিত। দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় ফিরেই তিনি বিভিন্ন দেশের ওপর বড় অঙ্কের শুল্ক আরোপ করেন। এর আগে তিনি চীনের পণ্যের ওপর ১৪৫ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছিলেন।

এদিকে গত মাসেই চীন ঘোষণা দেয়, তারা আমদানি করা মার্কিন চলচ্চিত্রের সংখ্যা কমাবে। এই প্রেক্ষাপটেই ট্রাম্পের পাল্টা অবস্থান বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

তবে ঠিক কীভাবে এই নতুন শুল্ক কার্যকর করা হবে বা এতে মার্কিন চলচ্চিত্র বাজারে কী প্রভাব পড়বে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। ট্রাম্পের ঘোষণার পর এ বিষয়ে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি বাণিজ্য দপ্তর।

বিশ্ব চলচ্চিত্রবাজারে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেমার অবস্থান শক্ত হলেও, ট্রাম্পের এমন সিদ্ধান্ত বৈশ্বিক বিনিময়ে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, এটি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র বাজারে উত্তেজনা বাড়িয়ে দিতে পারে এবং দীর্ঘমেয়াদে উভয় পক্ষের ক্ষতি হতে পারে।

এদিকে ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তকে অনেকেই যুক্তরাষ্ট্রের চলচ্চিত্রশিল্প রক্ষার জন্য ‘চূড়ান্ত চেষ্টা’ হিসেবে দেখলেও, কেউ কেউ এটিকে ‘আত্মঘাতী পদক্ষেপ’ বলেও অভিহিত করছেন।

এখন দেখার বিষয়, তার এই শুল্কনীতি বাস্তবায়নের পথে প্রশাসন কী পদক্ষেপ নেয় এবং বিশ্ব চলচ্চিত্রে এর প্রভাব কতদূর বিস্তার লাভ করে।