ঢাকা ১০:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকাসহ ৪ বিভাগে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা: বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে আর জড়াবে না যুক্তরাষ্ট্র: ফক্স নিউজকে জেডি ভ্যান্স ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী

বিদেশে নির্মিত সব চলচ্চিত্রে ১০০% শুল্কের ঘোষণা ট্রাম্পের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:১৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ মে ২০২৫
  • / 130

ছবি সংগৃহীত

 

যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে নির্মিত সব চলচ্চিত্রের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রোববার (স্থানীয় সময়) নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প এ সিদ্ধান্ত জানান।

ট্রাম্পের দাবি, মার্কিন স্টুডিও ও নির্মাতারা দিন দিন বিদেশমুখী হয়ে পড়ায় হলিউড ধ্বংসের পথে। তাই এই অবস্থা থেকে রক্ষা করতে তিনি বিদেশে নির্মিত সব চলচ্চিত্রের ওপর শতভাগ শুল্কারোপের প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য বাণিজ্য বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিকে নির্দেশ দিয়েছেন।

আরও পড়ুন  ট্রাম্পের স্বাক্ষরে আইনে পরিণত বিতর্কিত অর্থনৈতিক বিল

ট্রাম্প লেখেন, “আমাদের চলচ্চিত্রশিল্প দ্রুতই ধ্বংসের দিকে এগোচ্ছে। বিভিন্ন দেশ যুক্তরাষ্ট্রের নির্মাতাদের বাইরে নিয়ে যেতে প্রণোদনা দিচ্ছে। এতে হলিউডসহ বিভিন্ন অঞ্চল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, যা আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ।”

এই সিদ্ধান্ত এমন সময় এলো, যখন ট্রাম্প আগ্রাসী বাণিজ্যনীতির কারণে দেশি-বিদেশি মহলে ব্যাপক সমালোচিত। দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় ফিরেই তিনি বিভিন্ন দেশের ওপর বড় অঙ্কের শুল্ক আরোপ করেন। এর আগে তিনি চীনের পণ্যের ওপর ১৪৫ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছিলেন।

এদিকে গত মাসেই চীন ঘোষণা দেয়, তারা আমদানি করা মার্কিন চলচ্চিত্রের সংখ্যা কমাবে। এই প্রেক্ষাপটেই ট্রাম্পের পাল্টা অবস্থান বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

তবে ঠিক কীভাবে এই নতুন শুল্ক কার্যকর করা হবে বা এতে মার্কিন চলচ্চিত্র বাজারে কী প্রভাব পড়বে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। ট্রাম্পের ঘোষণার পর এ বিষয়ে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি বাণিজ্য দপ্তর।

বিশ্ব চলচ্চিত্রবাজারে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেমার অবস্থান শক্ত হলেও, ট্রাম্পের এমন সিদ্ধান্ত বৈশ্বিক বিনিময়ে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, এটি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র বাজারে উত্তেজনা বাড়িয়ে দিতে পারে এবং দীর্ঘমেয়াদে উভয় পক্ষের ক্ষতি হতে পারে।

এদিকে ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তকে অনেকেই যুক্তরাষ্ট্রের চলচ্চিত্রশিল্প রক্ষার জন্য ‘চূড়ান্ত চেষ্টা’ হিসেবে দেখলেও, কেউ কেউ এটিকে ‘আত্মঘাতী পদক্ষেপ’ বলেও অভিহিত করছেন।

এখন দেখার বিষয়, তার এই শুল্কনীতি বাস্তবায়নের পথে প্রশাসন কী পদক্ষেপ নেয় এবং বিশ্ব চলচ্চিত্রে এর প্রভাব কতদূর বিস্তার লাভ করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

বিদেশে নির্মিত সব চলচ্চিত্রে ১০০% শুল্কের ঘোষণা ট্রাম্পের

আপডেট সময় ১১:১৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ মে ২০২৫

 

যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে নির্মিত সব চলচ্চিত্রের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রোববার (স্থানীয় সময়) নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প এ সিদ্ধান্ত জানান।

ট্রাম্পের দাবি, মার্কিন স্টুডিও ও নির্মাতারা দিন দিন বিদেশমুখী হয়ে পড়ায় হলিউড ধ্বংসের পথে। তাই এই অবস্থা থেকে রক্ষা করতে তিনি বিদেশে নির্মিত সব চলচ্চিত্রের ওপর শতভাগ শুল্কারোপের প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য বাণিজ্য বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিকে নির্দেশ দিয়েছেন।

আরও পড়ুন  গ্রিনল্যান্ড কেনার প্রস্তাবে ট্রাম্প ও ডেনিশ প্রধানমন্ত্রী ফ্রেডেরিকসনের মধ্যে উত্তপ্ত ফোনালাপ

ট্রাম্প লেখেন, “আমাদের চলচ্চিত্রশিল্প দ্রুতই ধ্বংসের দিকে এগোচ্ছে। বিভিন্ন দেশ যুক্তরাষ্ট্রের নির্মাতাদের বাইরে নিয়ে যেতে প্রণোদনা দিচ্ছে। এতে হলিউডসহ বিভিন্ন অঞ্চল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, যা আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ।”

এই সিদ্ধান্ত এমন সময় এলো, যখন ট্রাম্প আগ্রাসী বাণিজ্যনীতির কারণে দেশি-বিদেশি মহলে ব্যাপক সমালোচিত। দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় ফিরেই তিনি বিভিন্ন দেশের ওপর বড় অঙ্কের শুল্ক আরোপ করেন। এর আগে তিনি চীনের পণ্যের ওপর ১৪৫ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছিলেন।

এদিকে গত মাসেই চীন ঘোষণা দেয়, তারা আমদানি করা মার্কিন চলচ্চিত্রের সংখ্যা কমাবে। এই প্রেক্ষাপটেই ট্রাম্পের পাল্টা অবস্থান বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

তবে ঠিক কীভাবে এই নতুন শুল্ক কার্যকর করা হবে বা এতে মার্কিন চলচ্চিত্র বাজারে কী প্রভাব পড়বে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। ট্রাম্পের ঘোষণার পর এ বিষয়ে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি বাণিজ্য দপ্তর।

বিশ্ব চলচ্চিত্রবাজারে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেমার অবস্থান শক্ত হলেও, ট্রাম্পের এমন সিদ্ধান্ত বৈশ্বিক বিনিময়ে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, এটি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র বাজারে উত্তেজনা বাড়িয়ে দিতে পারে এবং দীর্ঘমেয়াদে উভয় পক্ষের ক্ষতি হতে পারে।

এদিকে ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তকে অনেকেই যুক্তরাষ্ট্রের চলচ্চিত্রশিল্প রক্ষার জন্য ‘চূড়ান্ত চেষ্টা’ হিসেবে দেখলেও, কেউ কেউ এটিকে ‘আত্মঘাতী পদক্ষেপ’ বলেও অভিহিত করছেন।

এখন দেখার বিষয়, তার এই শুল্কনীতি বাস্তবায়নের পথে প্রশাসন কী পদক্ষেপ নেয় এবং বিশ্ব চলচ্চিত্রে এর প্রভাব কতদূর বিস্তার লাভ করে।