১০:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
‘বাংলাদেশের পাশে আছে পাকিস্তান, বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে খেলবে না দল: পাকিস্তান স্পিকার না থাকায় এমপিদের শপথ পড়াবেন কে, জেনে নিন বিশ্বে ৭২ শতাংশ মানুষ স্বৈরাচারী শাসনের অধীনে আশুলিয়ায় ৬ মরদেহ পোড়ানো মামলার রায় আজ দ্বিতীয়বারের মতো বাবা হলেন জিয়াউল হক পলাশ ভোট কারচুপির ছক? জামায়াত নেতার নির্দেশে সিল তৈরি—মামলা ও বহিষ্কারে উত্তাল রাজনীতি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যে ভূগর্ভস্থ নতুন ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি প্রকাশ করল ইরান সৌদি লিগের ভেতরের টানাপোড়েন, ম্যাচ বয়কট করলেন রোনালদো জামায়াত আমিরের এক্স ‘হ্যাকড’: গ্রেপ্তার নিয়ে পুলিশের ভেতরে দ্বিমত যুব বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে আফগানিস্তানের বিদায়, ফয়সালের ঐতিহাসিক সেঞ্চুরি কীর্তি

এনায়েত উল্লাহ ও পরিবারের ১৯০টি যানবাহন জব্দের নির্দেশ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৩৯:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ মে ২০২৫
  • / 182

ছবি সংগৃহীত

 

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ঢাকার পরিবহন খাতে প্রভাব বিস্তারকারী এনা পরিবহনের মালিক ও ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাবেক মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্লাহ এবং তার স্ত্রী-সন্তানের নামে থাকা ১৯০টি যানবাহন জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

রোববার (৪ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. জাকির হোসেন গালিব দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।

দুদকের উপপরিচালক মো. সাইদুজ্জামান খন্দকার আদালতে আবেদনের মাধ্যমে জানান, খন্দকার এনায়েত উল্লাহর বিরুদ্ধে বিভিন্ন রুটে চলাচলকারী পরিবহন থেকে প্রতিদিন প্রায় এক কোটি ৬৫ লাখ টাকা চাঁদা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে অনুসন্ধান চালাচ্ছে দুদক। সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে এনায়েত উল্লাহ এবং তার পরিবারের মালিকানাধীন যানবাহনগুলো জব্দ করা জরুরি।

আদালতের আদেশ অনুযায়ী, জব্দের আওতায় আসা গাড়িগুলোর মালিকানা রয়েছে এনায়েত উল্লাহ, তার স্ত্রী নার্গিস সামসাদ, ছেলে রিদওয়ানুল আশিক নিলয় এবং মেয়ে চামশে জাহান নিশির নামে। এছাড়া, তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট দুটি প্রতিষ্ঠান এনা পরিবহন ও স্টারলাইন স্পেশাল লিমিটেডের নাম স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি একই আদালত খন্দকার এনায়েত উল্লাহ, তার স্ত্রী ও সন্তানদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট গণআন্দোলনের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরপরই খন্দকার এনায়েত উল্লাহ দেশত্যাগ করেন। তিনি শুধু পরিবহন মালিক সমিতির নেতা ছিলেন না, বরং ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার সহ-সভাপতির দায়িত্বেও ছিলেন।

দুর্নীতির অভিযোগ ও বিশাল সম্পদের অনুসন্ধানের পরিপ্রেক্ষিতে এনায়েত উল্লাহ ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ শুরু করেছে দুদক। এরই অংশ হিসেবে এ আদেশকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

এনায়েত উল্লাহ ও পরিবারের ১৯০টি যানবাহন জব্দের নির্দেশ

আপডেট সময় ০৭:৩৯:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ মে ২০২৫

 

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ঢাকার পরিবহন খাতে প্রভাব বিস্তারকারী এনা পরিবহনের মালিক ও ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাবেক মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্লাহ এবং তার স্ত্রী-সন্তানের নামে থাকা ১৯০টি যানবাহন জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

রোববার (৪ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. জাকির হোসেন গালিব দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।

দুদকের উপপরিচালক মো. সাইদুজ্জামান খন্দকার আদালতে আবেদনের মাধ্যমে জানান, খন্দকার এনায়েত উল্লাহর বিরুদ্ধে বিভিন্ন রুটে চলাচলকারী পরিবহন থেকে প্রতিদিন প্রায় এক কোটি ৬৫ লাখ টাকা চাঁদা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে অনুসন্ধান চালাচ্ছে দুদক। সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে এনায়েত উল্লাহ এবং তার পরিবারের মালিকানাধীন যানবাহনগুলো জব্দ করা জরুরি।

আদালতের আদেশ অনুযায়ী, জব্দের আওতায় আসা গাড়িগুলোর মালিকানা রয়েছে এনায়েত উল্লাহ, তার স্ত্রী নার্গিস সামসাদ, ছেলে রিদওয়ানুল আশিক নিলয় এবং মেয়ে চামশে জাহান নিশির নামে। এছাড়া, তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট দুটি প্রতিষ্ঠান এনা পরিবহন ও স্টারলাইন স্পেশাল লিমিটেডের নাম স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি একই আদালত খন্দকার এনায়েত উল্লাহ, তার স্ত্রী ও সন্তানদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট গণআন্দোলনের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরপরই খন্দকার এনায়েত উল্লাহ দেশত্যাগ করেন। তিনি শুধু পরিবহন মালিক সমিতির নেতা ছিলেন না, বরং ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার সহ-সভাপতির দায়িত্বেও ছিলেন।

দুর্নীতির অভিযোগ ও বিশাল সম্পদের অনুসন্ধানের পরিপ্রেক্ষিতে এনায়েত উল্লাহ ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ শুরু করেছে দুদক। এরই অংশ হিসেবে এ আদেশকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করছেন সংশ্লিষ্টরা।