ঢাকা ১০:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ

এনায়েত উল্লাহ ও পরিবারের ১৯০টি যানবাহন জব্দের নির্দেশ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৩৯:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ মে ২০২৫
  • / 534

ছবি সংগৃহীত

 

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ঢাকার পরিবহন খাতে প্রভাব বিস্তারকারী এনা পরিবহনের মালিক ও ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাবেক মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্লাহ এবং তার স্ত্রী-সন্তানের নামে থাকা ১৯০টি যানবাহন জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

রোববার (৪ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. জাকির হোসেন গালিব দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।

আরও পড়ুন  টেকনাফে ৩ লাখ টাকার মাছসহ অবৈধ ট্রলিং বোট জব্দ, জরিমানা ৬.৬৩ লাখ টাকা

দুদকের উপপরিচালক মো. সাইদুজ্জামান খন্দকার আদালতে আবেদনের মাধ্যমে জানান, খন্দকার এনায়েত উল্লাহর বিরুদ্ধে বিভিন্ন রুটে চলাচলকারী পরিবহন থেকে প্রতিদিন প্রায় এক কোটি ৬৫ লাখ টাকা চাঁদা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে অনুসন্ধান চালাচ্ছে দুদক। সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে এনায়েত উল্লাহ এবং তার পরিবারের মালিকানাধীন যানবাহনগুলো জব্দ করা জরুরি।

আদালতের আদেশ অনুযায়ী, জব্দের আওতায় আসা গাড়িগুলোর মালিকানা রয়েছে এনায়েত উল্লাহ, তার স্ত্রী নার্গিস সামসাদ, ছেলে রিদওয়ানুল আশিক নিলয় এবং মেয়ে চামশে জাহান নিশির নামে। এছাড়া, তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট দুটি প্রতিষ্ঠান এনা পরিবহন ও স্টারলাইন স্পেশাল লিমিটেডের নাম স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি একই আদালত খন্দকার এনায়েত উল্লাহ, তার স্ত্রী ও সন্তানদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট গণআন্দোলনের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরপরই খন্দকার এনায়েত উল্লাহ দেশত্যাগ করেন। তিনি শুধু পরিবহন মালিক সমিতির নেতা ছিলেন না, বরং ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার সহ-সভাপতির দায়িত্বেও ছিলেন।

দুর্নীতির অভিযোগ ও বিশাল সম্পদের অনুসন্ধানের পরিপ্রেক্ষিতে এনায়েত উল্লাহ ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ শুরু করেছে দুদক। এরই অংশ হিসেবে এ আদেশকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

এনায়েত উল্লাহ ও পরিবারের ১৯০টি যানবাহন জব্দের নির্দেশ

আপডেট সময় ০৭:৩৯:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ মে ২০২৫

 

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ঢাকার পরিবহন খাতে প্রভাব বিস্তারকারী এনা পরিবহনের মালিক ও ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাবেক মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্লাহ এবং তার স্ত্রী-সন্তানের নামে থাকা ১৯০টি যানবাহন জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

রোববার (৪ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. জাকির হোসেন গালিব দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।

আরও পড়ুন  নসরুল হামিদের ফ্ল্যাট-গাড়ি ও ৩৭ কোটি টাকা জব্দের নির্দেশ

দুদকের উপপরিচালক মো. সাইদুজ্জামান খন্দকার আদালতে আবেদনের মাধ্যমে জানান, খন্দকার এনায়েত উল্লাহর বিরুদ্ধে বিভিন্ন রুটে চলাচলকারী পরিবহন থেকে প্রতিদিন প্রায় এক কোটি ৬৫ লাখ টাকা চাঁদা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে অনুসন্ধান চালাচ্ছে দুদক। সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে এনায়েত উল্লাহ এবং তার পরিবারের মালিকানাধীন যানবাহনগুলো জব্দ করা জরুরি।

আদালতের আদেশ অনুযায়ী, জব্দের আওতায় আসা গাড়িগুলোর মালিকানা রয়েছে এনায়েত উল্লাহ, তার স্ত্রী নার্গিস সামসাদ, ছেলে রিদওয়ানুল আশিক নিলয় এবং মেয়ে চামশে জাহান নিশির নামে। এছাড়া, তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট দুটি প্রতিষ্ঠান এনা পরিবহন ও স্টারলাইন স্পেশাল লিমিটেডের নাম স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি একই আদালত খন্দকার এনায়েত উল্লাহ, তার স্ত্রী ও সন্তানদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট গণআন্দোলনের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরপরই খন্দকার এনায়েত উল্লাহ দেশত্যাগ করেন। তিনি শুধু পরিবহন মালিক সমিতির নেতা ছিলেন না, বরং ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার সহ-সভাপতির দায়িত্বেও ছিলেন।

দুর্নীতির অভিযোগ ও বিশাল সম্পদের অনুসন্ধানের পরিপ্রেক্ষিতে এনায়েত উল্লাহ ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ শুরু করেছে দুদক। এরই অংশ হিসেবে এ আদেশকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করছেন সংশ্লিষ্টরা।