ঢাকা ১১:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

স্বাধীনতার পর জাতির সম্পদ লুটকারীদের শ্বেতপত্র উন্মোচনের দাবি জামায়াত আমিরের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:০৬:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ মে ২০২৫
  • / 387

ছবি সংগৃহীত

 

স্বাধীনতার পর থেকে যারা রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটপাট ও পাচারে জড়িত, তাদের বিষয়ে শ্বেতপত্র প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। শনিবার (৩ মে) সকালে রাজধানীর মগবাজারে আয়োজিত দলের জেলা ও মহানগর আমিরদের সম্মেলনে তিনি এ দাবি জানান।

তিনি বলেন, “স্বাধীনতার পর যেভাবে রাষ্ট্রের সম্পদ চুরি ও বিদেশে পাচার হয়েছে, তা জাতির সামনে উন্মোচন করা জরুরি। এজন্য একটি নিরপেক্ষ শ্বেতপত্র প্রকাশ করতে হবে, যাতে প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটিত হয় এবং জনমনে আস্থা ফিরে আসে।”

আরও পড়ুন  চরমোনাই সফর করলেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমা

জামায়াতের আমির অভিযোগ করেন, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে অন্তত ২৬ লাখ কোটি টাকা পাচার হয়েছে। “এই বিপুল অর্থ কীভাবে, কার মাধ্যমে এবং কোন প্রক্রিয়ায় পাচার হলো, তা প্রকাশ করা এখন সময়ের দাবি,” বলেন তিনি।

জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমরা মনে করি নির্বাচনের জন্য ফেব্রুয়ারি মাসের রোজার আগ পর্যন্ত সময়টা এক ধরনের উপযোগী সময় হতে পারে। তবে সংস্কার কার্যক্রম ও দুর্নীতির বিচার প্রক্রিয়া যদি জনগণের আস্থা অর্জনের পর্যায়ে না পৌঁছায়, তাহলে এপ্রিলের পর নির্বাচন না করাই শ্রেয়।”

ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, “বর্তমান আবহাওয়া ও সামাজিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে মার্চের দুই-তৃতীয়াংশ সময় রোজা থাকবে। এই সময় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা কঠিন হবে। তাই নির্বাচনের সময় নির্ধারণে বাস্তবতা বিবেচনা করা প্রয়োজন।”

নির্বাচনের পূর্বশর্ত হিসেবে তিনি বলেন, “যদি সংস্কার কার্যক্রম প্রকৃত অর্থে গতিশীল হয় এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনেরা আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করেন, তাহলে সরকারের ঘোষিত ছয় মাস সময়ের মধ্যেই একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন সম্ভব।”

সম্মেলনে দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন এবং তারা নিরপেক্ষ নির্বাচন, দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন এবং অর্থ পাচার রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর জোর দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

স্বাধীনতার পর জাতির সম্পদ লুটকারীদের শ্বেতপত্র উন্মোচনের দাবি জামায়াত আমিরের

আপডেট সময় ০৩:০৬:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ মে ২০২৫

 

স্বাধীনতার পর থেকে যারা রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটপাট ও পাচারে জড়িত, তাদের বিষয়ে শ্বেতপত্র প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। শনিবার (৩ মে) সকালে রাজধানীর মগবাজারে আয়োজিত দলের জেলা ও মহানগর আমিরদের সম্মেলনে তিনি এ দাবি জানান।

তিনি বলেন, “স্বাধীনতার পর যেভাবে রাষ্ট্রের সম্পদ চুরি ও বিদেশে পাচার হয়েছে, তা জাতির সামনে উন্মোচন করা জরুরি। এজন্য একটি নিরপেক্ষ শ্বেতপত্র প্রকাশ করতে হবে, যাতে প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটিত হয় এবং জনমনে আস্থা ফিরে আসে।”

আরও পড়ুন  দেশের বৃহত্তর স্বার্থে দুটি নির্বাচনের ফলাফল মেনে নিয়েছি: জামায়াত আমির

জামায়াতের আমির অভিযোগ করেন, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে অন্তত ২৬ লাখ কোটি টাকা পাচার হয়েছে। “এই বিপুল অর্থ কীভাবে, কার মাধ্যমে এবং কোন প্রক্রিয়ায় পাচার হলো, তা প্রকাশ করা এখন সময়ের দাবি,” বলেন তিনি।

জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমরা মনে করি নির্বাচনের জন্য ফেব্রুয়ারি মাসের রোজার আগ পর্যন্ত সময়টা এক ধরনের উপযোগী সময় হতে পারে। তবে সংস্কার কার্যক্রম ও দুর্নীতির বিচার প্রক্রিয়া যদি জনগণের আস্থা অর্জনের পর্যায়ে না পৌঁছায়, তাহলে এপ্রিলের পর নির্বাচন না করাই শ্রেয়।”

ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, “বর্তমান আবহাওয়া ও সামাজিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে মার্চের দুই-তৃতীয়াংশ সময় রোজা থাকবে। এই সময় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা কঠিন হবে। তাই নির্বাচনের সময় নির্ধারণে বাস্তবতা বিবেচনা করা প্রয়োজন।”

নির্বাচনের পূর্বশর্ত হিসেবে তিনি বলেন, “যদি সংস্কার কার্যক্রম প্রকৃত অর্থে গতিশীল হয় এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনেরা আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করেন, তাহলে সরকারের ঘোষিত ছয় মাস সময়ের মধ্যেই একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন সম্ভব।”

সম্মেলনে দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন এবং তারা নিরপেক্ষ নির্বাচন, দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন এবং অর্থ পাচার রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর জোর দেন।