ঢাকা ০৪:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
পুলিশসহ জরুরি সেবায় জ্বালানি রেশনিং প্রত্যাহার করলেন প্রধানমন্ত্রী মিম শেয়ার করে নেটিজেনদের তোপের মুখে প্রকাশ রাজ পঞ্চগড়ে চা পাতা তোলার সময় বজ্রপাত; এক শ্রমিকের মৃত্যু টি-টোয়েন্টিতে ফিরছে বাংলাদেশ; চট্টগ্রামে কাল প্রথম ম্যাচ লোডশেডিংয়ে মাথা গরম? শান্ত থাকার সহজ কৌশল ‘কোনো কিছুই আমাকে থামাতে পারবে না’: ওয়াশিংটনে হামলার পর ট্রাম্পের হুংকার কামরাঙ্গীরচরে যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে খুন এইএচএসসি পাস করার সাথে সাথে ভর্তি পরীক্ষা দিতে পারে, সে ব্যবস্থা করতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি: একই হোটেলে মার্কিন সাবেক প্রেসিডেন্টের ওপর আগেও হামলা হয়েছিল ট্রাম্পের অনুষ্ঠানে হামলা: নিরাপত্তা বলয় ভেঙে প্রবেশের চেষ্টায় যুবক আটক

বৈশাখী উৎসব ১৪৩২: উত্তরা ইউনিভার্সিটির বর্ণাঢ্য উদযাপন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:২৬:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৫
  • / 370

ছবি সংগৃহীত

 

আনন্দমুখর পরিবেশে ও বর্ণিল সাজে উত্তরা ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত হলো ‘বৈশাখী পার্বণ ১৪৩২’। বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিস অব স্টুডেন্টস অ্যাফেয়ার্স-এর উদ্যোগে দিনব্যাপী এ উৎসবে ছিলো নানা সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, বাঙালি খাবার, বৈচিত্র্যময় স্টল, বাংলার লোকজ ও সাজসজ্জার উপকরণ। এতে ফুটে ওঠে বাঙালির সংস্কৃতির রং ও সৌন্দর্য।

বৃহস্পতিবার ( ২৪ এপ্রিল ) ইউনিভার্সিটির এনেক্স ভবনের সামনে খেলার মাঠে এই উৎসবে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন  ঢাকা ও কুষ্টিয়ায় একসঙ্গে আয়োজিত হলো ‘লালন উৎসব’

অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. ইয়াসমীন আরা লেখা ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউনিভার্সিটির উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. গৌর গোবিন্দ গোস্বামী। রঙিন ও ঐতিহ্যবাহী সাজসজ্জায়, আনন্দঘন পরিবেশে মেতে উঠেছিল পুরো ইউনিভার্সিটি প্রাঙ্গণ।

ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে বাহারি ধরনের স্টল স্থাপন করেন। সেখানে ঐতিহ্যবাহী পণ্যের প্রদর্শনীর পাশাপাশি শোভা পায় বৈশাখী মিষ্টি-মন্ডা, বাতাসা, মুড়ি, চিড়া ও মোয়া ইত্যাদি।

বাঙালি জীবনধারার নানা দিক তুলে ধরতেই এবারের আয়োজনে ছিলো নাগরদোলা ও বায়োস্কোপ। গ্রামীণ পরিবেশে সাজানো হয় প্রবেশপথ ও রং তুলির আঁচড়ে সেজেছে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন দেয়াল। উৎসবের প্রথম পর্বে ফ্লাশ মব অনুষ্ঠিত হয় এবং দ্বিতীয় পর্বে উত্তরা ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত নৃত্য, গান, আবৃত্তি ও অভিনয় উপভোগ করেন উপস্থিত সকলে।

উপাচার্য ড. ইয়াসমীন আরা বলেন, বৈশাখের এই আয়োজন কেবল একটি অনুষ্ঠান নয়, বরং এটা আমাদের শেকড়কে ছুঁয়ে দেখার মূল উপলক্ষ্য। যেখানে জড়িত থাকে বাংলার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি। আয়োজকরা জানান, এই উৎসব ছিল শুধুমাত্র আনন্দের নয় বরং একতা, সৃজনশীলতা ও সংস্কৃতির মিলনমেলা।

দিবসটির অন্যতম আকর্ষণ ছিল ব্যান্ড সংগীত, পরিবেশন করেন ব্যান্ড দল ‘আকাশ গায়েন’। নববর্ষের অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, পরিচালকবৃন্দ, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, রেজিস্ট্রার, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, প্রক্টর, শিক্ষক ও শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারী, সাংবাদিক ও বিভিন্ন স্টুডেন্ট ক্লাবের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সব দর্শক প্রাণভরে উপভোগ করেন উৎসবের রঙিন আমেজ। অনুষ্ঠানের স্পন্সর হিসেবে ছিলো এক্সিম ব্যাংক ও কো-স্পন্সর হিসেবে ছিলো হক কনসালটেন্সি।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

বৈশাখী উৎসব ১৪৩২: উত্তরা ইউনিভার্সিটির বর্ণাঢ্য উদযাপন

আপডেট সময় ১০:২৬:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৫

 

আনন্দমুখর পরিবেশে ও বর্ণিল সাজে উত্তরা ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত হলো ‘বৈশাখী পার্বণ ১৪৩২’। বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিস অব স্টুডেন্টস অ্যাফেয়ার্স-এর উদ্যোগে দিনব্যাপী এ উৎসবে ছিলো নানা সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, বাঙালি খাবার, বৈচিত্র্যময় স্টল, বাংলার লোকজ ও সাজসজ্জার উপকরণ। এতে ফুটে ওঠে বাঙালির সংস্কৃতির রং ও সৌন্দর্য।

বৃহস্পতিবার ( ২৪ এপ্রিল ) ইউনিভার্সিটির এনেক্স ভবনের সামনে খেলার মাঠে এই উৎসবে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন  আনন্দ শোভাযাত্রা ঘিরে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তা, বর্ণিল আলোয় নববর্ষ উদযাপন

অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. ইয়াসমীন আরা লেখা ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউনিভার্সিটির উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. গৌর গোবিন্দ গোস্বামী। রঙিন ও ঐতিহ্যবাহী সাজসজ্জায়, আনন্দঘন পরিবেশে মেতে উঠেছিল পুরো ইউনিভার্সিটি প্রাঙ্গণ।

ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে বাহারি ধরনের স্টল স্থাপন করেন। সেখানে ঐতিহ্যবাহী পণ্যের প্রদর্শনীর পাশাপাশি শোভা পায় বৈশাখী মিষ্টি-মন্ডা, বাতাসা, মুড়ি, চিড়া ও মোয়া ইত্যাদি।

বাঙালি জীবনধারার নানা দিক তুলে ধরতেই এবারের আয়োজনে ছিলো নাগরদোলা ও বায়োস্কোপ। গ্রামীণ পরিবেশে সাজানো হয় প্রবেশপথ ও রং তুলির আঁচড়ে সেজেছে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন দেয়াল। উৎসবের প্রথম পর্বে ফ্লাশ মব অনুষ্ঠিত হয় এবং দ্বিতীয় পর্বে উত্তরা ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত নৃত্য, গান, আবৃত্তি ও অভিনয় উপভোগ করেন উপস্থিত সকলে।

উপাচার্য ড. ইয়াসমীন আরা বলেন, বৈশাখের এই আয়োজন কেবল একটি অনুষ্ঠান নয়, বরং এটা আমাদের শেকড়কে ছুঁয়ে দেখার মূল উপলক্ষ্য। যেখানে জড়িত থাকে বাংলার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি। আয়োজকরা জানান, এই উৎসব ছিল শুধুমাত্র আনন্দের নয় বরং একতা, সৃজনশীলতা ও সংস্কৃতির মিলনমেলা।

দিবসটির অন্যতম আকর্ষণ ছিল ব্যান্ড সংগীত, পরিবেশন করেন ব্যান্ড দল ‘আকাশ গায়েন’। নববর্ষের অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, পরিচালকবৃন্দ, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, রেজিস্ট্রার, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, প্রক্টর, শিক্ষক ও শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারী, সাংবাদিক ও বিভিন্ন স্টুডেন্ট ক্লাবের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সব দর্শক প্রাণভরে উপভোগ করেন উৎসবের রঙিন আমেজ। অনুষ্ঠানের স্পন্সর হিসেবে ছিলো এক্সিম ব্যাংক ও কো-স্পন্সর হিসেবে ছিলো হক কনসালটেন্সি।