০৮:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
‘বাংলাদেশের পাশে আছে পাকিস্তান, বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে খেলবে না দল: পাকিস্তান স্পিকার না থাকায় এমপিদের শপথ পড়াবেন কে, জেনে নিন বিশ্বে ৭২ শতাংশ মানুষ স্বৈরাচারী শাসনের অধীনে আশুলিয়ায় ৬ মরদেহ পোড়ানো মামলার রায় আজ দ্বিতীয়বারের মতো বাবা হলেন জিয়াউল হক পলাশ ভোট কারচুপির ছক? জামায়াত নেতার নির্দেশে সিল তৈরি—মামলা ও বহিষ্কারে উত্তাল রাজনীতি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যে ভূগর্ভস্থ নতুন ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি প্রকাশ করল ইরান সৌদি লিগের ভেতরের টানাপোড়েন, ম্যাচ বয়কট করলেন রোনালদো জামায়াত আমিরের এক্স ‘হ্যাকড’: গ্রেপ্তার নিয়ে পুলিশের ভেতরে দ্বিমত যুব বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে আফগানিস্তানের বিদায়, ফয়সালের ঐতিহাসিক সেঞ্চুরি কীর্তি

আপিল বিভাগে নতুন দুই বিচারপতিকে সংবর্ধনা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:০১:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৫
  • / 116

ছবি সংগৃহীত

 

 

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি ফারাহ মাহবুবকে সংবর্ধনা জানানো হয়েছে।

রোববার (২০ এপ্রিল) সকালে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের এজলাস কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় এবং সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির পক্ষ থেকে এই সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের উপস্থিতিতে আপিল বিভাগের অন্যান্য বিচারপতি, সিনিয়র আইনজীবী ও বিশিষ্টজনেরা অংশগ্রহণ করেন। এজলাস কক্ষ কানায় কানায় পূর্ণ ছিল বিচারপতিদের সম্মান জানাতে আসা উপস্থিতদের ভিড়ে।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ঐতিহ্য অনুযায়ী বক্তব্য রাখেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান এবং সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন। তারা উভয় বিচারপতির কর্মময় জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন এবং তাঁদের আইন পেশায় নিষ্ঠা, পেশাদারিত্ব ও নৈতিক অবস্থানের প্রশংসা করেন।

বক্তব্যে বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি ফারাহ মাহবুব তাদের প্রতি এই সম্মাননা প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তাঁরা বলেন, বিচার বিভাগের মর্যাদা ও বিশ্বাসযোগ্যতা রক্ষায় তারা সব সময় নিরপেক্ষতা ও ন্যায়ের পথ অনুসরণ করবেন।

এর আগে, গত ২৪ মার্চ সুপ্রিম জুডিসিয়াল অ্যাপয়েন্টমেন্ট কাউন্সিলের সুপারিশক্রমে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন প্রধান বিচারপতির সঙ্গে পরামর্শ করে বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি ফারাহ মাহবুবকে আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেন। পরদিন ২৫ মার্চ প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে শপথ নেন এই দুই বিচারপতি।

এই নিয়োগের মাধ্যমে আপিল বিভাগে বিচারপতির সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাওয়ায় বিচার বিভাগের কার্যক্রমে গতিশীলতা আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্ট মহল। বিচারপ্রার্থীরা আশা করছেন, ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণে নতুন বিচারপতিরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপিল বিভাগে নতুন দুই বিচারপতিকে সংবর্ধনা

আপডেট সময় ০১:০১:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৫

 

 

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি ফারাহ মাহবুবকে সংবর্ধনা জানানো হয়েছে।

রোববার (২০ এপ্রিল) সকালে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের এজলাস কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় এবং সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির পক্ষ থেকে এই সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের উপস্থিতিতে আপিল বিভাগের অন্যান্য বিচারপতি, সিনিয়র আইনজীবী ও বিশিষ্টজনেরা অংশগ্রহণ করেন। এজলাস কক্ষ কানায় কানায় পূর্ণ ছিল বিচারপতিদের সম্মান জানাতে আসা উপস্থিতদের ভিড়ে।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ঐতিহ্য অনুযায়ী বক্তব্য রাখেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান এবং সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন। তারা উভয় বিচারপতির কর্মময় জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন এবং তাঁদের আইন পেশায় নিষ্ঠা, পেশাদারিত্ব ও নৈতিক অবস্থানের প্রশংসা করেন।

বক্তব্যে বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি ফারাহ মাহবুব তাদের প্রতি এই সম্মাননা প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তাঁরা বলেন, বিচার বিভাগের মর্যাদা ও বিশ্বাসযোগ্যতা রক্ষায় তারা সব সময় নিরপেক্ষতা ও ন্যায়ের পথ অনুসরণ করবেন।

এর আগে, গত ২৪ মার্চ সুপ্রিম জুডিসিয়াল অ্যাপয়েন্টমেন্ট কাউন্সিলের সুপারিশক্রমে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন প্রধান বিচারপতির সঙ্গে পরামর্শ করে বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি ফারাহ মাহবুবকে আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেন। পরদিন ২৫ মার্চ প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে শপথ নেন এই দুই বিচারপতি।

এই নিয়োগের মাধ্যমে আপিল বিভাগে বিচারপতির সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাওয়ায় বিচার বিভাগের কার্যক্রমে গতিশীলতা আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্ট মহল। বিচারপ্রার্থীরা আশা করছেন, ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণে নতুন বিচারপতিরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।