ঢাকা ০৭:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান

রাজউকের প্লট বরাদ্দে দুর্নীতি: শেখ হাসিনা ও কন্যা পুতুলসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৫৯:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ এপ্রিল ২০২৫
  • / 415

ছবি সংগৃহীত

 

রাজউকের প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের ভিত্তিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত।

বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) ঢাকার বিশেষ জজ আদালতের বিচারক জাকির হোসেন গালিব এ আদেশ দেন। মামলায় অভিযোগ রয়েছে, রাজধানীর বারিধারায় রাজউকের জমি বরাদ্দে অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির মাধ্যমে একাধিক ব্যক্তি সুবিধা পেয়েছেন।

আরও পড়ুন  শুধু দুর্নীতি নয়, অপচয়ও করেছে আ.লীগ: প্রতিমন্ত্রী সাকি

আসামিদের মধ্যে রয়েছেন জাতীয় গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম সরকার, সিনিয়র সহকারী সচিব পুরবী গোলদার, অতিরিক্ত সচিব কাজী ওয়াছি উদ্দিন, সচিব মো. শহীদ উল্লা খন্দকার, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত সহকারী মো. আনিছুর রহমান মিঞা, রাজউকের সাবেক সদস্য মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, কবির আল আসাদ, তন্ময় দাস, মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, মেজর (অব.) সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী, মো. নুরুল ইসলাম, পরিচালক শেখ শাহিনুল ইসলাম, উপপরিচালক মো. হাফিজুর রহমান ও হাবিবুর রহমান।

এছাড়াও মামলায় আসামি হিসেবে রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-১ মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন এবং সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ।

দুদকের আবেদনে বলা হয়, প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির মাধ্যমে সরকারি সম্পদ আত্মসাৎ করা হয়েছে। তদন্তে এ বিষয়ে পর্যাপ্ত তথ্য ও সাক্ষ্যপ্রমাণ পাওয়া গেছে। ফলে মামলাটি বিচারিক প্রক্রিয়ার আওতায় আনতে আসামিদের গ্রেপ্তার প্রয়োজন।

আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, তদন্তের স্বার্থে এবং বিচার প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে এ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আসামিদের গ্রেপ্তারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

দুদক সূত্র জানিয়েছে, মামলাটি অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং দোষীদের আইনের আওতায় আনতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

বিষয় :

নিউজটি শেয়ার করুন

রাজউকের প্লট বরাদ্দে দুর্নীতি: শেখ হাসিনা ও কন্যা পুতুলসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

আপডেট সময় ০১:৫৯:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ এপ্রিল ২০২৫

 

রাজউকের প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের ভিত্তিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত।

বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) ঢাকার বিশেষ জজ আদালতের বিচারক জাকির হোসেন গালিব এ আদেশ দেন। মামলায় অভিযোগ রয়েছে, রাজধানীর বারিধারায় রাজউকের জমি বরাদ্দে অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির মাধ্যমে একাধিক ব্যক্তি সুবিধা পেয়েছেন।

আরও পড়ুন  দুর্নীতিবাজ, দখলদার ও চাঁদাবাজদের না বলুন, যারা ওদের পক্ষে তাঁদের বয়কট করুন: নাহিদ ইসলাম

আসামিদের মধ্যে রয়েছেন জাতীয় গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম সরকার, সিনিয়র সহকারী সচিব পুরবী গোলদার, অতিরিক্ত সচিব কাজী ওয়াছি উদ্দিন, সচিব মো. শহীদ উল্লা খন্দকার, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত সহকারী মো. আনিছুর রহমান মিঞা, রাজউকের সাবেক সদস্য মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, কবির আল আসাদ, তন্ময় দাস, মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, মেজর (অব.) সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী, মো. নুরুল ইসলাম, পরিচালক শেখ শাহিনুল ইসলাম, উপপরিচালক মো. হাফিজুর রহমান ও হাবিবুর রহমান।

এছাড়াও মামলায় আসামি হিসেবে রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-১ মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন এবং সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ।

দুদকের আবেদনে বলা হয়, প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির মাধ্যমে সরকারি সম্পদ আত্মসাৎ করা হয়েছে। তদন্তে এ বিষয়ে পর্যাপ্ত তথ্য ও সাক্ষ্যপ্রমাণ পাওয়া গেছে। ফলে মামলাটি বিচারিক প্রক্রিয়ার আওতায় আনতে আসামিদের গ্রেপ্তার প্রয়োজন।

আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, তদন্তের স্বার্থে এবং বিচার প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে এ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আসামিদের গ্রেপ্তারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

দুদক সূত্র জানিয়েছে, মামলাটি অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং দোষীদের আইনের আওতায় আনতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।