ঢাকা ০৮:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

আচরণবিধিতে আসছে কঠোরতা, লাগাম টানতে নির্বাচন কমিশনের নিচ্ছে নতুন উদ্যোগ: ইসি আনোয়ারুল

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৪৫:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ এপ্রিল ২০২৫
  • / 480

ছবি সংগৃহীত

 

নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের লাগাম টানতে এবার আচরণবিধিতে আনা হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন। আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করে একটি সুষ্ঠু, সমান সুযোগভিত্তিক নির্বাচনী পরিবেশ গড়ার লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

সোমবার (৭ এপ্রিল) নির্বাচন ভবনে কমিশনের এক বৈঠক শেষে কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার জানান, আচরণবিধি এমনভাবে তৈরি করা হচ্ছে, যাতে আইনের সর্বোচ্চ প্রয়োগ সম্ভব হয় এবং কেউ যেনো তা লঙ্ঘন করে পার না পায়।

আরও পড়ুন  খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে ইসি

কমিশনার বলেন, “নিয়ম থাকা সত্ত্বেও বারবার দেখা গেছে, প্রার্থীরা প্রচারণায় আচরণবিধি ভঙ্গ করছেন। কেউ কেউ জরিমানা দিয়েই বারবার একই কাজ করছেন। বিশেষ করে ক্ষমতাশালী প্রার্থীরা আইনের তোয়াক্কা না করেই প্রচার চালাচ্ছেন। এই অবস্থার অবসান ঘটাতেই নতুন করে ভাবা হচ্ছে আচরণবিধি নিয়ে।”

কমিশনের ওই সভায় সংসদ নির্বাচনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ, রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন, ভোটকেন্দ্র স্থাপন এবং স্থানীয় সরকারের নির্বাচন প্রসঙ্গে আলোচনা হয়। আনোয়ারুল ইসলাম সরকার জানান, নতুন আচরণবিধিতে এমন ব্যবস্থা রাখা হবে, যাতে প্রতিটি প্রার্থী সমান সুযোগ পান। নির্বাচনী ব্যয় যাতে ন্যূনতম হয়, তাও নিশ্চিত করা হবে।

সীমানা পুনর্নির্ধারণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এ বিষয়ে যদি আইন সংশোধনের অনুমোদন না আসে, তবে বিদ্যমান সীমানা অনুযায়ীই নির্বাচন হবে।”

এছাড়া, রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন নিয়েও চলছে কাজ। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ কনজার্ভেটিভ পার্টি নামে একটি দল নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেছে বলে জানান কমিশনার। তবে নিবন্ধনের সময় বাড়ানোর বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

নির্বাচনী অনিয়ম রোধ ও আইন মেনে একটি প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশনের এ উদ্যোগে নতুন আশার আলো দেখছেন সচেতন মহল। এবার হয়তো প্রার্থীদের জন্য থাকবে না নিয়ম ভাঙার অবাধ ছাড়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আচরণবিধিতে আসছে কঠোরতা, লাগাম টানতে নির্বাচন কমিশনের নিচ্ছে নতুন উদ্যোগ: ইসি আনোয়ারুল

আপডেট সময় ০৫:৪৫:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ এপ্রিল ২০২৫

 

নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের লাগাম টানতে এবার আচরণবিধিতে আনা হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন। আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করে একটি সুষ্ঠু, সমান সুযোগভিত্তিক নির্বাচনী পরিবেশ গড়ার লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

সোমবার (৭ এপ্রিল) নির্বাচন ভবনে কমিশনের এক বৈঠক শেষে কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার জানান, আচরণবিধি এমনভাবে তৈরি করা হচ্ছে, যাতে আইনের সর্বোচ্চ প্রয়োগ সম্ভব হয় এবং কেউ যেনো তা লঙ্ঘন করে পার না পায়।

আরও পড়ুন  পোস্টাল ব্যালটের ফলাফলে কিছুটা বিলম্ব হতে পারে: ইসি সচিব

কমিশনার বলেন, “নিয়ম থাকা সত্ত্বেও বারবার দেখা গেছে, প্রার্থীরা প্রচারণায় আচরণবিধি ভঙ্গ করছেন। কেউ কেউ জরিমানা দিয়েই বারবার একই কাজ করছেন। বিশেষ করে ক্ষমতাশালী প্রার্থীরা আইনের তোয়াক্কা না করেই প্রচার চালাচ্ছেন। এই অবস্থার অবসান ঘটাতেই নতুন করে ভাবা হচ্ছে আচরণবিধি নিয়ে।”

কমিশনের ওই সভায় সংসদ নির্বাচনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ, রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন, ভোটকেন্দ্র স্থাপন এবং স্থানীয় সরকারের নির্বাচন প্রসঙ্গে আলোচনা হয়। আনোয়ারুল ইসলাম সরকার জানান, নতুন আচরণবিধিতে এমন ব্যবস্থা রাখা হবে, যাতে প্রতিটি প্রার্থী সমান সুযোগ পান। নির্বাচনী ব্যয় যাতে ন্যূনতম হয়, তাও নিশ্চিত করা হবে।

সীমানা পুনর্নির্ধারণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এ বিষয়ে যদি আইন সংশোধনের অনুমোদন না আসে, তবে বিদ্যমান সীমানা অনুযায়ীই নির্বাচন হবে।”

এছাড়া, রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন নিয়েও চলছে কাজ। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ কনজার্ভেটিভ পার্টি নামে একটি দল নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেছে বলে জানান কমিশনার। তবে নিবন্ধনের সময় বাড়ানোর বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

নির্বাচনী অনিয়ম রোধ ও আইন মেনে একটি প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশনের এ উদ্যোগে নতুন আশার আলো দেখছেন সচেতন মহল। এবার হয়তো প্রার্থীদের জন্য থাকবে না নিয়ম ভাঙার অবাধ ছাড়।