ঢাকা ০৪:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস আজ: নিরাপদ জন্মের অঙ্গীকারে আলোকিত ভবিষ্যতের পথে

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:২৮:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ এপ্রিল ২০২৫
  • / 350

ছবি সংগৃহীত

 

আজ ৭ এপ্রিল, বিশ্বব্যাপী পালিত হচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস। এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘জন্ম হোক সুরক্ষিত, ভবিষ্যৎ হোক আলোকিত’ নতুন প্রজন্মের সুস্থ জীবন নিশ্চিত করতে বিশ্বজুড়ে একটি জোরালো বার্তা বহন করছে। বাংলাদেশেও দিবসটি যথাযথ গুরুত্বসহকারে উদযাপিত হচ্ছে।

এই উপলক্ষে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা গ্রহণ করেছে নানামুখী কর্মসূচি। গর্ভবতী মা ও নবজাতকের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা, স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করা এবং সচেতনতা বাড়ানোই এবারের মূল লক্ষ্য।

আরও পড়ুন  ছয় মাসে জাতীয় সনদ চূড়ান্তে ঐকমত্য কমিশনের অঙ্গীকার

বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস এক গুরুত্বপূর্ণ বাণীতে বলেন, “নারী ও শিশুর স্বাস্থ্য উন্নয়নে দেশের প্রতিটি স্তরে সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি। ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার নারী ও শিশুর স্বাস্থ্যকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “মাতৃমৃত্যু ও শিশুমৃত্যুর হার এখনো দেশের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ। এই হার কমাতে আরও কার্যকর কর্মসূচি, সচেতনতা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অপরিহার্য।”

বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসের ইতিহাস ঘেঁটে দেখা যায়, ১৯৪৬ সালে জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের সিদ্ধান্তে একটি আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সম্মেলনের আয়োজন হয়। এর ধারাবাহিকতায় ১৯৪৮ সালের ৭ এপ্রিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) প্রতিষ্ঠিত হয় এবং দিনটি ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

প্রতি বছর একটি বিশেষ স্বাস্থ্য ইস্যু কেন্দ্র করে দিবসটি পালন করা হয়, যা বৈশ্বিকভাবে গুরুত্ব পায়। এ বছর মাতৃত্বকালীন নিরাপত্তা ও শিশুর সুরক্ষা বিষয়ে ফোকাস করে বিশ্বজুড়ে নীতিনির্ধারক ও জনগণের মধ্যে সচেতনতা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসে এ বছরের বার্তা তাই খুবই স্পষ্ট প্রত্যেকটি শিশুর জন্ম হোক নিরাপদ, আর প্রতিটি ভবিষ্যৎ হোক স্বাস্থ্যোজ্জ্বল ও আলোকিত।

নিউজটি শেয়ার করুন

বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস আজ: নিরাপদ জন্মের অঙ্গীকারে আলোকিত ভবিষ্যতের পথে

আপডেট সময় ১১:২৮:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ এপ্রিল ২০২৫

 

আজ ৭ এপ্রিল, বিশ্বব্যাপী পালিত হচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস। এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘জন্ম হোক সুরক্ষিত, ভবিষ্যৎ হোক আলোকিত’ নতুন প্রজন্মের সুস্থ জীবন নিশ্চিত করতে বিশ্বজুড়ে একটি জোরালো বার্তা বহন করছে। বাংলাদেশেও দিবসটি যথাযথ গুরুত্বসহকারে উদযাপিত হচ্ছে।

এই উপলক্ষে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা গ্রহণ করেছে নানামুখী কর্মসূচি। গর্ভবতী মা ও নবজাতকের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা, স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করা এবং সচেতনতা বাড়ানোই এবারের মূল লক্ষ্য।

আরও পড়ুন  ছয় মাসে জাতীয় সনদ চূড়ান্তে ঐকমত্য কমিশনের অঙ্গীকার

বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস এক গুরুত্বপূর্ণ বাণীতে বলেন, “নারী ও শিশুর স্বাস্থ্য উন্নয়নে দেশের প্রতিটি স্তরে সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি। ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার নারী ও শিশুর স্বাস্থ্যকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “মাতৃমৃত্যু ও শিশুমৃত্যুর হার এখনো দেশের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ। এই হার কমাতে আরও কার্যকর কর্মসূচি, সচেতনতা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অপরিহার্য।”

বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসের ইতিহাস ঘেঁটে দেখা যায়, ১৯৪৬ সালে জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের সিদ্ধান্তে একটি আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সম্মেলনের আয়োজন হয়। এর ধারাবাহিকতায় ১৯৪৮ সালের ৭ এপ্রিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) প্রতিষ্ঠিত হয় এবং দিনটি ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

প্রতি বছর একটি বিশেষ স্বাস্থ্য ইস্যু কেন্দ্র করে দিবসটি পালন করা হয়, যা বৈশ্বিকভাবে গুরুত্ব পায়। এ বছর মাতৃত্বকালীন নিরাপত্তা ও শিশুর সুরক্ষা বিষয়ে ফোকাস করে বিশ্বজুড়ে নীতিনির্ধারক ও জনগণের মধ্যে সচেতনতা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসে এ বছরের বার্তা তাই খুবই স্পষ্ট প্রত্যেকটি শিশুর জন্ম হোক নিরাপদ, আর প্রতিটি ভবিষ্যৎ হোক স্বাস্থ্যোজ্জ্বল ও আলোকিত।