ঢাকা ০৮:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রুট ৬৬, ওকলাহোমা: আমেরিকার ইতিহাসের পথে এক যাত্রা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:২৫:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 370

ছবি: সংগৃহীত

 

রুট ৬৬ যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে ঐতিহাসিক মহাসড়কগুলোর একটি। একে বলা হয় “মাদার রোড”। এই সড়কটি শিকাগো থেকে শুরু হয়ে ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা মনিকা পর্যন্ত বিস্তৃত। এর মাঝের গুরুত্বপূর্ণ অংশ পড়ে ওকলাহোমা অঙ্গরাজ্যে, যেখানে রুট ৬৬ এখনো জীবন্ত ইতিহাস হয়ে আছে।

১৯২৬ সালে রুট ৬৬ চালু হয়। তখন এটি ছিল আমেরিকার পশ্চিমে যাওয়ার প্রধান পথ। মহামন্দার সময় হাজার হাজার মানুষ কাজ ও ভালো জীবনের খোঁজে এই সড়ক ধরে যাত্রা করেছিল। ওকলাহোমা ছিল সেই যাত্রার কেন্দ্রবিন্দু। তাই এখানকার রুট ৬৬ শুধু রাস্তা নয়, মানুষের স্বপ্ন আর সংগ্রামের গল্প।

আরও পড়ুন  রিও ডি জেনিরো ইতিহাস, প্রকৃতি আর জীবনের উৎসব

ওকলাহোমায় রুট ৬৬ ধরে ভ্রমণ করলে দেখা যায় পুরনো ডাইনার, মোটেল, গ্যাস স্টেশন আর ছোট শহর। ক্লিনটন শহরের রুট ৬৬ মিউজিয়াম পর্যটকদের কাছে খুব জনপ্রিয়। এখানে রুট ৬৬ এর ইতিহাস, পুরনো গাড়ি আর ভ্রমণ সংস্কৃতির গল্প জানা যায়। তুলসা শহরে আছে আর্ট ডেকো স্থাপত্য, যা রুট ৬৬ এর সৌন্দর্য আরও বাড়িয়ে দেয়।

এই সড়ক ধরে ভ্রমণ মানে ধীর গতির ভ্রমণ। এখানে আধুনিক হাইওয়ের তাড়াহুড়া নেই। পর্যটকরা চাইলে গাড়ি নিয়ে ছোট ছোট শহরে থামতে পারেন, স্থানীয় খাবার খেতে পারেন, মানুষের সঙ্গে গল্প করতে পারেন। এটি এক ধরনের নস্টালজিক ভ্রমণ অভিজ্ঞতা।

আজ রুট ৬৬ ওকলাহোমার পর্যটনের বড় অংশ। ইতিহাসপ্রেমী, রোড ট্রিপপ্রেমী আর ফটোগ্রাফারদের জন্য এটি আদর্শ জায়গা। রুট ৬৬ আমাদের শেখায়, কখনো কখনো গন্তব্যের চেয়ে পথটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

এই হলো রুট ৬৬, ওকলাহোমা একটি রাস্তা, যা আজও ইতিহাসের গল্প বলে চলেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

রুট ৬৬, ওকলাহোমা: আমেরিকার ইতিহাসের পথে এক যাত্রা

আপডেট সময় ০৭:২৫:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

 

রুট ৬৬ যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে ঐতিহাসিক মহাসড়কগুলোর একটি। একে বলা হয় “মাদার রোড”। এই সড়কটি শিকাগো থেকে শুরু হয়ে ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা মনিকা পর্যন্ত বিস্তৃত। এর মাঝের গুরুত্বপূর্ণ অংশ পড়ে ওকলাহোমা অঙ্গরাজ্যে, যেখানে রুট ৬৬ এখনো জীবন্ত ইতিহাস হয়ে আছে।

১৯২৬ সালে রুট ৬৬ চালু হয়। তখন এটি ছিল আমেরিকার পশ্চিমে যাওয়ার প্রধান পথ। মহামন্দার সময় হাজার হাজার মানুষ কাজ ও ভালো জীবনের খোঁজে এই সড়ক ধরে যাত্রা করেছিল। ওকলাহোমা ছিল সেই যাত্রার কেন্দ্রবিন্দু। তাই এখানকার রুট ৬৬ শুধু রাস্তা নয়, মানুষের স্বপ্ন আর সংগ্রামের গল্প।

আরও পড়ুন  ব্রাজিলে ইতিহাস গড়া বিচার

ওকলাহোমায় রুট ৬৬ ধরে ভ্রমণ করলে দেখা যায় পুরনো ডাইনার, মোটেল, গ্যাস স্টেশন আর ছোট শহর। ক্লিনটন শহরের রুট ৬৬ মিউজিয়াম পর্যটকদের কাছে খুব জনপ্রিয়। এখানে রুট ৬৬ এর ইতিহাস, পুরনো গাড়ি আর ভ্রমণ সংস্কৃতির গল্প জানা যায়। তুলসা শহরে আছে আর্ট ডেকো স্থাপত্য, যা রুট ৬৬ এর সৌন্দর্য আরও বাড়িয়ে দেয়।

এই সড়ক ধরে ভ্রমণ মানে ধীর গতির ভ্রমণ। এখানে আধুনিক হাইওয়ের তাড়াহুড়া নেই। পর্যটকরা চাইলে গাড়ি নিয়ে ছোট ছোট শহরে থামতে পারেন, স্থানীয় খাবার খেতে পারেন, মানুষের সঙ্গে গল্প করতে পারেন। এটি এক ধরনের নস্টালজিক ভ্রমণ অভিজ্ঞতা।

আজ রুট ৬৬ ওকলাহোমার পর্যটনের বড় অংশ। ইতিহাসপ্রেমী, রোড ট্রিপপ্রেমী আর ফটোগ্রাফারদের জন্য এটি আদর্শ জায়গা। রুট ৬৬ আমাদের শেখায়, কখনো কখনো গন্তব্যের চেয়ে পথটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

এই হলো রুট ৬৬, ওকলাহোমা একটি রাস্তা, যা আজও ইতিহাসের গল্প বলে চলেছে।