০২:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

৪.৯ মাত্রায় ভূমিকম্প, কেঁপে উঠল দেশ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:৪৪:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 642

ছবি সংগৃহীত

 

সোমবার দিবাগত রাত ১২টা ৫৫ মিনিটে হঠাৎ ভূকম্পনে কেঁপে ওঠে বাংলাদেশ। যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানায়, ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৪.৯। ভূমিকম্পের কেন্দ্র স্থির হয়েছে কক্সবাজারের নিকটবর্তী মিয়ানমারের ফালাম এলাকায়, ভূগর্ভের প্রায় ১০৭ কিলোমিটার গভীরে।

রাজধানী ঢাকা ছাড়াও বরিশাল, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের মানুষ স্পষ্টভাবে কম্পন অনুভব করেছেন। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত কোনো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে ইউরোপিয়ান মেডিটেরিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমএসসি) জানিয়েছে, একই মাত্রার ভূমিকম্পের কেন্দ্র ছিল মিয়ানমারের সাগাইং অঞ্চলের নাচুয়াং এলাকায়। সংস্থাটি প্রভাবিত অঞ্চলের তালিকায় রেখেছে—মিয়ানমারের সাগাইং, ভারতের উত্তর–পূর্বাঞ্চল, এবং বাংলাদেশের চট্টগ্রাম, ঢাকা, বরিশাল ও সিলেট বিভাগকে।

ভূতাত্ত্বিক বিশেষজ্ঞদের মতে, মিয়ানমার ভূমিকম্পের উচ্চঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় পড়ে। দেশটি ভারত ও ইউরেশিয়া টেকটোনিক প্লেটের সংযোগসীমায় অবস্থান করায় বড় ধরনের কম্পনের সম্ভাবনা সবসময়ই থাকে। সাইগং ফল্ট নামে পরিচিত প্লেট সীমানা মান্দালয় থেকে ইয়াঙ্গুন পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার বিস্তৃত—যা ঘনবসতিপূর্ণ অঞ্চলগুলোকে আরও ঝুঁকিতে ফেলেছে।

এর আগে, গত ২৮ মার্চ মিয়ানমারে ৭.৭ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল। ওই কম্পনের প্রভাব বাংলাদেশ, ভারত, থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া ও চীনের বিভিন্ন জায়গায়ও অনুভূত হয়। বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য, গত দুই দশকে দেশটিতে এমন শক্তিশালী কম্পন আর দেখা যায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

৪.৯ মাত্রায় ভূমিকম্প, কেঁপে উঠল দেশ

আপডেট সময় ০৯:৪৪:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫

 

সোমবার দিবাগত রাত ১২টা ৫৫ মিনিটে হঠাৎ ভূকম্পনে কেঁপে ওঠে বাংলাদেশ। যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানায়, ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৪.৯। ভূমিকম্পের কেন্দ্র স্থির হয়েছে কক্সবাজারের নিকটবর্তী মিয়ানমারের ফালাম এলাকায়, ভূগর্ভের প্রায় ১০৭ কিলোমিটার গভীরে।

রাজধানী ঢাকা ছাড়াও বরিশাল, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের মানুষ স্পষ্টভাবে কম্পন অনুভব করেছেন। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত কোনো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে ইউরোপিয়ান মেডিটেরিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমএসসি) জানিয়েছে, একই মাত্রার ভূমিকম্পের কেন্দ্র ছিল মিয়ানমারের সাগাইং অঞ্চলের নাচুয়াং এলাকায়। সংস্থাটি প্রভাবিত অঞ্চলের তালিকায় রেখেছে—মিয়ানমারের সাগাইং, ভারতের উত্তর–পূর্বাঞ্চল, এবং বাংলাদেশের চট্টগ্রাম, ঢাকা, বরিশাল ও সিলেট বিভাগকে।

ভূতাত্ত্বিক বিশেষজ্ঞদের মতে, মিয়ানমার ভূমিকম্পের উচ্চঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় পড়ে। দেশটি ভারত ও ইউরেশিয়া টেকটোনিক প্লেটের সংযোগসীমায় অবস্থান করায় বড় ধরনের কম্পনের সম্ভাবনা সবসময়ই থাকে। সাইগং ফল্ট নামে পরিচিত প্লেট সীমানা মান্দালয় থেকে ইয়াঙ্গুন পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার বিস্তৃত—যা ঘনবসতিপূর্ণ অঞ্চলগুলোকে আরও ঝুঁকিতে ফেলেছে।

এর আগে, গত ২৮ মার্চ মিয়ানমারে ৭.৭ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল। ওই কম্পনের প্রভাব বাংলাদেশ, ভারত, থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া ও চীনের বিভিন্ন জায়গায়ও অনুভূত হয়। বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য, গত দুই দশকে দেশটিতে এমন শক্তিশালী কম্পন আর দেখা যায়নি।