আইসিসি সভায় ভোটে বাংলাদেশের বিপক্ষে রায়
- আপডেট সময় ০৭:২৭:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
- / 125
চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে এক দিনের সময়, না গেলে সুযোগ পাবে অন্য দল। ভারতে অনুষ্ঠিতব্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে আইসিসি বোর্ড সভায় ভোটাভুটিতে বাংলাদেশের বিপক্ষে রায় হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বাংলাদেশ যদি ভারতে গিয়ে খেলতে অস্বীকৃতি জানায়, তাহলে তাদের পরিবর্তে অন্য কোনো দেশকে বিশ্বকাপে সুযোগ দেওয়া হবে।
ক্রিকেট বিষয়ক ওয়েবসাইট ইএসপিএনক্রিকইনফোর খবরে বলা হয়েছে, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি) আর মাত্র এক দিন সময় দিয়েছে আইসিসি।
বুধবার আইসিসি বোর্ড সদস্যদের অনলাইন সভায় বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারতের বাইরে সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ ভোটে খারিজ হয়ে যায়। জানা গেছে, বোর্ড সদস্যদের মধ্যে কেবল একটি ভোটই বাংলাদেশের পক্ষে পড়েছে।
এ বিষয়ে বিসিবির পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এর আগে বিসিবি ও বাংলাদেশ সরকার একাধিকবার জানিয়েছে, নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে জাতীয় দল কোনোভাবেই ভারতে গিয়ে খেলবে না। আইসিসি এক দিনের সময় বেঁধে দিলেও পরিস্থিতি বিবেচনায় বাংলাদেশকে ছাড়াই এবারের বিশ্বকাপ আয়োজনের সম্ভাবনাই বেশি বলে ধারণা করা হচ্ছে। বাংলাদেশ না গেলে র্যাঙ্কিং অনুযায়ী বিশ্বকাপে সুযোগ পেতে পারে স্কটল্যান্ড।
আইসিসি বোর্ডের এই অনলাইন সভায় উপস্থিত ছিলেন আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ, বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল, ভারতীয় বোর্ডের সচিব দেবাজিৎ সাইকিয়া, টেস্ট খেলুড়ে দেশগুলোর প্রতিনিধিরা, সহযোগী দেশগুলোর দুই প্রতিনিধি, আইসিসির প্রধান নির্বাহী সাঞ্জোগ গুপ্তা, ডেপুটি চেয়ারম্যান ইমরান খাওয়াজা এবং আইসিসির মহাব্যবস্থাপক (ইভেন্টস) গৌরাভ সাক্সেনা। এছাড়া সভায় যোগ দেন আইসিসি দুর্নীতি দমন বিভাগের প্রধান অ্যান্ড্রু এফগ্রেভ, যিনি গত শনিবার ঢাকায় এসে বিসিবির সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন।
এই অচলাবস্থার সূত্রপাত ঘটে, যখন ভারতীয় বোর্ডের নির্দেশে আইপিএল দল কলকাতা নাইট রাইডার্স থেকে বাংলাদেশের পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়া হয়। এর পরদিনই বিসিবি আইসিসিকে চিঠি দিয়ে জানায়, নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে তারা ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে যাবে না এবং ম্যাচগুলো অন্য ভেন্যুতে সরানোর অনুরোধ জানায়।
পরবর্তীতে আইসিসি ও বিসিবির মধ্যে দুই দফা বৈঠক হলেও কোনো সমাধান আসেনি। বিসিবি বারবার নিরাপত্তা উদ্বেগের বিষয়টি তুলে ধরেছে, আর আইসিসি প্রতিবারই জানিয়েছে, কোনো দলের জন্য নির্দিষ্ট নিরাপত্তা হুমকির তথ্য তাদের কাছে নেই।


























