ঢাকা ০৬:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ১২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে গীতা পাঠে ‘নিষেধ’: রাজশাহী-১ আসনের এমপির বিরুদ্ধে অভিযোগ গাইবান্ধায় থানায় ঢুকে ওসির ওপর হামলার অভিযোগ,যুব জামায়াত নেতাসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা কৃষিতে নতুন দিগন্ত: উৎপাদন বৃদ্ধি, প্রণোদনা ও প্রযুক্তিতে জোর প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ১৫ এপ্রিল: যে ভাবে নিবে শেষ মুহূর্তে প্রস্তুতি ফেসবুকে রিলস ও পোস্ট শেয়ার করে মাসে ৩ হাজার ডলার আয়ের সুযোগ গরমে ত্বকের যত্নে ৮ সহজ অভ্যাস, না মানলে হতে পারে ত্বকের নানা সমস্যা জাতীয় স্টেডিয়ামে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ উপভোগ করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আকস্মিক ও অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু থেকে পানাহের জন্য ইসলামি বিধান ও বিশেষ দোয়া কিউবা: ক্যারিবীয় দ্বীপে ইতিহাস, সংস্কৃতি আর বাস্তবতার মিশ্রণ আমাকে ইরানের ‘সর্বোচ্চ নেতা’ হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে-বিস্ফোরক মন্তব্য ট্রাম্পের

দেশে ১৯৭৭, ১৯৮৫ ও ১৯৯১ সালের গণভোটগুলোয় যা হয়েছিল

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৩১:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 532

ছবি; সংগৃহীত

 

রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে জনগণের সরাসরি ভোটের মাধ্যমে মতামত নেওয়ার পদ্ধতিই হল গণভোট। এর মাধ্যমে জনগণের কাছে সেই সিদ্ধান্ত চূড়ান্তভাবে গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যানের জন্য উপস্থাপন করা হয়। বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জনের পর থেকে এ পর্যন্ত তিনবার গণভোট হয়েছে; ১৯৭৭, ১৯৮৫ ও ১৯৯১ সালে।

এবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে একই দিনে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোটে অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছেন দেশের প্রায় পৌনে ১৩ কোটি ভোটার।

আরও পড়ুন  জাতীয় নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতেই হবে,কেউ রুখতে পারবে না: সালাহউদ্দিন আহমেদ

স্বাধীনতার পর এ নিয়ে চতুর্থবারের মতো গণভোট হতে যাচ্ছে দেশে, যেখানে আগের তিনবারই ৮৪ থেকে ৯৮ শতাংশ ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছিল।

১৯৭৭ সালের ৩০ মে প্রথম গণভোট হয় রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং তার অনুসৃত নীতি ও কর্মপন্থার প্রতি জনগণের মতামত যাচাইয়ের জন্য। সেবার ৯৮ দশমিক ৮ শতাংশ ‘হ্যাঁ’ ভোট এবং ১ দশমিক ১২ শতাংশ ‘না’ ভোট পড়েছিল।

দেশে দ্বিতীয়বার গণভোট হয় ১৯৮৫ সালের ২১ মার্চ। তৎকালীন রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের অনুসৃত নীতি ও কর্মপন্থার প্রতি আস্থা এবং স্থগিত সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন অনুষ্ঠান পর্যন্ত তার রাষ্ট্রপতি পদে অধিষ্ঠিত থাকার বিষয়ে জনগণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় সেই ভোটে। মূলত সামরিক শাসকের বৈধতা দেওয়ার জন্য সেই গণভোট হয়েছিল। সেবার ৯৪ শতাংশ ‘হ্যাঁ’ ভোট এবং ৬ শতাংশের মতো ‘না’ ভোট পড়েছিল।

সবশেষ গণভোট হয় ১৯৯১ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর। সংবিধানের ১৪২ (১ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী হয় সেই গণভোট। সেবার জনগণের সামনে প্রশ্ন ছিল, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান (দ্বাদশ সংশোধন) বিল, ১৯৯১-এ রাষ্টপতির সম্মতি দেওয়া উচিত কি না? ভবিষ্যতে দেশে কোন ধরনের সরকার পদ্ধতি চলবে, জনগণের কাছে তা জানতে চাওয়া হয়েছিল এ প্রশ্নের মাধ্যমে। সেবার ৮৪ শতাংশ ‘হ্যাঁ’ ভোট এবং ১৬ শতাংশ ‘না’ ভোট পড়েছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

দেশে ১৯৭৭, ১৯৮৫ ও ১৯৯১ সালের গণভোটগুলোয় যা হয়েছিল

আপডেট সময় ০৪:৩১:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে জনগণের সরাসরি ভোটের মাধ্যমে মতামত নেওয়ার পদ্ধতিই হল গণভোট। এর মাধ্যমে জনগণের কাছে সেই সিদ্ধান্ত চূড়ান্তভাবে গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যানের জন্য উপস্থাপন করা হয়। বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জনের পর থেকে এ পর্যন্ত তিনবার গণভোট হয়েছে; ১৯৭৭, ১৯৮৫ ও ১৯৯১ সালে।

এবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে একই দিনে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোটে অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছেন দেশের প্রায় পৌনে ১৩ কোটি ভোটার।

আরও পড়ুন  প্রার্থীদের ৪১ শতাংশই স্বল্প আয়ের, কোটিপতিদের অর্ধেকের বেশি বিএনপির: সুজন

স্বাধীনতার পর এ নিয়ে চতুর্থবারের মতো গণভোট হতে যাচ্ছে দেশে, যেখানে আগের তিনবারই ৮৪ থেকে ৯৮ শতাংশ ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছিল।

১৯৭৭ সালের ৩০ মে প্রথম গণভোট হয় রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং তার অনুসৃত নীতি ও কর্মপন্থার প্রতি জনগণের মতামত যাচাইয়ের জন্য। সেবার ৯৮ দশমিক ৮ শতাংশ ‘হ্যাঁ’ ভোট এবং ১ দশমিক ১২ শতাংশ ‘না’ ভোট পড়েছিল।

দেশে দ্বিতীয়বার গণভোট হয় ১৯৮৫ সালের ২১ মার্চ। তৎকালীন রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের অনুসৃত নীতি ও কর্মপন্থার প্রতি আস্থা এবং স্থগিত সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন অনুষ্ঠান পর্যন্ত তার রাষ্ট্রপতি পদে অধিষ্ঠিত থাকার বিষয়ে জনগণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় সেই ভোটে। মূলত সামরিক শাসকের বৈধতা দেওয়ার জন্য সেই গণভোট হয়েছিল। সেবার ৯৪ শতাংশ ‘হ্যাঁ’ ভোট এবং ৬ শতাংশের মতো ‘না’ ভোট পড়েছিল।

সবশেষ গণভোট হয় ১৯৯১ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর। সংবিধানের ১৪২ (১ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী হয় সেই গণভোট। সেবার জনগণের সামনে প্রশ্ন ছিল, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান (দ্বাদশ সংশোধন) বিল, ১৯৯১-এ রাষ্টপতির সম্মতি দেওয়া উচিত কি না? ভবিষ্যতে দেশে কোন ধরনের সরকার পদ্ধতি চলবে, জনগণের কাছে তা জানতে চাওয়া হয়েছিল এ প্রশ্নের মাধ্যমে। সেবার ৮৪ শতাংশ ‘হ্যাঁ’ ভোট এবং ১৬ শতাংশ ‘না’ ভোট পড়েছিল।