ঢাকা ০৬:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ১১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ময়মনসিংহে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ভাইয়ের হাতে ভাই খুন মোদিকে ‘সবচেয়ে বড় অনুপ্রবেশকারী’ বলে মমতার তীব্র কটাক্ষ আজ রাতে, কখন ১ মিনিট অন্ধকারে থাকবে সারাদেশ জিয়ার ঘোষণা জাতিকে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে উজ্জীবিত করে: রাষ্ট্রপতি মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা: যুদ্ধবিরতির আগে ইরানের ৫ শর্ত ঘোষণা চিকিৎসক হিসেবে প্রতিটি শিশুর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে আমি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ফোনের ব্যাটারি চার্জ দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে? বন্ধ করুন এই ৫ ফিচার জ্বালানির বিশ্ববাজারে অস্থিরতা: দুই জাহাজ ডিজেলে ৩৩০ কোটি টাকা বাড়তি ব্যয় ২৫ মার্চের গণহত্যা: ইতিহাস জানাতে জোর দিলেন প্রধানমন্ত্রী মোবাইলে কথা বলতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারাল চালক, খাদে অটোরিকশা—প্রাণ গেল যাত্রীর, আহত ৫

দেশে স্থিতিশীলতা আশায় আমরা দ্রুতই নির্বাচনমুখী হচ্ছি: প্রেস সচিব

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৪৫:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই ২০২৫
  • / 204

ছবি সংগৃহীত

 

বাংলাদেশ খুব দ্রুতই নির্বাচনের দিকে এগোচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। নিউজ টোয়েন্টিফোরকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “বাংলাদেশের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়িয়েছে, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা আসছে এবং আমরা দ্রুতই নির্বাচনমুখী হচ্ছি।”

তিনি জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সংস্কার, বিচার ও নির্বাচন ইতোমধ্যেই ভালো গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। শফিকুল আলম বলেন, “অনেকে ভাবেন দুই-তিনটি বৈঠক করলেই রিফর্ম শেষ, কিন্তু বাস্তবে তা নয়। অন্য দেশের উদাহরণ দেখলেও বোঝা যায়, পলিটিক্যাল রিফর্ম সময়সাপেক্ষ। নেপালে একটি সংবিধান পাস করতে লেগেছে সাড়ে আট বছর। কারণ এসব বিষয় নিয়ে বিস্তারিত বিতর্ক প্রয়োজন হয়। আমাদের কিছু রিফর্ম ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে, কিছু চলমান এবং কিছু সামনে সম্পন্ন হবে।”

আরও পড়ুন  সংস্কার ছাড়া নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না: গোলাম পরওয়ার

তিনি আরও বলেন, “আমাদের লক্ষ্য হলো, আগামী বছরের শুরুতে যে নির্বাচন হবে, তাতে একটি গণতান্ত্রিক সরকার যেন দায়িত্ব গ্রহণ করতে পারে। সেই সরকার যেন একটি উন্নততর বাংলাদেশ পায় এটাই আমাদের মূল চেষ্টা।”

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে শফিকুল আলম বলেন, “যদি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত হতো, তা হলে সকলের জন্য ভালো হতো। এখন কোনো অপরাধ ঘটলে দ্রুতই অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে এবং বিচারিক প্রক্রিয়ার আওতায় আনা হচ্ছে। তবে এই ধরনের অপরাধ প্রতিরোধ করাটাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।”

তিনি জানান, “আমরা একটি গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী দেশে আছি। সব রাজনৈতিক দলের সম্মিলিত সমর্থনে আমরা দায়িত্ব পালন করছি। সেই সমর্থন যত দৃঢ় হয়, আমাদের কাজ করাও তত সহজ হয়।”

পুলিশ প্রশাসনের আত্মবিশ্বাস প্রসঙ্গে শফিকুল আলম বলেন, “পুলিশের আত্মবিশ্বাস একসময় প্রায় শূন্যে নেমে এসেছিল। আমরা তা পুনরুদ্ধারে কাজ করছি। ঢাকায় আগে ৩৫ হাজার পুলিশ সদস্য ছিল, যার মধ্যে ৩২ হাজারকে দেশের অন্যান্য জেলায় পাঠানো হয়েছে। তাদের জায়গায় বাহির থেকে সদস্য আনা হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, “শেখ হাসিনার সময়েই ১ লাখ ২০ হাজার নতুন পুলিশ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যাদের অনেকেই ছাত্রলীগের পটভূমি থেকে এসেছেন। ইচ্ছা করলেই সব কিছু করা যায় না, তবে আমাদের সদিচ্ছা রয়েছে এবং আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি আইনশৃঙ্খলা রক্ষায়।”

 

নিউজটি শেয়ার করুন

দেশে স্থিতিশীলতা আশায় আমরা দ্রুতই নির্বাচনমুখী হচ্ছি: প্রেস সচিব

আপডেট সময় ০৩:৪৫:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই ২০২৫

 

বাংলাদেশ খুব দ্রুতই নির্বাচনের দিকে এগোচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। নিউজ টোয়েন্টিফোরকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “বাংলাদেশের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়িয়েছে, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা আসছে এবং আমরা দ্রুতই নির্বাচনমুখী হচ্ছি।”

তিনি জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সংস্কার, বিচার ও নির্বাচন ইতোমধ্যেই ভালো গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। শফিকুল আলম বলেন, “অনেকে ভাবেন দুই-তিনটি বৈঠক করলেই রিফর্ম শেষ, কিন্তু বাস্তবে তা নয়। অন্য দেশের উদাহরণ দেখলেও বোঝা যায়, পলিটিক্যাল রিফর্ম সময়সাপেক্ষ। নেপালে একটি সংবিধান পাস করতে লেগেছে সাড়ে আট বছর। কারণ এসব বিষয় নিয়ে বিস্তারিত বিতর্ক প্রয়োজন হয়। আমাদের কিছু রিফর্ম ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে, কিছু চলমান এবং কিছু সামনে সম্পন্ন হবে।”

আরও পড়ুন  বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু করলো স্টারলিংক, উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবার পথে নতুন অগ্রযাত্রা

তিনি আরও বলেন, “আমাদের লক্ষ্য হলো, আগামী বছরের শুরুতে যে নির্বাচন হবে, তাতে একটি গণতান্ত্রিক সরকার যেন দায়িত্ব গ্রহণ করতে পারে। সেই সরকার যেন একটি উন্নততর বাংলাদেশ পায় এটাই আমাদের মূল চেষ্টা।”

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে শফিকুল আলম বলেন, “যদি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত হতো, তা হলে সকলের জন্য ভালো হতো। এখন কোনো অপরাধ ঘটলে দ্রুতই অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে এবং বিচারিক প্রক্রিয়ার আওতায় আনা হচ্ছে। তবে এই ধরনের অপরাধ প্রতিরোধ করাটাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।”

তিনি জানান, “আমরা একটি গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী দেশে আছি। সব রাজনৈতিক দলের সম্মিলিত সমর্থনে আমরা দায়িত্ব পালন করছি। সেই সমর্থন যত দৃঢ় হয়, আমাদের কাজ করাও তত সহজ হয়।”

পুলিশ প্রশাসনের আত্মবিশ্বাস প্রসঙ্গে শফিকুল আলম বলেন, “পুলিশের আত্মবিশ্বাস একসময় প্রায় শূন্যে নেমে এসেছিল। আমরা তা পুনরুদ্ধারে কাজ করছি। ঢাকায় আগে ৩৫ হাজার পুলিশ সদস্য ছিল, যার মধ্যে ৩২ হাজারকে দেশের অন্যান্য জেলায় পাঠানো হয়েছে। তাদের জায়গায় বাহির থেকে সদস্য আনা হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, “শেখ হাসিনার সময়েই ১ লাখ ২০ হাজার নতুন পুলিশ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যাদের অনেকেই ছাত্রলীগের পটভূমি থেকে এসেছেন। ইচ্ছা করলেই সব কিছু করা যায় না, তবে আমাদের সদিচ্ছা রয়েছে এবং আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি আইনশৃঙ্খলা রক্ষায়।”