ঢাকা ০৭:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
বিচ্ছেদের পর নতুন রূপে শেহতাজ রোহিঙ্গাদের ফেরাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইলেন ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব আতাউর রহমান যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আস্থা কমছে নেতানিয়াহুর, খুঁজছেন নতুন মিত্র সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুজনের মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষা সংস্কারে পাঁচ বিষয়ে অগ্রাধিকার ববি হাজ্জাজের নিজ সন্তানের জন্য হলেও ঢাকা পরিচ্ছন্ন রাখুন: প্রধানমন্ত্রী সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, তথ্যের ঘাটতি ছিল মিডিয়ায় আমাকে টার্গেট করা হয়েছে, বললেন ইশরাক মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের ঘোষণা ইশরাকের, প্রধানমন্ত্রীর কাছে জমা দিলেন পদত্যাগপত্র

বর্তমান সরকারের দুই ছাত্র উপদেষ্টার সঙ্গে এনসিপির সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে: নূরুল কবীর

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:০১:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ জুন ২০২৫
  • / 744

ছবি: সংগৃহীত

 

নিউ এজ সম্পাদক ও সম্পাদক পরিষদের সহসভাপতি নূরুল কবীর বলেছেন, বর্তমান সরকারের মন্ত্রীসভায় যে দুজন রয়েছেন, তারা অতীতে এনসিপি ঘনিষ্ঠ নেতৃত্বের সঙ্গে আন্দোলন করেছেন, একসঙ্গে কারাবরণ করেছেন, এমনকি মৃত্যুর মুখোমুখিও হয়েছেন। ফলে স্বাভাবিকভাবেই এনসিপির প্রতি তাদের কিছুটা সহানুভূতি থাকবে, যা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। তিনি বলেন, “যারা একসঙ্গে আন্দোলন করেছেন, তাঁদের মধ্যে এক ধরনের বন্ধুত্ব তৈরি হয়, সেটার একটা রাজনৈতিক মূল্য আছে।”

তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ৮০-এর দশকে এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সময়ও বিভিন্ন মতাদর্শের রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে এই ধরনের বন্ধুত্ব এবং পারস্পরিক সহানুভূতি গড়ে উঠেছিল। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও আন্দোলনের স্মৃতি তাঁদের মধ্যে আলাদা অনুভূতির সৃষ্টি করেছিল। মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যেও একই রকম সম্পর্ক লক্ষ্য করা যায় ১৯৭১ সালের স্মৃতিচারণের সময় তাদের মধ্যে যে অনুভূতি জাগে, তা অন্য কোনো সম্পর্কের সঙ্গে তুলনীয় নয়।

আরও পড়ুন  সরকার কখনও মব জাস্টিসকে বরদাশত করে না: পরিবেশ উপদেষ্টা

নূরুল কবীর মনে করেন, মন্ত্রিসভায় থাকা এই দুই নেতা এনসিপির প্রতি দুর্বল থাকবেন, এমনটিই স্বাভাবিক। নির্বাচনকালীন সময়েও তাদের অবস্থান একই থাকবে বলেই মনে করেন তিনি। তবে বিএনপির দিক থেকে যদি নিরপেক্ষ রাজনীতির দাবি আসে, বা সুষ্ঠু নির্বাচনের কথা বলা হয়, সেক্ষেত্রে এই দুই মন্ত্রীকে নিয়ে আলোচনায় বসা এবং কেবিনেটে পরিবর্তন আনার বিষয়টি প্রাসঙ্গিক হতে পারে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।

তিনি আরও বলেন, বিএনপি দেশের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল হিসেবে সরকারের দায়িত্বশীল অংশের কাছে নির্বাচন সংস্কারের বাইরেও যে বেশ কিছু জাতীয় সমস্যা আছে, সেগুলো নিয়েও আলোচনা করা উচিত। তিনি মনে করেন, দেশের শত শত তরুণ, শিশু, বৃদ্ধ যে স্বৈরশাসকের বিরুদ্ধে লড়াই করে জীবন দিয়েছেন, তারা শুধুমাত্র একটি নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপির ক্ষমতায় যাওয়ার রাস্তা সহজ করার জন্য আত্মত্যাগ করেননি। বাংলাদেশের জন্য প্রয়োজন গণতান্ত্রিক সংস্কার, এবং সেই সংস্কারের ক্ষেত্রে বিএনপির দৃষ্টিভঙ্গি ও পরিকল্পনা নিয়ে অধ্যাপক ইউনূসের পক্ষ থেকে প্রশ্ন তোলা প্রয়োজন। নূরুল কবীর আশা প্রকাশ করেন, অধ্যাপক ইউনূস এ বিষয়গুলো আলোচনায় তুলবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

বর্তমান সরকারের দুই ছাত্র উপদেষ্টার সঙ্গে এনসিপির সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে: নূরুল কবীর

আপডেট সময় ১১:০১:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ জুন ২০২৫

 

নিউ এজ সম্পাদক ও সম্পাদক পরিষদের সহসভাপতি নূরুল কবীর বলেছেন, বর্তমান সরকারের মন্ত্রীসভায় যে দুজন রয়েছেন, তারা অতীতে এনসিপি ঘনিষ্ঠ নেতৃত্বের সঙ্গে আন্দোলন করেছেন, একসঙ্গে কারাবরণ করেছেন, এমনকি মৃত্যুর মুখোমুখিও হয়েছেন। ফলে স্বাভাবিকভাবেই এনসিপির প্রতি তাদের কিছুটা সহানুভূতি থাকবে, যা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। তিনি বলেন, “যারা একসঙ্গে আন্দোলন করেছেন, তাঁদের মধ্যে এক ধরনের বন্ধুত্ব তৈরি হয়, সেটার একটা রাজনৈতিক মূল্য আছে।”

তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ৮০-এর দশকে এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সময়ও বিভিন্ন মতাদর্শের রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে এই ধরনের বন্ধুত্ব এবং পারস্পরিক সহানুভূতি গড়ে উঠেছিল। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও আন্দোলনের স্মৃতি তাঁদের মধ্যে আলাদা অনুভূতির সৃষ্টি করেছিল। মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যেও একই রকম সম্পর্ক লক্ষ্য করা যায় ১৯৭১ সালের স্মৃতিচারণের সময় তাদের মধ্যে যে অনুভূতি জাগে, তা অন্য কোনো সম্পর্কের সঙ্গে তুলনীয় নয়।

আরও পড়ুন  ভারত নদীর পাড়ে,জঙ্গলে মানুষ ফেলে যাচ্ছে : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

নূরুল কবীর মনে করেন, মন্ত্রিসভায় থাকা এই দুই নেতা এনসিপির প্রতি দুর্বল থাকবেন, এমনটিই স্বাভাবিক। নির্বাচনকালীন সময়েও তাদের অবস্থান একই থাকবে বলেই মনে করেন তিনি। তবে বিএনপির দিক থেকে যদি নিরপেক্ষ রাজনীতির দাবি আসে, বা সুষ্ঠু নির্বাচনের কথা বলা হয়, সেক্ষেত্রে এই দুই মন্ত্রীকে নিয়ে আলোচনায় বসা এবং কেবিনেটে পরিবর্তন আনার বিষয়টি প্রাসঙ্গিক হতে পারে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।

তিনি আরও বলেন, বিএনপি দেশের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল হিসেবে সরকারের দায়িত্বশীল অংশের কাছে নির্বাচন সংস্কারের বাইরেও যে বেশ কিছু জাতীয় সমস্যা আছে, সেগুলো নিয়েও আলোচনা করা উচিত। তিনি মনে করেন, দেশের শত শত তরুণ, শিশু, বৃদ্ধ যে স্বৈরশাসকের বিরুদ্ধে লড়াই করে জীবন দিয়েছেন, তারা শুধুমাত্র একটি নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপির ক্ষমতায় যাওয়ার রাস্তা সহজ করার জন্য আত্মত্যাগ করেননি। বাংলাদেশের জন্য প্রয়োজন গণতান্ত্রিক সংস্কার, এবং সেই সংস্কারের ক্ষেত্রে বিএনপির দৃষ্টিভঙ্গি ও পরিকল্পনা নিয়ে অধ্যাপক ইউনূসের পক্ষ থেকে প্রশ্ন তোলা প্রয়োজন। নূরুল কবীর আশা প্রকাশ করেন, অধ্যাপক ইউনূস এ বিষয়গুলো আলোচনায় তুলবেন।