০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
যুব বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে আফগানিস্তানের বিদায়, ফয়সালের ঐতিহাসিক সেঞ্চুরি কীর্তি নিউক্যাসলকে বিদায় করে লিগ কাপ ফাইনালে ম্যানচেস্টার সিটি কুমিল্লায় হাঁস চুরির সন্দেহে যুবককে পিটিয়ে হত্যা ‘আহার গ্রহণও করা যাবে না’: নির্বাচনে কর্মকর্তাদের কঠোর নিরপেক্ষতার নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কুষ্টিয়ায় জামায়াত-বিএনপির দফায় দফায় সংঘর্ষ বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ফরিদপুরকে বিভাগ করা হবে: তারেক রহমান বিশ্বের প্রথম ‘৮০০ বিলিয়ন’ ডলারের মালিক ইলন মাস্ক সোমবার বিটিভিতে ভাষণ দেবেন জামায়াত আমির ১০৫১ জন ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ: নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে সরকারের বড় পদক্ষেপ ড্রাফটের আগে রিশাদকে ছেড়ে দিল লাহোর

সুনির্দিষ্ট নয়, খালেদা জিয়ার সঙ্গে কেবল সাধারণ আলোচনা হয়েছে: জামায়াতের আমির

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৫৬:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৫
  • / 115

ছবি সংগৃহীত

 

লন্ডনে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে কেবল সাধারণ ও সৌজন্য আলোচনা হয়েছে বলে দাবি করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ড. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক এজেন্ডা নিয়ে নয়, বরং নানা বিষয়ে স্বাভাবিক আলাপ হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি হোটেলে ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন। ইউরোপ ও যুক্তরাজ্যে ১১ দিনের সফর শেষে দেশে ফিরে এই আয়োজনে অংশ নেন তিনি। অনুষ্ঠানে আরও জানানো হয়, সফরকালে লন্ডনে বিএনপি চেয়ারপারসনের সঙ্গে তিনি ও দলের নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের সাক্ষাৎ করেন।

ড. শফিকুর রহমান বলেন, “বেগম খালেদা জিয়া ব্যক্তিগতভাবে যেমন নিপীড়নের শিকার, তেমনি বিএনপিও রাষ্ট্রীয় দমন-পীড়নের শিকার। আমরা আগেই চিন্তা করেছিলাম, তাঁর সঙ্গে দেখা করব। যেকোনো কারণে সেটা বাংলাদেশে থাকতে সম্ভব হয়নি। পরে ইউরোপ সফরের সময় যুক্তরাজ্যে গিয়েই দেখা করি।”

তিনি জানান, মূল উদ্দেশ্য ছিল খালেদা জিয়ার খোঁজখবর নেওয়া। যেহেতু তিনি তাঁর ছেলের বাসায় ছিলেন, স্বাভাবিকভাবেই তারেক রহমানও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। এই সাক্ষাতে রাজনৈতিক আলাপ-আলোচনার প্রসঙ্গ এড়ানো সম্ভব নয় জানিয়ে তিনি বলেন, “নির্বাচন, বিচারপ্রক্রিয়া বা ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সাধারণ আলোচনা হয়েছে, তবে কোনো নির্দিষ্ট পরিকল্পনা হয়নি।”

জামায়াত আমির মতভেদ এবং মতবিরোধের পার্থক্য স্পষ্ট করেন। বলেন, “রাজনীতিতে ভিন্নমত থাকবে, তবে সেটি যেন বিভেদের জায়গায় না যায়। সম্মান ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ থাকা জরুরি।”

ইউরোপীয় ইউনিয়নের আমন্ত্রণে ব্রাসেলস সফরের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সেখানে অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের ভূমিকা ও দেশের বাস্তবতা সম্পর্কে আমরা জানিয়েছি। শহীদ পরিবার ও আন্দোলনের পরিণতি এখনও জাতিকে ব্যথিত করে রেখেছে। পুরো জাতি এক ধরনের ট্রমার মধ্যে আছে।”

আওয়ামী লীগের অধীনে হওয়া নির্বাচনের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “তিনটি নির্বাচন তারা করেছে, কিন্তু সেগুলো বিশ্বাসযোগ্যতা পায়নি। এমনকি তাদের নিজের সমর্থকরাও ভোট দিতে যায়নি। বাস্তবতা হলো, এই মুহূর্তে দেশের মানুষ আওয়ামী লীগের প্রতি আস্থা রাখতে পারছে না।”

তিনি বলেন, “বাস্তবতাকে মেনে নিতে হবে, আর সেটাই আমরা বিদেশিদের জানিয়েছি।”

নিউজটি শেয়ার করুন

সুনির্দিষ্ট নয়, খালেদা জিয়ার সঙ্গে কেবল সাধারণ আলোচনা হয়েছে: জামায়াতের আমির

আপডেট সময় ০৭:৫৬:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৫

 

লন্ডনে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে কেবল সাধারণ ও সৌজন্য আলোচনা হয়েছে বলে দাবি করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ড. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক এজেন্ডা নিয়ে নয়, বরং নানা বিষয়ে স্বাভাবিক আলাপ হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি হোটেলে ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন। ইউরোপ ও যুক্তরাজ্যে ১১ দিনের সফর শেষে দেশে ফিরে এই আয়োজনে অংশ নেন তিনি। অনুষ্ঠানে আরও জানানো হয়, সফরকালে লন্ডনে বিএনপি চেয়ারপারসনের সঙ্গে তিনি ও দলের নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের সাক্ষাৎ করেন।

ড. শফিকুর রহমান বলেন, “বেগম খালেদা জিয়া ব্যক্তিগতভাবে যেমন নিপীড়নের শিকার, তেমনি বিএনপিও রাষ্ট্রীয় দমন-পীড়নের শিকার। আমরা আগেই চিন্তা করেছিলাম, তাঁর সঙ্গে দেখা করব। যেকোনো কারণে সেটা বাংলাদেশে থাকতে সম্ভব হয়নি। পরে ইউরোপ সফরের সময় যুক্তরাজ্যে গিয়েই দেখা করি।”

তিনি জানান, মূল উদ্দেশ্য ছিল খালেদা জিয়ার খোঁজখবর নেওয়া। যেহেতু তিনি তাঁর ছেলের বাসায় ছিলেন, স্বাভাবিকভাবেই তারেক রহমানও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। এই সাক্ষাতে রাজনৈতিক আলাপ-আলোচনার প্রসঙ্গ এড়ানো সম্ভব নয় জানিয়ে তিনি বলেন, “নির্বাচন, বিচারপ্রক্রিয়া বা ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সাধারণ আলোচনা হয়েছে, তবে কোনো নির্দিষ্ট পরিকল্পনা হয়নি।”

জামায়াত আমির মতভেদ এবং মতবিরোধের পার্থক্য স্পষ্ট করেন। বলেন, “রাজনীতিতে ভিন্নমত থাকবে, তবে সেটি যেন বিভেদের জায়গায় না যায়। সম্মান ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ থাকা জরুরি।”

ইউরোপীয় ইউনিয়নের আমন্ত্রণে ব্রাসেলস সফরের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সেখানে অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের ভূমিকা ও দেশের বাস্তবতা সম্পর্কে আমরা জানিয়েছি। শহীদ পরিবার ও আন্দোলনের পরিণতি এখনও জাতিকে ব্যথিত করে রেখেছে। পুরো জাতি এক ধরনের ট্রমার মধ্যে আছে।”

আওয়ামী লীগের অধীনে হওয়া নির্বাচনের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “তিনটি নির্বাচন তারা করেছে, কিন্তু সেগুলো বিশ্বাসযোগ্যতা পায়নি। এমনকি তাদের নিজের সমর্থকরাও ভোট দিতে যায়নি। বাস্তবতা হলো, এই মুহূর্তে দেশের মানুষ আওয়ামী লীগের প্রতি আস্থা রাখতে পারছে না।”

তিনি বলেন, “বাস্তবতাকে মেনে নিতে হবে, আর সেটাই আমরা বিদেশিদের জানিয়েছি।”