ঢাকা ১০:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৫, ২৩ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বাংলাদেশে সেবা প্রদানের অনুমোদন পেল স্টারলিংক – চালু হচ্ছে আকাশপথে ইন্টারনেট সেবার নতুন দিগন্ত  বিদেশি সংবাদমাধ্যমে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় এমন কিছু যেন না প্রচারিত হয় : তথ্য উপদেষ্টা দক্ষিণ কোরিয়ায় আগুন নেভাতে গিয়ে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত পাইলট মারাত্মক ঝড়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রাণহানি ১৬, ব্যাপক ধ্বংস ও বন্যার আশঙ্কা ঈদের আগেই রেমিট্যান্সের রেকর্ড, প্রবাসীরা পাঠালেন ৩২৯ কোটি ডলার – রেমিটেন্সে নতুন মাইলফলক এপ্রিলেও এলপি গ্যাসের দাম অপরিবর্তিত, সামান্য কমলো অটোগ্যাসের মূল্য গাজার জন্য হরতাল কর্মসূচিতে বাংলাদেশের ছাত্র-জনতার ঐক্যবদ্ধ অংশগ্রহণের আহ্বান সারজিস আলমের   গারো অঞ্চলের বনে আগুনের পরিকল্পিত ছোবল, সংকটে পরিবেশ ও প্রাণবৈচিত্র্য যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য আগ্রাসন নিয়ে আরবদের প্রতি ইরানের হুঁশিয়ারি বার্তা  ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা: বাস খাদে পড়ে আহত অন্তত ২৫ 

বড় পরিবর্তনের পথে আছি, এজন্য চীনের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ — ড. ইউনূস

খবরের কথা ডেস্ক

ছবি: সংগৃহীত

 

বিশ্বজুড়ে একটি বড় পরিবর্তনের ডাক দিয়েছেন নোবেল বিজয়ী ও প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মাদ ইউনূস। তিনি বলেন, “এটি কেবল মেরামতের সময় নয়, বরং সম্পূর্ণ নতুন এক পৃথিবী গড়ার প্রয়োজন রয়েছে।” সম্প্রতি চীন সফরকালে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সিএমজি বাংলাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই মন্তব্য করেন।

গত ২৬ থেকে ২৯ মার্চ চীন সফরে ছিলেন অধ্যাপক ইউনূস। সফরকালে তিনি চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের গভীরতা তুলে ধরে বলেন, “বর্তমান সময়ে বাংলাদেশ বড় ধরনের সংস্কারের পথে রয়েছে। এই পরিবর্তন সফল করতে চীনের সহায়তা ও সমর্থন অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।”

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সভ্যতা আত্মঘাতী পথে এগোচ্ছে। এ থেকে বেরিয়ে এসে ‘তিন শূন্যের বিশ্ব’ শূন্য কার্বন নিঃসরণ, শূন্য বেকারত্ব ও শূন্য দারিদ্র্য নির্মাণই হতে পারে মানবজাতির পরিত্রাণের পথ।

অধ্যাপক ইউনূস বিশ্বাস করেন, নতুন পৃথিবী গড়ার দায়িত্ব বর্তাবে তরুণ প্রজন্মের ওপর। তাদের সম্ভাবনা উন্মোচনে দরকার উপযুক্ত পরিবেশ ও সুযোগ। “তরুণদের জন্য দরজা খুলে দিতে হবে, বাধা নয় বরং প্রেরণা দিতে হবে তাদের,” বলেন তিনি।

চীন সফরে অধ্যাপক ইউনূস বিশ্বব্যাপী উদ্ভাবনী সহযোগিতার আহ্বান জানান এবং বলেন, “এই নতুন পৃথিবী গঠনে একটি দেশের একার পক্ষে সম্ভব নয়। সম্মিলিতভাবে এগোতে হবে। চীন ইতোমধ্যেই অনেক ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিচ্ছে এই অভিজ্ঞতা থেকে আমরা শিখতে পারি, এগিয়ে যেতে পারি।”

প্রসঙ্গত, অধ্যাপক ইউনূস তাঁর সামাজিক ব্যবসার দর্শন এবং নতুন অর্থনৈতিক চিন্তাধারা নিয়ে ইতোমধ্যেই আন্তর্জাতিক মহলে বেশ পরিচিত। তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশে যে সংস্কার চলছে, তা বিশ্বদৃষ্টিতে নতুন সম্ভাবনার দিগন্ত উন্মোচন করছে।

নতুন পৃথিবীর স্বপ্ন দেখতে হলে, এখনই সময় সাহসী পদক্ষেপের এমন বার্তাই দিলেন অধ্যাপক মুহাম্মাদ ইউনূস।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০২:৩৭:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫
৫০৫ বার পড়া হয়েছে

বড় পরিবর্তনের পথে আছি, এজন্য চীনের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ — ড. ইউনূস

আপডেট সময় ০২:৩৭:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫

 

বিশ্বজুড়ে একটি বড় পরিবর্তনের ডাক দিয়েছেন নোবেল বিজয়ী ও প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মাদ ইউনূস। তিনি বলেন, “এটি কেবল মেরামতের সময় নয়, বরং সম্পূর্ণ নতুন এক পৃথিবী গড়ার প্রয়োজন রয়েছে।” সম্প্রতি চীন সফরকালে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সিএমজি বাংলাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই মন্তব্য করেন।

গত ২৬ থেকে ২৯ মার্চ চীন সফরে ছিলেন অধ্যাপক ইউনূস। সফরকালে তিনি চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের গভীরতা তুলে ধরে বলেন, “বর্তমান সময়ে বাংলাদেশ বড় ধরনের সংস্কারের পথে রয়েছে। এই পরিবর্তন সফল করতে চীনের সহায়তা ও সমর্থন অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।”

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সভ্যতা আত্মঘাতী পথে এগোচ্ছে। এ থেকে বেরিয়ে এসে ‘তিন শূন্যের বিশ্ব’ শূন্য কার্বন নিঃসরণ, শূন্য বেকারত্ব ও শূন্য দারিদ্র্য নির্মাণই হতে পারে মানবজাতির পরিত্রাণের পথ।

অধ্যাপক ইউনূস বিশ্বাস করেন, নতুন পৃথিবী গড়ার দায়িত্ব বর্তাবে তরুণ প্রজন্মের ওপর। তাদের সম্ভাবনা উন্মোচনে দরকার উপযুক্ত পরিবেশ ও সুযোগ। “তরুণদের জন্য দরজা খুলে দিতে হবে, বাধা নয় বরং প্রেরণা দিতে হবে তাদের,” বলেন তিনি।

চীন সফরে অধ্যাপক ইউনূস বিশ্বব্যাপী উদ্ভাবনী সহযোগিতার আহ্বান জানান এবং বলেন, “এই নতুন পৃথিবী গঠনে একটি দেশের একার পক্ষে সম্ভব নয়। সম্মিলিতভাবে এগোতে হবে। চীন ইতোমধ্যেই অনেক ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিচ্ছে এই অভিজ্ঞতা থেকে আমরা শিখতে পারি, এগিয়ে যেতে পারি।”

প্রসঙ্গত, অধ্যাপক ইউনূস তাঁর সামাজিক ব্যবসার দর্শন এবং নতুন অর্থনৈতিক চিন্তাধারা নিয়ে ইতোমধ্যেই আন্তর্জাতিক মহলে বেশ পরিচিত। তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশে যে সংস্কার চলছে, তা বিশ্বদৃষ্টিতে নতুন সম্ভাবনার দিগন্ত উন্মোচন করছে।

নতুন পৃথিবীর স্বপ্ন দেখতে হলে, এখনই সময় সাহসী পদক্ষেপের এমন বার্তাই দিলেন অধ্যাপক মুহাম্মাদ ইউনূস।