ঢাকা ০৭:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
জুলাই জাতীয় সনদের বাস্তবায়ন: বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার পাচ্ছে জামায়াত ওমানের মধ্যস্থতার আলোচনার খবর ‘ভিত্তিহীন’: বলছে তেহরান ইরানে হামলা আন্তর্জাতিক আইন ও রীতিনীতি পরিপন্থী: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ব্রাজিল: দক্ষিণ আমেরিকার বৃহত্তম দেশ ও বৈচিত্র্যের শক্তি সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ না দিতে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি ওজন কমানোর ‘গোপন অস্ত্র’ পর্যাপ্ত ঘুম? দুই গোলে পিছিয়ে থেকেও ইন্টার মিয়ামির অতিমানবিক জয় বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ক্রীড়া সংগঠনগুলোর উন্নয়নে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ থেকে বিদায়: দায় নিজের কাঁধেই নিলেন শেই হোপ রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের সংশোধনী, দ্রুত বিচার ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিতকরণের উদ্যোগ: আইন উপদেষ্টা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৫৯:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ মার্চ ২০২৫
  • / 132

ছবি: সংগৃহীত

 

সরকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের সংশোধনী নিয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এই সংশোধনের মাধ্যমে নির্যাতনের শিকার ভিকটিমদের ক্ষতিপূরণ নিশ্চিতকরণ, দ্রুত বিচার ও তদন্তের সময়সীমা কমানোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১৭ মার্চ) রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিশেষ সভায় সংশোধনী সংক্রান্ত নীতিগত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

আরও পড়ুন  নারী সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবনায় কুরআন-সুন্নাহবিরোধী উপাদান রয়েছে: দাবি ইসলামী ফ্রন্টের

আইন উপদেষ্টা জানান, শিশু ধর্ষণ মামলাগুলোর জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের বিধান রাখা হয়েছে, যাতে এসব মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি নিশ্চিত করা যায়। পাশাপাশি, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে সংঘটিত ধর্ষণকে আলাদা অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে।

ধর্ষণের বিচার ও তদন্তের দীর্ঘসূত্রিতা কমিয়ে আনার লক্ষ্যে বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ডিএনএ পরীক্ষার অপেক্ষায় বছরের পর বছর মামলা ঝুলে থাকার প্রবণতা কমাতে আদালতকে বিশেষ ক্ষমতা দেওয়া হচ্ছে। যদি আদালত মনে করেন, মেডিকেল রিপোর্ট ও পারিপার্শ্বিক প্রমাণের ভিত্তিতে বিচার সম্ভব, তাহলে ডিএনএ রিপোর্ট ছাড়াই রায় দেওয়া যাবে।

ড. আসিফ নজরুল আরও জানান, ধর্ষণের উদ্দেশ্যে গুরুতর শারীরিক আঘাতের ক্ষেত্রে কঠোর শাস্তির বিধান যুক্ত করা হয়েছে। এ ধরনের অপরাধের শাস্তি আরও কঠোর করার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মহল একমত হয়েছে।

এই সংশোধনীর ফলে নারী ও শিশু নির্যাতনের বিচার প্রক্রিয়া আরও গতিশীল ও কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে। আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত হলে নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিরা ন্যায়বিচার পাবেন এবং অপরাধীরা শাস্তি এড়ানোর সুযোগ পাবে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের সংশোধনী, দ্রুত বিচার ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিতকরণের উদ্যোগ: আইন উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০৪:৫৯:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ মার্চ ২০২৫

 

সরকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের সংশোধনী নিয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এই সংশোধনের মাধ্যমে নির্যাতনের শিকার ভিকটিমদের ক্ষতিপূরণ নিশ্চিতকরণ, দ্রুত বিচার ও তদন্তের সময়সীমা কমানোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১৭ মার্চ) রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিশেষ সভায় সংশোধনী সংক্রান্ত নীতিগত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

আরও পড়ুন  জামিন প্রদানের ক্ষেত্রে বিচার-বিবেচনা অত্যন্ত জরুরি: আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল"

আইন উপদেষ্টা জানান, শিশু ধর্ষণ মামলাগুলোর জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের বিধান রাখা হয়েছে, যাতে এসব মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি নিশ্চিত করা যায়। পাশাপাশি, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে সংঘটিত ধর্ষণকে আলাদা অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে।

ধর্ষণের বিচার ও তদন্তের দীর্ঘসূত্রিতা কমিয়ে আনার লক্ষ্যে বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ডিএনএ পরীক্ষার অপেক্ষায় বছরের পর বছর মামলা ঝুলে থাকার প্রবণতা কমাতে আদালতকে বিশেষ ক্ষমতা দেওয়া হচ্ছে। যদি আদালত মনে করেন, মেডিকেল রিপোর্ট ও পারিপার্শ্বিক প্রমাণের ভিত্তিতে বিচার সম্ভব, তাহলে ডিএনএ রিপোর্ট ছাড়াই রায় দেওয়া যাবে।

ড. আসিফ নজরুল আরও জানান, ধর্ষণের উদ্দেশ্যে গুরুতর শারীরিক আঘাতের ক্ষেত্রে কঠোর শাস্তির বিধান যুক্ত করা হয়েছে। এ ধরনের অপরাধের শাস্তি আরও কঠোর করার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মহল একমত হয়েছে।

এই সংশোধনীর ফলে নারী ও শিশু নির্যাতনের বিচার প্রক্রিয়া আরও গতিশীল ও কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে। আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত হলে নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিরা ন্যায়বিচার পাবেন এবং অপরাধীরা শাস্তি এড়ানোর সুযোগ পাবে না।