ঢাকা ১১:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নেপালে আন্তর্জাতিক জুডো চ্যাম্পিয়নশিপে বিকেএসপি’র অভাবনীয় সাফল্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অভিনন্দন। কুমিল্লায় বাস-ট্রেন সংঘর্ষে শিশু-নারীসহ নিহত ১২ ফেনীতে ত্রিমুখী সংঘর্ষ: বাস-অ্যাম্বুলেন্স-মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ৩ ঈদের দিনে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা: জামালপুরে ভেঙে পড়ল ড্রাম ব্রিজ, নিহত ৫ ইরান যুদ্ধের পরিবেশগত মূল্য: দুই সপ্তাহেই ৫০ লাখ টন কার্বন নিঃসরণ জামালপুরে সেতু ভেঙে ব্রহ্মপুত্র নদে ডুবে ৪ শিশুর মৃত্যু, নিখোঁজ ১ ঈদের খাবার: মোগল দরবার থেকে বাঙালির ঘরে ইরানের আত্মরক্ষার অধিকার আছে: জাতিসংঘ মনে হয় নির্বাচনের পর দেশের মালিকানা অনেকাংশেই মানুষ ফিরে পেয়েছে: অর্থমন্ত্রী ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় গড়তে চাই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

হাইকোর্টের রায়: এমবিবিএস ও বিডিএস ছাড়া ‘ডাক্তার’ পদবি ব্যবহার নিষিদ্ধ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:২২:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ মার্চ ২০২৫
  • / 192

ছবি সংগৃহীত

 

হাইকোর্ট সম্প্রতি একটি গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছেন, যা দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থায় নতুন এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। বুধবার (১২ মার্চ), বিচারপতি রাজিক আল জলিলের নেতৃত্বে হাইকোর্ট বেঞ্চ দুটি রিট আবেদনের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করে জানায়, এমবিবিএস (ব্যাচেলর অব মেডিসিন, ব্যাচেলর অব সার্জারি) এবং বিডিএস (ব্যাচেলর অব ডেন্টাল সার্জারি) ডিগ্রিধারী ছাড়া কেউ নিজের নামের আগে ‘ডাক্তার’ পদবি ব্যবহার করতে পারবেন না।

এই রায়টি মেডিক্যাল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইনকে সামনে রেখে দেওয়া হয়েছে, যার অধীনে চিকিৎসকরা শুধুমাত্র তাদের ডিগ্রি অনুযায়ী ‘ডাক্তার’ পদবি ব্যবহার করতে পারবেন। হাইকোর্টের রুলের ওপর ভিত্তি করে এ রায়টি ঘোষণা করা হয়, যা চিকিৎসা পেশায় দক্ষতা ও যোগ্যতা নিশ্চিত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আরও পড়ুন  নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ‘ছাত্রলীগের’ সাবেক নেত্রী দোলনা আক্তার গ্রেপ্তার

আইনজীবী মোহাম্মদ সাদ্দাম হোসেন, যিনি রিট আবেদনকারীদের পক্ষ থেকে আদালতে যুক্তি উপস্থাপন করেন, বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘এ রায়টি চিকিৎসা পেশায় পদবির যথাযথ ব্যবহার এবং নাগরিকদের জন্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।’

এই রায়ের মাধ্যমে, এমন সকল ব্যক্তি যারা মেডিক্যাল বা ডেন্টাল শিক্ষায় প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ না নিয়ে অন্য পেশাগত শিক্ষা লাভ করেছেন, তারা আর ‘ডাক্তার’ শব্দ ব্যবহার করতে পারবেন না। এটি একটি পদক্ষেপ, যা নাগরিকদের স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে সঠিক নির্দেশনা প্রদান করবে এবং চিকিৎসক বা ডেন্টিস্টদের সততা ও দায়িত্ববোধের প্রতি শ্রদ্ধা বাড়াবে।

এ রায়ের মাধ্যমে, দেশে চিকিৎসা ব্যবস্থায় আরও একটি সংস্কারের সূচনা হলো। এর ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে আরও সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে এবং চিকিৎসা পেশায় তৃণমূল পর্যায়ে যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট বিধিমালা তৈরি হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

হাইকোর্টের রায়: এমবিবিএস ও বিডিএস ছাড়া ‘ডাক্তার’ পদবি ব্যবহার নিষিদ্ধ

আপডেট সময় ০৩:২২:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ মার্চ ২০২৫

 

হাইকোর্ট সম্প্রতি একটি গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছেন, যা দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থায় নতুন এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। বুধবার (১২ মার্চ), বিচারপতি রাজিক আল জলিলের নেতৃত্বে হাইকোর্ট বেঞ্চ দুটি রিট আবেদনের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করে জানায়, এমবিবিএস (ব্যাচেলর অব মেডিসিন, ব্যাচেলর অব সার্জারি) এবং বিডিএস (ব্যাচেলর অব ডেন্টাল সার্জারি) ডিগ্রিধারী ছাড়া কেউ নিজের নামের আগে ‘ডাক্তার’ পদবি ব্যবহার করতে পারবেন না।

এই রায়টি মেডিক্যাল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইনকে সামনে রেখে দেওয়া হয়েছে, যার অধীনে চিকিৎসকরা শুধুমাত্র তাদের ডিগ্রি অনুযায়ী ‘ডাক্তার’ পদবি ব্যবহার করতে পারবেন। হাইকোর্টের রুলের ওপর ভিত্তি করে এ রায়টি ঘোষণা করা হয়, যা চিকিৎসা পেশায় দক্ষতা ও যোগ্যতা নিশ্চিত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আরও পড়ুন  সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরিবারের ৩১ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ, সম্পদের স্থানান্তর নিষিদ্ধ

আইনজীবী মোহাম্মদ সাদ্দাম হোসেন, যিনি রিট আবেদনকারীদের পক্ষ থেকে আদালতে যুক্তি উপস্থাপন করেন, বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘এ রায়টি চিকিৎসা পেশায় পদবির যথাযথ ব্যবহার এবং নাগরিকদের জন্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।’

এই রায়ের মাধ্যমে, এমন সকল ব্যক্তি যারা মেডিক্যাল বা ডেন্টাল শিক্ষায় প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ না নিয়ে অন্য পেশাগত শিক্ষা লাভ করেছেন, তারা আর ‘ডাক্তার’ শব্দ ব্যবহার করতে পারবেন না। এটি একটি পদক্ষেপ, যা নাগরিকদের স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে সঠিক নির্দেশনা প্রদান করবে এবং চিকিৎসক বা ডেন্টিস্টদের সততা ও দায়িত্ববোধের প্রতি শ্রদ্ধা বাড়াবে।

এ রায়ের মাধ্যমে, দেশে চিকিৎসা ব্যবস্থায় আরও একটি সংস্কারের সূচনা হলো। এর ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে আরও সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে এবং চিকিৎসা পেশায় তৃণমূল পর্যায়ে যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট বিধিমালা তৈরি হবে।