ঢাকা ০৯:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
ইশরাকের পদত্যাগের খবর ভিত্তিহীন, দাবি প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরের বক্স অফিসে ‘জেলার ২’-এর ঝড় আগারগাঁওয়ে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফিলিস্তিনিদের জলপাই চুরির পক্ষে ইসরাইলি রাব্বির ফতোয়া ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটের সুদিন ফেরাতে আর্থিক সহায়তার জোরালো দাবি স্যামির আইয়ুব বাচ্চুর প্রয়াণ দিবসে তাঁকে উৎসর্গ করে কন্সট্যান্টের ‘শেষ বিকেল’ সাজেক ফেরার পথে চাঁদের গাড়ি উল্টে দুর্ঘটনা, আহত ৭ ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে মুম্বাইয়ে তলব করলেন রুবিও, চরম বিতর্কে মোদি সরকার ইরানের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী আখলাকিকে নিয়োগ দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদি রাষ্ট্রদূতকে তলব

সব সরকারি সেবা শতভাগ ডিজিটাল হবে: অর্থমন্ত্রী

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:১৩:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬
  • / 79

ছবি: সংগৃহীত

দেশের সব নাগরিককে ডিজিটাল সেবার আওতায় আনার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, দেশের সব সরকারি সেবা শতভাগ ডিজিটালাইজেশনের আওতায় আনা হবে এবং প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রতিটি মানুষকে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে হবে।

সোমবার (৬ জুলাই) অর্থ মন্ত্রণালয়ে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত ‘ইনোভেশন শোকেসিং’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী, পেশাজীবী, কৃষক ও শ্রমিকসহ সবাইকে ডিজিটাল সেবার আওতায় আনতে হবে। এ ক্ষেত্রে কোনো নাগরিক যেন বাদ না যায়, তা নিশ্চিত করতে হবে।

আরও পড়ুন  সরকারি তিন দপ্তরে শীর্ষ পদে রদবদল

তিনি বলেন, প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে জনগণের সময় ও অর্থ সাশ্রয় হবে। এ কারণে সরকারি দপ্তরে সরাসরি এসে সেবা নেওয়ার প্রবণতা কমাতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, যত দ্রুত সম্ভব সব ক্ষেত্রে ডিজিটালাইজেশনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অন্তর্ভুক্তিমূলক সেবা নিশ্চিত করতে শুধু অর্থনীতিতে নয়, সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রেও সবাইকে ডিজিটাল ব্যবস্থার আওতায় আনতে হবে।

তিনি আরও বলেন, অনেক সরকারি সেবা ঘরে বসেই পাওয়া সম্ভব। তাই এসব সেবা সম্পর্কে জনগণকে জানাতে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়া গেলে সময় ও অর্থ সাশ্রয়ের পাশাপাশি সেবার মানও বাড়বে।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অধীন এ পর্যন্ত ৩২৯টি সেবা সম্পূর্ণ ডিজিটাল করা হয়েছে। এ ছাড়া আর্থিক খাতে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও গ্রাহকসেবা সহজ করতে বিভাগের আওতাধীন ২৫টি দপ্তর ও সংস্থা ৫০টি উদ্ভাবনী উদ্যোগ প্রদর্শন করে।

এবারের ‘ইনোভেশন শোকেসিং’-এ পাঁচটি ক্যাটাগরিতে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে শ্রেষ্ঠ উদ্ভাবনী উদ্যোগের জন্য পুরস্কৃত করা হয়। পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো জনতা ব্যাংক পিএলসি, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক, বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশন এবং পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)।

নিউজটি শেয়ার করুন

সব সরকারি সেবা শতভাগ ডিজিটাল হবে: অর্থমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৪:১৩:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

দেশের সব নাগরিককে ডিজিটাল সেবার আওতায় আনার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, দেশের সব সরকারি সেবা শতভাগ ডিজিটালাইজেশনের আওতায় আনা হবে এবং প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রতিটি মানুষকে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে হবে।

সোমবার (৬ জুলাই) অর্থ মন্ত্রণালয়ে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত ‘ইনোভেশন শোকেসিং’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী, পেশাজীবী, কৃষক ও শ্রমিকসহ সবাইকে ডিজিটাল সেবার আওতায় আনতে হবে। এ ক্ষেত্রে কোনো নাগরিক যেন বাদ না যায়, তা নিশ্চিত করতে হবে।

আরও পড়ুন  সরকারি তিন দপ্তরে শীর্ষ পদে রদবদল

তিনি বলেন, প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে জনগণের সময় ও অর্থ সাশ্রয় হবে। এ কারণে সরকারি দপ্তরে সরাসরি এসে সেবা নেওয়ার প্রবণতা কমাতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, যত দ্রুত সম্ভব সব ক্ষেত্রে ডিজিটালাইজেশনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অন্তর্ভুক্তিমূলক সেবা নিশ্চিত করতে শুধু অর্থনীতিতে নয়, সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রেও সবাইকে ডিজিটাল ব্যবস্থার আওতায় আনতে হবে।

তিনি আরও বলেন, অনেক সরকারি সেবা ঘরে বসেই পাওয়া সম্ভব। তাই এসব সেবা সম্পর্কে জনগণকে জানাতে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়া গেলে সময় ও অর্থ সাশ্রয়ের পাশাপাশি সেবার মানও বাড়বে।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অধীন এ পর্যন্ত ৩২৯টি সেবা সম্পূর্ণ ডিজিটাল করা হয়েছে। এ ছাড়া আর্থিক খাতে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও গ্রাহকসেবা সহজ করতে বিভাগের আওতাধীন ২৫টি দপ্তর ও সংস্থা ৫০টি উদ্ভাবনী উদ্যোগ প্রদর্শন করে।

এবারের ‘ইনোভেশন শোকেসিং’-এ পাঁচটি ক্যাটাগরিতে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে শ্রেষ্ঠ উদ্ভাবনী উদ্যোগের জন্য পুরস্কৃত করা হয়। পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো জনতা ব্যাংক পিএলসি, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক, বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশন এবং পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)।