১১:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
চরমোনাইয়ের জন্য শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করবে জামায়াত জোট আইসিসি ভারতীয় কর্মকর্তাকে ভিসা দেয়নি বাংলাদেশ, ভারতীয় মিডিয়ার দাবি একটি দল নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার সুযোগ খুঁজছে: সালাহউদ্দিন আহমদ বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছে : তারেক রহমান আচরণবিধি লঙ্ঘন: অপসাংবাদিকতার শিকার বললেন মামুনুল হক পোস্টাল ব্যালটের ডিজাইনে পরিবর্তন আনছে ইসি গুম ও নির্যাতনের শিকার পরিবারের পাশে তারেক রহমান জাতিসংঘের এলডিসি উত্তরণবিষয়ক প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফর স্থগিত ব্রিটিশ নৌবাহিনীর প্রথম স্বয়ংক্রিয় হেলিকপ্টারের সফল প্রথম উড্ডয়ন ৬ কোটি টন ধ্বংসস্তূপের নিচে গা*জা, অপসারণে লাগবে কমপক্ষে সাত বছর

ইতালির সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করে অবৈধ অভিবাসন রুখতে চায় বাংলাদেশ: প্রধান উপদেষ্টা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৫১:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ মে ২০২৫
  • / 154

ছবি সংগৃহীত

 

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের এক গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে সাম্প্রতিক বৈশ্বিক ও দ্বিপাক্ষিক নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়।

এর আগে সোমবার বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হন ইতালির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাত্তেও পিয়ান্তেদোসি। এই বৈঠকে বাংলাদেশ থেকে ইতালিতে অভিবাসন, মানবপাচার প্রতিরোধ এবং উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

বিজ্ঞাপন

বৈঠকে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, “বাংলাদেশ বৈধ অভিবাসনকে উৎসাহিত করে এবং অবৈধ পথে বিদেশে যাওয়ার প্রবণতা রোধে ইতালির সঙ্গে একযোগে কাজ করতে প্রস্তুত।” তিনি আরও বলেন, “কিছু আন্তর্জাতিক চক্র বাংলাদেশের মানুষকে প্রলোভনে ফেলে অবৈধভাবে ইতালি যাওয়ার পথ দেখায়, যা মানবপাচারের সঙ্গে সম্পর্কিত। এই সমস্যা মোকাবেলায় আমাদের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।”

প্রধান উপদেষ্টা আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতার মাধ্যমে এই ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড রোধ করা সম্ভব হবে। তিনি বলেন, “নিরাপদ, নিয়মতান্ত্রিক ও মানবিক অভিবাসন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে আমরা আন্তরিকভাবে কাজ করছি।”

এছাড়া, দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতে বিভিন্ন বাণিজ্যিক খাতে যৌথ বিনিয়োগের সুযোগ নিয়েও আলোচনা হয়। ইতালির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের এ ধরনের অবস্থানকে সাধুবাদ জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

উল্লেখ্য, ইতালি বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইউরোপীয় অংশীদার দেশ। বর্তমানে অনেক বাংলাদেশি বৈধভাবে ইতালিতে বসবাস করছেন এবং প্রবাসী আয়ের বড় একটি অংশ এ দেশ থেকে আসে। তাই অভিবাসন ব্যবস্থাকে নিরাপদ, সুশৃঙ্খল এবং মানবিক রাখার গুরুত্ব আরও বেড়েছে।

এই বৈঠক এবং উপদেষ্টা পরিষদের আলোচনা থেকে স্পষ্ট যে, বাংলাদেশ সরকার অভিবাসন ও মানবপাচার বিষয়ক আন্তর্জান্তিক চ্যালেঞ্জগুলো অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করছে এবং এক্ষেত্রে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ইতালির সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করে অবৈধ অভিবাসন রুখতে চায় বাংলাদেশ: প্রধান উপদেষ্টা

আপডেট সময় ১২:৫১:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ মে ২০২৫

 

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের এক গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে সাম্প্রতিক বৈশ্বিক ও দ্বিপাক্ষিক নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়।

এর আগে সোমবার বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হন ইতালির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাত্তেও পিয়ান্তেদোসি। এই বৈঠকে বাংলাদেশ থেকে ইতালিতে অভিবাসন, মানবপাচার প্রতিরোধ এবং উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

বিজ্ঞাপন

বৈঠকে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, “বাংলাদেশ বৈধ অভিবাসনকে উৎসাহিত করে এবং অবৈধ পথে বিদেশে যাওয়ার প্রবণতা রোধে ইতালির সঙ্গে একযোগে কাজ করতে প্রস্তুত।” তিনি আরও বলেন, “কিছু আন্তর্জাতিক চক্র বাংলাদেশের মানুষকে প্রলোভনে ফেলে অবৈধভাবে ইতালি যাওয়ার পথ দেখায়, যা মানবপাচারের সঙ্গে সম্পর্কিত। এই সমস্যা মোকাবেলায় আমাদের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।”

প্রধান উপদেষ্টা আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতার মাধ্যমে এই ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড রোধ করা সম্ভব হবে। তিনি বলেন, “নিরাপদ, নিয়মতান্ত্রিক ও মানবিক অভিবাসন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে আমরা আন্তরিকভাবে কাজ করছি।”

এছাড়া, দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতে বিভিন্ন বাণিজ্যিক খাতে যৌথ বিনিয়োগের সুযোগ নিয়েও আলোচনা হয়। ইতালির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের এ ধরনের অবস্থানকে সাধুবাদ জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

উল্লেখ্য, ইতালি বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইউরোপীয় অংশীদার দেশ। বর্তমানে অনেক বাংলাদেশি বৈধভাবে ইতালিতে বসবাস করছেন এবং প্রবাসী আয়ের বড় একটি অংশ এ দেশ থেকে আসে। তাই অভিবাসন ব্যবস্থাকে নিরাপদ, সুশৃঙ্খল এবং মানবিক রাখার গুরুত্ব আরও বেড়েছে।

এই বৈঠক এবং উপদেষ্টা পরিষদের আলোচনা থেকে স্পষ্ট যে, বাংলাদেশ সরকার অভিবাসন ও মানবপাচার বিষয়ক আন্তর্জান্তিক চ্যালেঞ্জগুলো অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করছে এবং এক্ষেত্রে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত।