ঢাকা ০১:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

লাইসেন্স হাতে পেল স্টারলিংক

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:৫৩:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৫
  • / 572

ছবি সংগৃহীত

 

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) কাছে বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য লাইসেন্স হাতে পেয়েছে মার্কিন এনজিএসও সেবাদাতা স্টারলিংক।

মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় স্টারলিংক কর্মকর্তার কাছে লাইসেন্সটি হস্তান্তর করা হয় বলে গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন বিটিআরসি চেয়ারম্যান মো. এমদাদুল বারী।

আরও পড়ুন  দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে আঘাত, ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে নিহত ৫

বিটিআরসি চেয়ারম্যান বলেন, প্রধান উপদেষ্টার অনুমোদন ও নির্ধারিত ফি পরিশোধের পর আমরা স্টারকিংকের লাইসেন্স ইস্যু করেছি।

কবে নাগাদ স্টারলিংক ইন্টারনেট সেবা চালু করতে পারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখন তাদের কাজ হলো, কীভাবে গেটওয়ে ও গ্রাউন্ড স্টেশন স্থাপন করবে তা নিয়ে স্থানীয় স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা করে তাদের পরিকল্পনা আমাদের জানানো।

অবশ্য সেবা চালুর আগে স্টারলিংককে তাদের ইন্টারনেট ট্যারিফ অনুমোদনের জন্য জমা দিতে হবে বলে জানিয়েছেন বিটিআরসি চেয়ারম্যান।

প্রসঙ্গত, গত ৭ এপ্রিল স্টারলিংক সার্ভিসেস বাংলাদেশ লিমিটেড বাংলাদেশে নন-জিওস্টেশনারি অরবিট বা এনজিএসও স্যাটেলাইট সার্ভিস অপারেটর গাইডলাইনের অধীনে লাইসেন্সের জন্য আবেদন করে। আবেদনের পর বিটিআরসি সাত সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে, কমিটি সকল কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে।

পরে বিটিআরসির প্রতিনিধি দল কারওয়ান বাজারে স্টারলিংকের বাংলাদেশ অফিস পরিদর্শন করে। এরপরই প্রতিষ্ঠানটিকে লাইসেন্স দেওয়ার সুপারিশ করা হয়।

তবে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানিয়েছে, স্থানীয় গেটওয়ে স্থাপনসহ কারিগরি প্রস্তুতির জন্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেবা চালু করা স্টারলিংকের জন্য চ্যালেঞ্জ হতে পারে। যদিও প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

লাইসেন্স হাতে পেল স্টারলিংক

আপডেট সময় ০৮:৫৩:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৫

 

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) কাছে বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য লাইসেন্স হাতে পেয়েছে মার্কিন এনজিএসও সেবাদাতা স্টারলিংক।

মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় স্টারলিংক কর্মকর্তার কাছে লাইসেন্সটি হস্তান্তর করা হয় বলে গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন বিটিআরসি চেয়ারম্যান মো. এমদাদুল বারী।

আরও পড়ুন  তোমার চোখে জুলাই

বিটিআরসি চেয়ারম্যান বলেন, প্রধান উপদেষ্টার অনুমোদন ও নির্ধারিত ফি পরিশোধের পর আমরা স্টারকিংকের লাইসেন্স ইস্যু করেছি।

কবে নাগাদ স্টারলিংক ইন্টারনেট সেবা চালু করতে পারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখন তাদের কাজ হলো, কীভাবে গেটওয়ে ও গ্রাউন্ড স্টেশন স্থাপন করবে তা নিয়ে স্থানীয় স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা করে তাদের পরিকল্পনা আমাদের জানানো।

অবশ্য সেবা চালুর আগে স্টারলিংককে তাদের ইন্টারনেট ট্যারিফ অনুমোদনের জন্য জমা দিতে হবে বলে জানিয়েছেন বিটিআরসি চেয়ারম্যান।

প্রসঙ্গত, গত ৭ এপ্রিল স্টারলিংক সার্ভিসেস বাংলাদেশ লিমিটেড বাংলাদেশে নন-জিওস্টেশনারি অরবিট বা এনজিএসও স্যাটেলাইট সার্ভিস অপারেটর গাইডলাইনের অধীনে লাইসেন্সের জন্য আবেদন করে। আবেদনের পর বিটিআরসি সাত সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে, কমিটি সকল কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে।

পরে বিটিআরসির প্রতিনিধি দল কারওয়ান বাজারে স্টারলিংকের বাংলাদেশ অফিস পরিদর্শন করে। এরপরই প্রতিষ্ঠানটিকে লাইসেন্স দেওয়ার সুপারিশ করা হয়।

তবে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানিয়েছে, স্থানীয় গেটওয়ে স্থাপনসহ কারিগরি প্রস্তুতির জন্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেবা চালু করা স্টারলিংকের জন্য চ্যালেঞ্জ হতে পারে। যদিও প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে।