০৩:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
সাংবাদিকতার স্বাধীনতা টিকিয়ে রাখতে আর্থিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক স্বনির্ভরতা জরুরি: শফিক রেহমান হাসনাত আব্দুল্লাহর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল চরমোনাইয়ের জন্য শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করবে জামায়াত জোট আইসিসি ভারতীয় কর্মকর্তাকে ভিসা দেয়নি বাংলাদেশ, ভারতীয় মিডিয়ার দাবি একটি দল নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার সুযোগ খুঁজছে: সালাহউদ্দিন আহমদ বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছে : তারেক রহমান আচরণবিধি লঙ্ঘন: অপসাংবাদিকতার শিকার বললেন মামুনুল হক পোস্টাল ব্যালটের ডিজাইনে পরিবর্তন আনছে ইসি গুম ও নির্যাতনের শিকার পরিবারের পাশে তারেক রহমান জাতিসংঘের এলডিসি উত্তরণবিষয়ক প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফর স্থগিত

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরিবারের ৩১ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ, সম্পদের স্থানান্তর নিষিদ্ধ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:১৪:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ মার্চ ২০২৫
  • / 103

ছবি সংগৃহীত

 

দুর্নীতির অভিযোগের প্রেক্ষিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর ছোট বোন শেখ রেহানা, ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল এবং তাঁদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে থাকা ৩১টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এসব হিসাবে মোট ৩৯৪ কোটি ৬০ লাখ ৭২ হাজার ৮০৫ টাকা রয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) ঢাকার মহানগর দায়রা জজ মো. জাকির হোসেন গালিব দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই আদেশ দেন। আদালত সূত্রে জানা যায়, দুদকের উপপরিচালক মনিরুল ইসলাম এই ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার জন্য আবেদন করেন।

বিজ্ঞাপন

আদালতে দাখিল করা আবেদনে উল্লেখ করা হয়, শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা এবং তাঁদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা এসব ব্যাংক হিসাবে থাকা অর্থ অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে এসব হিসাব অবিলম্বে অবরুদ্ধ করা প্রয়োজন বলে জানান তদন্ত কর্মকর্তা। এ ছাড়া, এই ব্যক্তিরা তাঁদের অস্থাবর সম্পত্তি অন্য কোনো উপায়ে হস্তান্তর বা মালিকানা পরিবর্তন করতে না পারেন, তা নিশ্চিত করতে আদালতের অনুমতি চাওয়া হয়।

এর আগে, ১১ মার্চ আদালত শেখ হাসিনার ধানমন্ডির বাড়ি ‘সুধা সদন’সহ তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিভিন্ন সম্পত্তি জব্দের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে শেখ হাসিনা, সজীব ওয়াজেদ জয়, সায়মা ওয়াজেদ পুতুল, শেখ রেহানা এবং তাঁদের ঘনিষ্ঠ সাতজনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।

দুদকের মতে, এই অনুসন্ধান একটি চলমান প্রক্রিয়া। অবৈধ সম্পদের উৎস খুঁজে বের করতে ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষায় কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আর্থিক লেনদেনের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে এবং তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সম্পদ জব্দের এই আদেশ বহাল থাকবে।

এই ঘটনায় দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনসহ বিভিন্ন মহলে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। কেউ এটিকে বিচারিক কার্যক্রমের স্বাভাবিক অংশ হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মত প্রকাশ করছেন। তবে, দুদক জানিয়েছে, তারা শুধুমাত্র আইন অনুযায়ী কাজ করছে এবং প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছভাবে পরিচালিত হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরিবারের ৩১ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ, সম্পদের স্থানান্তর নিষিদ্ধ

আপডেট সময় ১০:১৪:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ মার্চ ২০২৫

 

দুর্নীতির অভিযোগের প্রেক্ষিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর ছোট বোন শেখ রেহানা, ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল এবং তাঁদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে থাকা ৩১টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এসব হিসাবে মোট ৩৯৪ কোটি ৬০ লাখ ৭২ হাজার ৮০৫ টাকা রয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) ঢাকার মহানগর দায়রা জজ মো. জাকির হোসেন গালিব দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই আদেশ দেন। আদালত সূত্রে জানা যায়, দুদকের উপপরিচালক মনিরুল ইসলাম এই ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার জন্য আবেদন করেন।

বিজ্ঞাপন

আদালতে দাখিল করা আবেদনে উল্লেখ করা হয়, শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা এবং তাঁদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা এসব ব্যাংক হিসাবে থাকা অর্থ অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে এসব হিসাব অবিলম্বে অবরুদ্ধ করা প্রয়োজন বলে জানান তদন্ত কর্মকর্তা। এ ছাড়া, এই ব্যক্তিরা তাঁদের অস্থাবর সম্পত্তি অন্য কোনো উপায়ে হস্তান্তর বা মালিকানা পরিবর্তন করতে না পারেন, তা নিশ্চিত করতে আদালতের অনুমতি চাওয়া হয়।

এর আগে, ১১ মার্চ আদালত শেখ হাসিনার ধানমন্ডির বাড়ি ‘সুধা সদন’সহ তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিভিন্ন সম্পত্তি জব্দের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে শেখ হাসিনা, সজীব ওয়াজেদ জয়, সায়মা ওয়াজেদ পুতুল, শেখ রেহানা এবং তাঁদের ঘনিষ্ঠ সাতজনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।

দুদকের মতে, এই অনুসন্ধান একটি চলমান প্রক্রিয়া। অবৈধ সম্পদের উৎস খুঁজে বের করতে ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষায় কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আর্থিক লেনদেনের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে এবং তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সম্পদ জব্দের এই আদেশ বহাল থাকবে।

এই ঘটনায় দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনসহ বিভিন্ন মহলে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। কেউ এটিকে বিচারিক কার্যক্রমের স্বাভাবিক অংশ হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মত প্রকাশ করছেন। তবে, দুদক জানিয়েছে, তারা শুধুমাত্র আইন অনুযায়ী কাজ করছে এবং প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছভাবে পরিচালিত হচ্ছে।