সৌদির তেল স্থাপনায় হামলার দাবি হুতিদের
- আপডেট সময় ০১:৫১:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
- / 15
ইয়েমেনের রাজধানী সানায় সৌদি নেতৃত্বাধীন হামলার জবাবে সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর রিয়াদস্থ একটি স্থাপনায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে হামলা চালানোর দাবি করেছে হুতি বিদ্রোহীরা।
তাদের দাবি, হামলায় লক্ষ্যবস্তুতে সফলভাবে আঘাত করা হয়েছে এবং সেখানে আগুন ধরে যায়। তবে হুতিদের এ দাবি নাকচ করেছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট।
শনিবার টেলিভিশনে দেওয়া এক বিবৃতিতে হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি এসব দাবি করেন। তিনি বলেন, হামলার নির্ধারিত লক্ষ্য সফলভাবে অর্জিত হয়েছে এবং লক্ষ্যবস্তু এলাকায় আগুন দেখা গেছে।
ইয়াহিয়া সারির দাবি, এর আগের ২৪ ঘণ্টায় সানা ও ইয়েমেনের অন্যান্য প্রদেশে ৬০টি বিমান হামলা চালানো হয়েছে। এসব হামলার জন্য তিনি সৌদি আরবকে দায়ী করেন। তাঁর হিসাবে, ইয়েমেনে সৌদি নেতৃত্বাধীন মোট বিমান হামলার সংখ্যা ১ হাজার ৪২০টিতে পৌঁছেছে।
হুতি মুখপাত্র হুঁশিয়ার করে বলেন, ‘অবরোধের জবাব অবরোধ দিয়ে এবং উত্তেজনার জবাব উত্তেজনা দিয়ে’ দেওয়া হবে।
তবে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি হুতিদের এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন। সৌদি গণমাধ্যম, যার মধ্যে আশরাক আল-আওসাতও রয়েছে, তাঁর বক্তব্য উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, রিয়াদে শনিবারের হামলা নিয়ে হুতিদের দাবি ‘বিভ্রান্তিকর’।
আল-মালিকি আরও বলেন, হুতিরা নিজেদের ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা এবং তাদের কর্মকাণ্ড নিয়ে বাড়তে থাকা জনঅসন্তোষ থেকে মানুষের দৃষ্টি সরানোর চেষ্টা করছে। তাঁর অভিযোগ, বিদেশি এজেন্ডার সঙ্গে হুতিদের সম্পর্ক ইয়েমেনে বিশৃঙ্খলা ও ধ্বংস ডেকে এনেছে।
২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ইয়েমেনের রাজধানী সানা এবং দেশটির বেশ কয়েকটি প্রদেশ নিয়ন্ত্রণ করছে হুতিরা। এর পরের বছর, ২০১৫ সালের মার্চ থেকে সৌদি আরব ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে সমর্থনকারী একটি সামরিক জোটের নেতৃত্ব দিয়ে আসছে।
চলতি বছরের জুলাইয়ে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ ঘোষণা করে হুতিরা। তাদের দাবি ছিল, ইয়েমেনে হুতিদের নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোর ওপর সৌদি নৌ ও বিমান অবরোধের জবাব হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
এরপর থেকে সৌদি আরবের জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে হুতিরা হামলা চালিয়ে আসছে বলে জানা গেছে।




















