ঢাকা ১২:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬

নেপালে তুষারধসে ১৫ পর্বতারোহণকর্মীর মৃত্যু

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:২৮:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬
  • / 16

ছবি: সংগৃহীত

নেপালের হিমালয়ে তুষারধসে অন্তত ১৫ পর্বতারোহণকর্মীর মৃত্যু হয়েছে। দেশটির মধ্যাঞ্চলে হিমলুং শিখরের বেস ক্যাম্পে তুষারের নিচে চাপা পড়া মরদেহ উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। শুক্রবার (২ অক্টোবর) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

নেপাল ন্যাশনাল মাউন্টেন গাইড অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি তুল সিং গুরুং জানান, রোববার ভোরে চীন সীমান্তের কাছাকাছি ৭ হাজার ১২৬ মিটার বা ২৩ হাজার ৩৩৫ ফুট উচ্চতার হিমলুং শিখরের বেস ক্যাম্পে তুষারধসের ঘটনা ঘটে।

তিনি জানান, পরবর্তী অভিযানের প্রস্তুতি হিসেবে ওই এলাকায় তাঁবু স্থাপন ও রশি বাঁধার কাজ করছিলেন নেপালি কর্মীরা। তুষারধসের সময় সেখানে বিদেশি পর্বতারোহীরা পৌঁছাননি।

আরও পড়ুন  কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে বাসর রাতেই স্বামীর মৃত্যু

তুল সিং গুরুং বলেন, উদ্ধার করা মরদেহগুলো হেলিকপ্টারে করে কাঠমান্ডুতে নেওয়া হবে বলে আশা করা হচ্ছে। নিখোঁজ থাকা আরও একজন কর্মীকে জীবিত উদ্ধারের সম্ভাবনা খুবই কম। এ কারণে উদ্ধার অভিযানও প্রায় গুটিয়ে আনা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

উদ্ধার অভিযানে অভিজ্ঞ গাইডসহ ১১ জন অংশ নিচ্ছেন। বেস ক্যাম্পে থাকা তাঁবুগুলো চার মিটারের বেশি গভীর তুষারের নিচে চাপা পড়ে রয়েছে। সেখান থেকে তুষার সরিয়ে মরদেহ উদ্ধারের চেষ্টা করছেন উদ্ধারকর্মীরা।

রোববার দুই পর্বতারোহণ গাইডের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সোমবার রান্নাঘরের দুই কর্মীর মরদেহ পাওয়া যায়। এরপর মঙ্গলবার আরও তিনটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে নেপালে সবচেয়ে প্রাণঘাতী পর্বতারোহণ দুর্ঘটনার একটি ঘটে ২০১৪ সালে। ওই বছর এভারেস্টে তুষারধসে ১৬ জন নিহত হন। এর পরের বছর ২০১৫ সালে এভারেস্টে ভূমিকম্পে প্রাণ হারান ১৮ জন।

বিশ্বের ১৪টি সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের আটটির অবস্থান নেপালে। দেশটির পর্যটন ও অর্থনীতিতে পর্বতারোহণ এবং ট্রেকিংয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

তুষারধসের ঘটনা যে হিমলুং পর্বতে ঘটেছে, সেটি ৭ হাজার মিটার উচ্চতার পর্বতশৃঙ্গে আরোহণের প্রস্তুতি নেওয়া পর্বতারোহীদের কাছে একটি জনপ্রিয় গন্তব্য।

নিউজটি শেয়ার করুন

নেপালে তুষারধসে ১৫ পর্বতারোহণকর্মীর মৃত্যু

আপডেট সময় ১১:২৮:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬

নেপালের হিমালয়ে তুষারধসে অন্তত ১৫ পর্বতারোহণকর্মীর মৃত্যু হয়েছে। দেশটির মধ্যাঞ্চলে হিমলুং শিখরের বেস ক্যাম্পে তুষারের নিচে চাপা পড়া মরদেহ উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। শুক্রবার (২ অক্টোবর) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

নেপাল ন্যাশনাল মাউন্টেন গাইড অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি তুল সিং গুরুং জানান, রোববার ভোরে চীন সীমান্তের কাছাকাছি ৭ হাজার ১২৬ মিটার বা ২৩ হাজার ৩৩৫ ফুট উচ্চতার হিমলুং শিখরের বেস ক্যাম্পে তুষারধসের ঘটনা ঘটে।

তিনি জানান, পরবর্তী অভিযানের প্রস্তুতি হিসেবে ওই এলাকায় তাঁবু স্থাপন ও রশি বাঁধার কাজ করছিলেন নেপালি কর্মীরা। তুষারধসের সময় সেখানে বিদেশি পর্বতারোহীরা পৌঁছাননি।

আরও পড়ুন  কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে বাসর রাতেই স্বামীর মৃত্যু

তুল সিং গুরুং বলেন, উদ্ধার করা মরদেহগুলো হেলিকপ্টারে করে কাঠমান্ডুতে নেওয়া হবে বলে আশা করা হচ্ছে। নিখোঁজ থাকা আরও একজন কর্মীকে জীবিত উদ্ধারের সম্ভাবনা খুবই কম। এ কারণে উদ্ধার অভিযানও প্রায় গুটিয়ে আনা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

উদ্ধার অভিযানে অভিজ্ঞ গাইডসহ ১১ জন অংশ নিচ্ছেন। বেস ক্যাম্পে থাকা তাঁবুগুলো চার মিটারের বেশি গভীর তুষারের নিচে চাপা পড়ে রয়েছে। সেখান থেকে তুষার সরিয়ে মরদেহ উদ্ধারের চেষ্টা করছেন উদ্ধারকর্মীরা।

রোববার দুই পর্বতারোহণ গাইডের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সোমবার রান্নাঘরের দুই কর্মীর মরদেহ পাওয়া যায়। এরপর মঙ্গলবার আরও তিনটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে নেপালে সবচেয়ে প্রাণঘাতী পর্বতারোহণ দুর্ঘটনার একটি ঘটে ২০১৪ সালে। ওই বছর এভারেস্টে তুষারধসে ১৬ জন নিহত হন। এর পরের বছর ২০১৫ সালে এভারেস্টে ভূমিকম্পে প্রাণ হারান ১৮ জন।

বিশ্বের ১৪টি সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের আটটির অবস্থান নেপালে। দেশটির পর্যটন ও অর্থনীতিতে পর্বতারোহণ এবং ট্রেকিংয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

তুষারধসের ঘটনা যে হিমলুং পর্বতে ঘটেছে, সেটি ৭ হাজার মিটার উচ্চতার পর্বতশৃঙ্গে আরোহণের প্রস্তুতি নেওয়া পর্বতারোহীদের কাছে একটি জনপ্রিয় গন্তব্য।