ঢাকা ১২:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

তামিলনাড়ুর মসনদে থালাপতি বিজয়

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৫৩:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬
  • / 114

ছবি: সংগৃহীত

তামিল চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় মহাতারকা থালাপতি বিজয় পর্দার লড়াই শেষে এবার বাস্তবের শাসনভার গ্রহণ করেছেন। রবিবার (১০ মে) চেন্নাইয়ের জওহরলাল নেহেরু ইনডোর স্টেডিয়ামে এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন তিনি।

সাদা শার্ট ও ব্লেজার পরিহিত বিজয় যখন শপথ বাক্য পাঠ করছিলেন, তখন উপস্থিত হাজারো সমর্থকের গগনবিদারী করতালিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো স্টেডিয়াম। এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হিসেবে দর্শকাসনে উপস্থিত ছিলেন বিজয়ের বাবা-মা এবং তাঁর দীর্ঘদিনের সহ-অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণান।

নির্বাচনী ফলাফলে বিজয়ের রাজনৈতিক দল ‘টিভিকে’ ১০৮টি আসন পেয়ে একক বৃহত্তম দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলেও একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজনীয় লক্ষ্যমাত্রা থেকে ১০টি আসন পিছিয়ে ছিল।
তবে রাজনৈতিক নাটকীয়তার অবসান ঘটিয়ে কংগ্রেস, বাম দল ও অন্যান্য ছোট দলগুলো বিজয়কে নিঃশর্ত সমর্থন প্রদান করে। এর ফলে প্রয়োজনীয় সমর্থন নিশ্চিত করে সরকার গঠন করতে সক্ষম হন এই অভিনেতা।

আরও পড়ুন  থালাপতি বিজয়ের রাজনীতিতে প্রবেশ: শোবিজ ছেড়ে মানুষের পাশে দাঁড়াতে চান

শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারতীয় কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর উপস্থিতি বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ ছিল। তাঁর এই উপস্থিতির মাধ্যমে দীর্ঘ কয়েক দশক পর কংগ্রেস তামিলনাড়ুর শাসক জোটের অংশীদার হিসেবে সরকারে জায়গা করে নিল।
শপথ গ্রহণের আগে রাজ্যপাল রাজেন্দ্র আরলেকারকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়ে বিজয় রাজনৈতিক সৌজন্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিলেও বিজয়ের সামনে এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো বিধানসভায় তাঁর নেতৃত্বাধীন জোটের সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করা। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই তাঁকে এই অগ্নিপরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।
তবে তাঁর শপথ গ্রহণকে কেন্দ্র করে তামিলনাড়ুসহ দক্ষিণ ভারতের রাজনীতিতে এক নতুন মেরুকরণের সম্ভাবনা দেখছেন বিশ্লেষকরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

তামিলনাড়ুর মসনদে থালাপতি বিজয়

আপডেট সময় ১১:৫৩:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

তামিল চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় মহাতারকা থালাপতি বিজয় পর্দার লড়াই শেষে এবার বাস্তবের শাসনভার গ্রহণ করেছেন। রবিবার (১০ মে) চেন্নাইয়ের জওহরলাল নেহেরু ইনডোর স্টেডিয়ামে এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন তিনি।

সাদা শার্ট ও ব্লেজার পরিহিত বিজয় যখন শপথ বাক্য পাঠ করছিলেন, তখন উপস্থিত হাজারো সমর্থকের গগনবিদারী করতালিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো স্টেডিয়াম। এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হিসেবে দর্শকাসনে উপস্থিত ছিলেন বিজয়ের বাবা-মা এবং তাঁর দীর্ঘদিনের সহ-অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণান।

নির্বাচনী ফলাফলে বিজয়ের রাজনৈতিক দল ‘টিভিকে’ ১০৮টি আসন পেয়ে একক বৃহত্তম দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলেও একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজনীয় লক্ষ্যমাত্রা থেকে ১০টি আসন পিছিয়ে ছিল।
তবে রাজনৈতিক নাটকীয়তার অবসান ঘটিয়ে কংগ্রেস, বাম দল ও অন্যান্য ছোট দলগুলো বিজয়কে নিঃশর্ত সমর্থন প্রদান করে। এর ফলে প্রয়োজনীয় সমর্থন নিশ্চিত করে সরকার গঠন করতে সক্ষম হন এই অভিনেতা।

আরও পড়ুন  থালাপতি বিজয়ের রাজনীতিতে প্রবেশ: শোবিজ ছেড়ে মানুষের পাশে দাঁড়াতে চান

শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারতীয় কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর উপস্থিতি বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ ছিল। তাঁর এই উপস্থিতির মাধ্যমে দীর্ঘ কয়েক দশক পর কংগ্রেস তামিলনাড়ুর শাসক জোটের অংশীদার হিসেবে সরকারে জায়গা করে নিল।
শপথ গ্রহণের আগে রাজ্যপাল রাজেন্দ্র আরলেকারকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়ে বিজয় রাজনৈতিক সৌজন্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিলেও বিজয়ের সামনে এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো বিধানসভায় তাঁর নেতৃত্বাধীন জোটের সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করা। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই তাঁকে এই অগ্নিপরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।
তবে তাঁর শপথ গ্রহণকে কেন্দ্র করে তামিলনাড়ুসহ দক্ষিণ ভারতের রাজনীতিতে এক নতুন মেরুকরণের সম্ভাবনা দেখছেন বিশ্লেষকরা।