১০:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
আমাদের সাইবার টিম তাদের গলা টিপে ধরেছে: জামায়াত আমির নবাবগঞ্জে ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচারে হামলা, জামায়াত কর্মী গুরুতর আহত যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের জন্য ভেনেজুয়েলায় তেল উত্তোলনের নিয়ম সহজ করছে কড়াইল বস্তিতে বিএনপির ফ্রি ওয়াইফাই সেবা চালু ৯ দিন পর ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ডা.শফিকুর রহমান: আমির হামজা দুই বিয়ের গুঞ্জন নিয়ে মুখ খুললেন এনসিপি নেত্রী মিতু ‘গুপ্ত দলের’ লোকেরা নতুন জালেম হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে: তারেক রহমান প্রিসাইডিং অফিসার যাতে ভোটের রেজাল্ট ছাড়া বের হতে না পারে: মির্জা আব্বাস বিএনপি কাজে বিশ্বাসী, সমালোচনার রাজনীতিতে নয়: মির্জা ফখরুল গাজিয়াবাদে ৯ তলা থেকে লাফ দিয়ে ৩ বোনের মর্মান্তিক মৃত্যু

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন নৌবহর জড়ো, বাড়ছে সংঘাতের আশঙ্কা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৫০:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 70

ছবি সংগৃহীত

 

ইরানকে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি আরও জোরদার হয়েছে। বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন–এর নেতৃত্বে একটি বড় নৌবহর ভারত মহাসাগর পেরিয়ে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের আওতাধীন এলাকায় অবস্থান নিয়েছে। অতীতে এখান থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে বিভিন্ন সামরিক অভিযান চালানো হয়েছে। আলজাজিরার খবরে বলা হয়, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক বিকল্প বিবেচনা করছেন, যদিও এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। 

নৌবহরে যুদ্ধজাহাজ, ক্ষেপণাস্ত্রবাহী ক্রুজার ও সাবমেরিন প্রতিরোধী জাহাজ রয়েছে। এদিকে ইরানও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তারা পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে ‘ভুল হিসাব’ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে।

উত্তেজনার প্রভাবে আকাশপথেও প্রভাব পড়েছে। ভারতের বিমান সংস্থা ইন্ডিগো নিরাপত্তার কারণে ইরানের আকাশসীমা এড়িয়ে চলতে ফ্লাইট সূচি পরিবর্তন করেছে এবং কয়েকটি রুটে সাময়িকভাবে ফ্লাইট স্থগিত করেছে।

এদিকে ট্রাম্প দাবি করেছেন, সামরিক চাপ বাড়লেও ইরান আলোচনায় আগ্রহী। তিনি বলেন, কূটনীতির পথ এখনো খোলা আছে এবং তেহরান একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে চায়। তবে হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রয়োজনে সামরিক পদক্ষেপও একটি বিকল্প হিসেবে বিবেচনায় আছে।

ইরান স্পষ্ট করেছে, কোনো হামলা হলে তারা কঠোর জবাব দেবে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পার্লামেন্ট নেতারা জানিয়েছেন, আগ্রাসনের ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক ও অনুপাতিক প্রতিক্রিয়া দেওয়া হবে। একই সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাত জানিয়ে দিয়েছে, তারা ইরানের বিরুদ্ধে কোনো হামলায় তাদের ভূখণ্ড বা আকাশসীমা ব্যবহার করতে দেবে না।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মুখে ইরানের আত্মসমর্পণের সম্ভাবনা প্রায় নেই। তাদের ধারণা, অতিরিক্ত চাপ পরিস্থিতি শান্ত করার বদলে আরও উত্তেজনা বাড়াতে পারে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন নৌবহর জড়ো, বাড়ছে সংঘাতের আশঙ্কা

আপডেট সময় ১১:৫০:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

 

ইরানকে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি আরও জোরদার হয়েছে। বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন–এর নেতৃত্বে একটি বড় নৌবহর ভারত মহাসাগর পেরিয়ে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের আওতাধীন এলাকায় অবস্থান নিয়েছে। অতীতে এখান থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে বিভিন্ন সামরিক অভিযান চালানো হয়েছে। আলজাজিরার খবরে বলা হয়, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক বিকল্প বিবেচনা করছেন, যদিও এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। 

নৌবহরে যুদ্ধজাহাজ, ক্ষেপণাস্ত্রবাহী ক্রুজার ও সাবমেরিন প্রতিরোধী জাহাজ রয়েছে। এদিকে ইরানও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তারা পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে ‘ভুল হিসাব’ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে।

উত্তেজনার প্রভাবে আকাশপথেও প্রভাব পড়েছে। ভারতের বিমান সংস্থা ইন্ডিগো নিরাপত্তার কারণে ইরানের আকাশসীমা এড়িয়ে চলতে ফ্লাইট সূচি পরিবর্তন করেছে এবং কয়েকটি রুটে সাময়িকভাবে ফ্লাইট স্থগিত করেছে।

এদিকে ট্রাম্প দাবি করেছেন, সামরিক চাপ বাড়লেও ইরান আলোচনায় আগ্রহী। তিনি বলেন, কূটনীতির পথ এখনো খোলা আছে এবং তেহরান একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে চায়। তবে হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রয়োজনে সামরিক পদক্ষেপও একটি বিকল্প হিসেবে বিবেচনায় আছে।

ইরান স্পষ্ট করেছে, কোনো হামলা হলে তারা কঠোর জবাব দেবে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পার্লামেন্ট নেতারা জানিয়েছেন, আগ্রাসনের ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক ও অনুপাতিক প্রতিক্রিয়া দেওয়া হবে। একই সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাত জানিয়ে দিয়েছে, তারা ইরানের বিরুদ্ধে কোনো হামলায় তাদের ভূখণ্ড বা আকাশসীমা ব্যবহার করতে দেবে না।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মুখে ইরানের আত্মসমর্পণের সম্ভাবনা প্রায় নেই। তাদের ধারণা, অতিরিক্ত চাপ পরিস্থিতি শান্ত করার বদলে আরও উত্তেজনা বাড়াতে পারে।