০৯:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
দুই বিয়ের গুঞ্জন নিয়ে মুখ খুললেন এনসিপি নেত্রী মিতু ‘গুপ্ত দলের’ লোকেরা নতুন জালেম হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে: তারেক রহমান প্রিসাইডিং অফিসার যাতে ভোটের রেজাল্ট ছাড়া বের হতে না পারে: মির্জা আব্বাস বিএনপি কাজে বিশ্বাসী, সমালোচনার রাজনীতিতে নয়: মির্জা ফখরুল গাজিয়াবাদে ৯ তলা থেকে লাফ দিয়ে ৩ বোনের মর্মান্তিক মৃত্যু শাকিবের সঙ্গে ‘প্রেম’ নিয়ে মুখ খুললেন ফারিয়া ত্রিশালে যমুনা এক্সপ্রেসের ধাক্কায় ট্রাক দুমড়ে যাওয়ায় চালক আহত নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে ২২ সেনাসহ নিহত ২৫৫ জন জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন স্থগিত: ইসি সচিব আরব সাগরে ইরানি ড্রোনকে ধ্বংস করল মার্কিন এফ-৩৫সি যুদ্ধবিমান

গাজায় যুদ্ধবিরতি মানতে ইসরায়েলকে হোয়াইট হাউসের সতর্কবার্তা, নেতানিয়াহুকে সরাসরি বার্তা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:৪৫:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 158

 

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতির শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগে ইসরায়েলকে সতর্ক করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এ বিষয়ে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে সরাসরি বার্তা দিয়েছে হোয়াইট হাউস।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে নেতানিয়াহুর প্রতি ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেন। সেখানে তিনি লেখেন, কেউ যদি নিজের বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করতে চান এবং দেখাতে চান যে তিনি কোনো চুক্তির প্রতি সম্মান দেখান না, তবে তিনি অতিথি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে আসতে পারেন। তবে গাজা সংক্রান্ত চুক্তি হওয়ার পর হোয়াইট হাউস কোনোভাবেই এমন কিছু হতে দেবে না, যাতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সুনাম ক্ষুণ্ন হয়।

হোয়াইট হাউসের এই অবস্থান এমন এক সময়ে সামনে এলো, যখন গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকার পরও ইসরায়েলি হামলার অভিযোগ উঠছে।

গত ১০ অক্টোবর গাজায় চলমান সহিংসতা বন্ধে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত ২০ দফার ভিত্তিতে এই সমঝোতায় পৌঁছায় ইসরায়েল ও হামাস। যুদ্ধবিরতির শর্তগুলোর মধ্যে একটি দফায় বিমান হামলা ও গোলাবর্ষণসহ সব ধরনের সামরিক তৎপরতা স্থগিত রাখার কথা বলা হয়েছে।

তবে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার প্রায় দুই মাস পার হলেও ইসরায়েল ও হামাস পরস্পরের বিরুদ্ধে নিয়মিতভাবে চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ করে আসছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় গাজায় প্রায় চার শতাধিক ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

এদিকে ইসরায়েলি বাহিনী এখনো গাজা উপত্যকার অর্ধেকের বেশি এলাকার নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে। মানবিক সংস্থাগুলো জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে ত্রাণ সহায়তা কিছুটা বেড়েছে। তবে ইসরায়েলের বিধিনিষেধ ও নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি এখনো বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে রয়েছে। পাশাপাশি রাফাহ সীমান্ত ক্রসিং পুনরায় চালু করা নিয়েও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে মতবিরোধ অব্যাহত আছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজায় যুদ্ধবিরতি মানতে ইসরায়েলকে হোয়াইট হাউসের সতর্কবার্তা, নেতানিয়াহুকে সরাসরি বার্তা

আপডেট সময় ০৯:৪৫:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫

 

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতির শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগে ইসরায়েলকে সতর্ক করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এ বিষয়ে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে সরাসরি বার্তা দিয়েছে হোয়াইট হাউস।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে নেতানিয়াহুর প্রতি ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেন। সেখানে তিনি লেখেন, কেউ যদি নিজের বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করতে চান এবং দেখাতে চান যে তিনি কোনো চুক্তির প্রতি সম্মান দেখান না, তবে তিনি অতিথি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে আসতে পারেন। তবে গাজা সংক্রান্ত চুক্তি হওয়ার পর হোয়াইট হাউস কোনোভাবেই এমন কিছু হতে দেবে না, যাতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সুনাম ক্ষুণ্ন হয়।

হোয়াইট হাউসের এই অবস্থান এমন এক সময়ে সামনে এলো, যখন গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকার পরও ইসরায়েলি হামলার অভিযোগ উঠছে।

গত ১০ অক্টোবর গাজায় চলমান সহিংসতা বন্ধে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত ২০ দফার ভিত্তিতে এই সমঝোতায় পৌঁছায় ইসরায়েল ও হামাস। যুদ্ধবিরতির শর্তগুলোর মধ্যে একটি দফায় বিমান হামলা ও গোলাবর্ষণসহ সব ধরনের সামরিক তৎপরতা স্থগিত রাখার কথা বলা হয়েছে।

তবে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার প্রায় দুই মাস পার হলেও ইসরায়েল ও হামাস পরস্পরের বিরুদ্ধে নিয়মিতভাবে চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ করে আসছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় গাজায় প্রায় চার শতাধিক ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

এদিকে ইসরায়েলি বাহিনী এখনো গাজা উপত্যকার অর্ধেকের বেশি এলাকার নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে। মানবিক সংস্থাগুলো জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে ত্রাণ সহায়তা কিছুটা বেড়েছে। তবে ইসরায়েলের বিধিনিষেধ ও নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি এখনো বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে রয়েছে। পাশাপাশি রাফাহ সীমান্ত ক্রসিং পুনরায় চালু করা নিয়েও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে মতবিরোধ অব্যাহত আছে।