০৩:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
প্রকৃতির হাতে আঁকা ভূমি: নর্থ ডাকোটা ব্যাডল্যান্ড সাংবাদিকতার স্বাধীনতা টিকিয়ে রাখতে আর্থিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক স্বনির্ভরতা জরুরি: শফিক রেহমান হাসনাত আব্দুল্লাহর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল চরমোনাইয়ের জন্য শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করবে জামায়াত জোট আইসিসি ভারতীয় কর্মকর্তাকে ভিসা দেয়নি বাংলাদেশ, ভারতীয় মিডিয়ার দাবি একটি দল নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার সুযোগ খুঁজছে: সালাহউদ্দিন আহমদ বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছে : তারেক রহমান আচরণবিধি লঙ্ঘন: অপসাংবাদিকতার শিকার বললেন মামুনুল হক পোস্টাল ব্যালটের ডিজাইনে পরিবর্তন আনছে ইসি গুম ও নির্যাতনের শিকার পরিবারের পাশে তারেক রহমান

দীর্ঘ এক দশক পর চালু হলো ইরাকের মসুল বিমানবন্দর

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৩৫:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই ২০২৫
  • / 86

ছবি সংগৃহীত

 

প্রায় এক দশক পর ধ্বংসস্তূপ থেকে উঠে দাঁড়াল ইরাকের মসুল বিমানবন্দর। ইসলামিক স্টেট (আইএস)-এর ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় ২০১৪ সালে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে যাওয়া এই বিমানবন্দরটি অবশেষে পূর্ণাঙ্গ সংস্কারের পর আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হলো।

বুধবার (১৬ জুলাই) উত্তরাঞ্চলীয় শহর মসুলের এই বিমানবন্দরটির নবনির্মিত অবকাঠামোর উদ্বোধন করেন ইরাকের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ শিয়া আল-সুদানি। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার খবরে বলা হয়েছে, উদ্বোধনের দিন প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী উড়োজাহাজের অবতরণ দিয়েই এর কার্যক্রম শুরু হয়।

বিজ্ঞাপন

প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়, মসুল বিমানবন্দর এখন দেশের অন্যান্য শহর এবং আঞ্চলিক গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্যের সঙ্গে নতুন সংযোগ স্থাপন করবে। এটি উত্তর ইরাকের যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক নতুন দিগন্তের সূচনা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বর্তমানে বিমানবন্দরটির পরিচালক আমার আল-বায়াতি জানিয়েছেন, বিমানবন্দরটি অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক উড়োজাহাজ চলাচলের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত করতে কাজ চলছে। আশা করা যাচ্ছে, আগামী দুই মাসের মধ্যেই এখান থেকে তুরস্ক ও জর্ডানের মতো আন্তর্জাতিক গন্তব্যে ফ্লাইট চালু করা যাবে।

উল্লেখ্য, প্রায় তিন বছর আগে ইরাকের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মুস্তাফা আল-কাজেমি এই বিমানবন্দর পুনর্নির্মাণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন।

২০১৪ সালের জুন মাসে আইএস সশস্ত্রভাবে মসুল শহর দখল করে নেয়। এই শহর থেকেই আইএস তাদের কথিত ‘খেলাফত’ প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেয়। সেই সময় ভয়াবহ দখলদারিত্ব ও সংঘাতের কারণে মসুল শহরের অবকাঠামো ব্যাপকভাবে ধ্বংস হয়। লাখো মানুষ বাস্তুচ্যুত হন, প্রাণ হারান বহু নিরীহ নাগরিক। মসুল বিমানবন্দরও তাদের হামলায় পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

পুনর্গঠনের এই উদ্যোগ শুধু একটি বিমানবন্দর নয়, বরং মসুল শহরের পুনর্জাগরণ ও স্থিতিশীলতার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ইরাক সরকার আশা করছে, এই উন্নয়ন উত্তরাঞ্চলীয় ইরাকের অর্থনীতি, পর্যটন এবং জনজীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

দীর্ঘ এক দশক পর চালু হলো ইরাকের মসুল বিমানবন্দর

আপডেট সময় ০৪:৩৫:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই ২০২৫

 

প্রায় এক দশক পর ধ্বংসস্তূপ থেকে উঠে দাঁড়াল ইরাকের মসুল বিমানবন্দর। ইসলামিক স্টেট (আইএস)-এর ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় ২০১৪ সালে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে যাওয়া এই বিমানবন্দরটি অবশেষে পূর্ণাঙ্গ সংস্কারের পর আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হলো।

বুধবার (১৬ জুলাই) উত্তরাঞ্চলীয় শহর মসুলের এই বিমানবন্দরটির নবনির্মিত অবকাঠামোর উদ্বোধন করেন ইরাকের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ শিয়া আল-সুদানি। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার খবরে বলা হয়েছে, উদ্বোধনের দিন প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী উড়োজাহাজের অবতরণ দিয়েই এর কার্যক্রম শুরু হয়।

বিজ্ঞাপন

প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়, মসুল বিমানবন্দর এখন দেশের অন্যান্য শহর এবং আঞ্চলিক গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্যের সঙ্গে নতুন সংযোগ স্থাপন করবে। এটি উত্তর ইরাকের যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক নতুন দিগন্তের সূচনা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বর্তমানে বিমানবন্দরটির পরিচালক আমার আল-বায়াতি জানিয়েছেন, বিমানবন্দরটি অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক উড়োজাহাজ চলাচলের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত করতে কাজ চলছে। আশা করা যাচ্ছে, আগামী দুই মাসের মধ্যেই এখান থেকে তুরস্ক ও জর্ডানের মতো আন্তর্জাতিক গন্তব্যে ফ্লাইট চালু করা যাবে।

উল্লেখ্য, প্রায় তিন বছর আগে ইরাকের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মুস্তাফা আল-কাজেমি এই বিমানবন্দর পুনর্নির্মাণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন।

২০১৪ সালের জুন মাসে আইএস সশস্ত্রভাবে মসুল শহর দখল করে নেয়। এই শহর থেকেই আইএস তাদের কথিত ‘খেলাফত’ প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেয়। সেই সময় ভয়াবহ দখলদারিত্ব ও সংঘাতের কারণে মসুল শহরের অবকাঠামো ব্যাপকভাবে ধ্বংস হয়। লাখো মানুষ বাস্তুচ্যুত হন, প্রাণ হারান বহু নিরীহ নাগরিক। মসুল বিমানবন্দরও তাদের হামলায় পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

পুনর্গঠনের এই উদ্যোগ শুধু একটি বিমানবন্দর নয়, বরং মসুল শহরের পুনর্জাগরণ ও স্থিতিশীলতার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ইরাক সরকার আশা করছে, এই উন্নয়ন উত্তরাঞ্চলীয় ইরাকের অর্থনীতি, পর্যটন এবং জনজীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।