ঢাকা ১১:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইরান যুদ্ধের পরিবেশগত মূল্য: দুই সপ্তাহেই ৫০ লাখ টন কার্বন নিঃসরণ জামালপুরে সেতু ভেঙে ব্রহ্মপুত্র নদে ডুবে ৪ শিশুর মৃত্যু, নিখোঁজ ১ ঈদের খাবার: মোগল দরবার থেকে বাঙালির ঘরে ইরানের আত্মরক্ষার অধিকার আছে: জাতিসংঘ মনে হয় নির্বাচনের পর দেশের মালিকানা অনেকাংশেই মানুষ ফিরে পেয়েছে: অর্থমন্ত্রী ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় গড়তে চাই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ঈদগাহে প্রধানমন্ত্রীর ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় ঈদে নাড়ির টানে ঘরে ফেরা লোকজনের ওপর চরম জুলুম করা হচ্ছে: শফিকুর রহমান ইরান যুদ্ধে জড়িয়ে বিপাকে ট্রাম্প টিকটকার রাকিব হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন, যেভাবে চলে কিলিং মিশন

গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় নিহত ৬১ ফিলিস্তিনি, আহত বহু

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৩২:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ জুলাই ২০২৫
  • / 184

ছবি সংগৃহীত

 

গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর অব্যাহত হামলায় আবারো রক্তে রঞ্জিত হলো ফিলিস্তিনি জনপদ। মঙ্গলবারের বিভিন্ন হামলায় নিহত হয়েছেন আরও অন্তত ৬১ জন, যাদের মধ্যে রয়েছেন দুইজন ত্রাণপ্রার্থী নারী। আহত হয়েছেন বহু নিরীহ মানুষ।

আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, উত্তর গাজার শাতি শরণার্থী শিবিরে মঙ্গলবার সকালে বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল। ওই হামলায় প্রাণ হারান অন্তত ২৩ জন ফিলিস্তিনি। বোমার আঘাতে আহত হন আরও অনেকে, যাদের অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

আরও পড়ুন  যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান ইসরায়েলের, আমরা দীর্ঘমেয়াদি লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত: হামাস

এদিকে, দক্ষিণ গাজায় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সমর্থিত গাজা হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশন (জিএইচএফ)-এর ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রে গুলি চালায় ইসরায়েলি সেনারা। এতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন দুই ফিলিস্তিনি নারী। আহত হন অন্তত ৩০ জন।

এই ঘটনাসহ জিএইচএফের ত্রাণ সংগ্রহ করতে গিয়ে নিহত ফিলিস্তিনির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৭৫ জনে। মানবিক সহায়তা নিতে গিয়ে বারবার প্রাণ হারাচ্ছেন সাধারণ মানুষ, যা যুদ্ধাপরাধের শামিল বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলো।

ফিলিস্তিনি সিভিল ডিফেন্স জানায়, মঙ্গলবার ভোর থেকেই ইসরায়েলি বিমান হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন আরও অন্তত ১৮ জন। এ ছাড়া আহতদের মধ্যে অনেকেই শিশু এবং নারী।

অন্যদিকে, শিশুদের স্বাস্থ্য পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনআরডাব্লিউএ। সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে, গাজার শিশুদের মধ্যে অপুষ্টির হার আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। অবরোধ, খাবারের সংকট ও বিশুদ্ধ পানির অভাবে শিশুদের জীবন আজ চরম ঝুঁকিতে।

চিকিৎসা, খাদ্য ও নিরাপত্তাহীনতা এক ভয়াবহ মানবিক সংকট তৈরি করেছে গাজায়। যুদ্ধ থামার কোনো লক্ষণ না থাকায় প্রতিদিনই বাড়ছে লাশের মিছিল।

মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, ইসরায়েলের এসব হামলা স্পষ্টতই যুদ্ধাপরাধের শামিল এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জরুরি হস্তক্ষেপ এখন সময়ের দাবি।

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় নিহত ৬১ ফিলিস্তিনি, আহত বহু

আপডেট সময় ১০:৩২:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ জুলাই ২০২৫

 

গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর অব্যাহত হামলায় আবারো রক্তে রঞ্জিত হলো ফিলিস্তিনি জনপদ। মঙ্গলবারের বিভিন্ন হামলায় নিহত হয়েছেন আরও অন্তত ৬১ জন, যাদের মধ্যে রয়েছেন দুইজন ত্রাণপ্রার্থী নারী। আহত হয়েছেন বহু নিরীহ মানুষ।

আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, উত্তর গাজার শাতি শরণার্থী শিবিরে মঙ্গলবার সকালে বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল। ওই হামলায় প্রাণ হারান অন্তত ২৩ জন ফিলিস্তিনি। বোমার আঘাতে আহত হন আরও অনেকে, যাদের অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

আরও পড়ুন  গাইবান্ধায় ছিনতাইকারী সন্দেহে দুজনকে পিটিয়ে হত্যা

এদিকে, দক্ষিণ গাজায় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সমর্থিত গাজা হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশন (জিএইচএফ)-এর ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রে গুলি চালায় ইসরায়েলি সেনারা। এতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন দুই ফিলিস্তিনি নারী। আহত হন অন্তত ৩০ জন।

এই ঘটনাসহ জিএইচএফের ত্রাণ সংগ্রহ করতে গিয়ে নিহত ফিলিস্তিনির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৭৫ জনে। মানবিক সহায়তা নিতে গিয়ে বারবার প্রাণ হারাচ্ছেন সাধারণ মানুষ, যা যুদ্ধাপরাধের শামিল বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলো।

ফিলিস্তিনি সিভিল ডিফেন্স জানায়, মঙ্গলবার ভোর থেকেই ইসরায়েলি বিমান হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন আরও অন্তত ১৮ জন। এ ছাড়া আহতদের মধ্যে অনেকেই শিশু এবং নারী।

অন্যদিকে, শিশুদের স্বাস্থ্য পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনআরডাব্লিউএ। সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে, গাজার শিশুদের মধ্যে অপুষ্টির হার আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। অবরোধ, খাবারের সংকট ও বিশুদ্ধ পানির অভাবে শিশুদের জীবন আজ চরম ঝুঁকিতে।

চিকিৎসা, খাদ্য ও নিরাপত্তাহীনতা এক ভয়াবহ মানবিক সংকট তৈরি করেছে গাজায়। যুদ্ধ থামার কোনো লক্ষণ না থাকায় প্রতিদিনই বাড়ছে লাশের মিছিল।

মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, ইসরায়েলের এসব হামলা স্পষ্টতই যুদ্ধাপরাধের শামিল এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জরুরি হস্তক্ষেপ এখন সময়ের দাবি।