০৭:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
‘বাংলাদেশের পাশে আছে পাকিস্তান, বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে খেলবে না দল: পাকিস্তান স্পিকার না থাকায় এমপিদের শপথ পড়াবেন কে, জেনে নিন বিশ্বে ৭২ শতাংশ মানুষ স্বৈরাচারী শাসনের অধীনে আশুলিয়ায় ৬ মরদেহ পোড়ানো মামলার রায় আজ দ্বিতীয়বারের মতো বাবা হলেন জিয়াউল হক পলাশ ভোট কারচুপির ছক? জামায়াত নেতার নির্দেশে সিল তৈরি—মামলা ও বহিষ্কারে উত্তাল রাজনীতি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যে ভূগর্ভস্থ নতুন ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি প্রকাশ করল ইরান সৌদি লিগের ভেতরের টানাপোড়েন, ম্যাচ বয়কট করলেন রোনালদো জামায়াত আমিরের এক্স ‘হ্যাকড’: গ্রেপ্তার নিয়ে পুলিশের ভেতরে দ্বিমত যুব বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে আফগানিস্তানের বিদায়, ফয়সালের ঐতিহাসিক সেঞ্চুরি কীর্তি

গাজায় ইসরাইলি হামলায় ২৪ ঘন্টায় নিহত অন্তত ৭২ জন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:০০:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ মে ২০২৫
  • / 130

ছবি: সংগৃহীত

 

গাজার পরিস্থিতি দিনদিন আরও ভয়াবহ হয়ে উঠছে। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর টানা হামলায় ফিলিস্তিনে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৪ হাজার ৩২১ জনে। আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১ লাখ ২৩ হাজার ৭৭০ জন। তুর্কি সংবাদমাধ্যম আনাদুলু এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে শনিবার (৩১ মে)।

গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) বিমান হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন আরও অন্তত ৭২ জন ফিলিস্তিনি। এ সময় আহত হয়েছেন ২৭৮ জন।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ধ্বংসস্তূপের নিচে বহু মানুষ আটকে আছেন, যাদের জীবিত না মৃত তা এখনো নিশ্চিত নয়। ফলে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।

এদিকে আন্তর্জাতিক মহল বারবার গাজায় হামলা বন্ধের আহ্বান জানালেও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সাফ জানিয়ে দিয়েছেন এই অভিযান চলবে, যতক্ষণ না হামাস পুরোপুরি দুর্বল ও অকার্যকর হয় এবং ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্ত করা সম্ভব হয়।

এ প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি গাজায় দুই মাসের যুদ্ধবিরতির একটি প্রস্তাবনা দিয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতির প্রথম সপ্তাহেই জীবিত ও মৃত মিলিয়ে ২৮ জন ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দেয়া হবে। এর বদলে ইসরায়েলি কারাগারে আটক থাকা ১ হাজার ২৩৬ জন ফিলিস্তিনি এবং ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে নিহত ১৮০ জনের মরদেহ ফেরত দেয়া হবে।

যুদ্ধবিরতির এই প্রস্তাবে ইসরায়েল সম্মতি জানালেও হামাস এখনো চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়নি। তবে প্রস্তাবে বলা হয়েছে, মিশর ও কাতারের মধ্যস্থতায় এবং সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আশ্বাসে এই যুদ্ধবিরতির নিশ্চয়তা দেয়া হয়েছে।

যদি হামাস প্রস্তাবটি মেনে নেয় এবং স্বাক্ষর করে, তাহলে জাতিসংঘ, রেড ক্রিসেন্ট ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার মাধ্যমে দ্রুত গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

ফলে গাজায় সাময়িক শান্তির কিছুটা সম্ভাবনা তৈরি হলেও যুদ্ধ বন্ধে এখনো রয়েছে বড় অনিশ্চয়তা।

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজায় ইসরাইলি হামলায় ২৪ ঘন্টায় নিহত অন্তত ৭২ জন

আপডেট সময় ১১:০০:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ মে ২০২৫

 

গাজার পরিস্থিতি দিনদিন আরও ভয়াবহ হয়ে উঠছে। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর টানা হামলায় ফিলিস্তিনে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৪ হাজার ৩২১ জনে। আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১ লাখ ২৩ হাজার ৭৭০ জন। তুর্কি সংবাদমাধ্যম আনাদুলু এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে শনিবার (৩১ মে)।

গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) বিমান হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন আরও অন্তত ৭২ জন ফিলিস্তিনি। এ সময় আহত হয়েছেন ২৭৮ জন।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ধ্বংসস্তূপের নিচে বহু মানুষ আটকে আছেন, যাদের জীবিত না মৃত তা এখনো নিশ্চিত নয়। ফলে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।

এদিকে আন্তর্জাতিক মহল বারবার গাজায় হামলা বন্ধের আহ্বান জানালেও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সাফ জানিয়ে দিয়েছেন এই অভিযান চলবে, যতক্ষণ না হামাস পুরোপুরি দুর্বল ও অকার্যকর হয় এবং ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্ত করা সম্ভব হয়।

এ প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি গাজায় দুই মাসের যুদ্ধবিরতির একটি প্রস্তাবনা দিয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতির প্রথম সপ্তাহেই জীবিত ও মৃত মিলিয়ে ২৮ জন ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দেয়া হবে। এর বদলে ইসরায়েলি কারাগারে আটক থাকা ১ হাজার ২৩৬ জন ফিলিস্তিনি এবং ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে নিহত ১৮০ জনের মরদেহ ফেরত দেয়া হবে।

যুদ্ধবিরতির এই প্রস্তাবে ইসরায়েল সম্মতি জানালেও হামাস এখনো চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়নি। তবে প্রস্তাবে বলা হয়েছে, মিশর ও কাতারের মধ্যস্থতায় এবং সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আশ্বাসে এই যুদ্ধবিরতির নিশ্চয়তা দেয়া হয়েছে।

যদি হামাস প্রস্তাবটি মেনে নেয় এবং স্বাক্ষর করে, তাহলে জাতিসংঘ, রেড ক্রিসেন্ট ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার মাধ্যমে দ্রুত গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

ফলে গাজায় সাময়িক শান্তির কিছুটা সম্ভাবনা তৈরি হলেও যুদ্ধ বন্ধে এখনো রয়েছে বড় অনিশ্চয়তা।