ঢাকা ০৮:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকাসহ ৪ বিভাগে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা: বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে আর জড়াবে না যুক্তরাষ্ট্র: ফক্স নিউজকে জেডি ভ্যান্স ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী

কাশ্মীরীদের সিদ্ধান্তে সম্পূর্ণ সমর্থন দেবে পাকিস্তান: রাষ্ট্রদূত

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:১০:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ মে ২০২৫
  • / 128

ছবি সংগৃহীত

 

 

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিদ্যমান যুদ্ধবিরতি অব্যাহত থাকবে এবং এই অঞ্চলেই স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব—এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাই কমিশনার ড. মোহাম্মদ ফয়সাল।

আরও পড়ুন  ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে প্রথমবারের মতো ড্রোন যুদ্ধ, বিশ্বে নজিরবিহীন উত্তেজনা

রোববার (১১ মে) জিও নিউজের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, ব্রিটিশ গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হাই কমিশনার বলেন, ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছাতে যুক্তরাষ্ট্র, সৌদি আরবসহ একাধিক মিত্র দেশের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তিনি তাদের এই অবদানের প্রশংসা করেন।

ড. ফয়সাল জোর দিয়ে বলেন, “দক্ষিণ এশিয়ায় দীর্ঘস্থায়ী শান্তির জন্য কাশ্মীর সমস্যার টেকসই সমাধান প্রয়োজন। এ সমস্যার সমাধান হতে হবে জাতিসংঘের প্রস্তাব এবং কাশ্মীরিদের আকাঙ্ক্ষার ভিত্তিতে।”

তিনি আরও বলেন, “পাকিস্তান সবসময় কাশ্মীরিদের পাশে থেকেছে এবং ভবিষ্যতেও তাদের ইচ্ছাকে সম্মান জানাবে। কিন্তু ভারত কখনো স্পষ্ট করে বলেনি কাশ্মীরের মানুষ আসলে কী চায়।”

পাকিস্তান কি এই অঞ্চলে তার সামরিক উপস্থিতি কমাতে প্রস্তুত—এই প্রশ্নের জবাবে হাই কমিশনার জানান, “আমরা প্রস্তুত। পাকিস্তানের সেনা মোতায়েন কোনো সমস্যা নয়। মূল সমস্যা হলো, ভারত কাশ্মীরের জনগণের মতামত জানতে চায় না। মানুষ যা-ই পছন্দ করুক না কেন, পাকিস্তান তা মেনে নেবে।”

এর আগে শনিবার (১০ মে) বেশ কয়েকদিন ধরে চলা পাল্টাপাল্টি গোলাবর্ষণের পর ভারত ও পাকিস্তান যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ আলোচনা শেষে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছায় দেশ দুটি। মার্কিন সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

দুই পারমাণবিক শক্তিধর দেশের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই কাশ্মীর ইস্যুতে উত্তেজনা বিরাজ করছে। যদিও বিভিন্ন সময়ে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, কিন্তু প্রায়ই সীমান্তে সংঘর্ষের খবর পাওয়া যায়। হাই কমিশনার ফয়সালের মন্তব্য থেকে স্পষ্ট, পাকিস্তান এবার স্থায়ী সমাধানের পক্ষেই অবস্থান নিতে চায়।

এই অঞ্চলের শান্তির জন্য আন্তর্জাতিক মহলের ভূমিকাও আরও জোরদার হওয়া উচিত বলে মত দিয়েছেন বিশ্লেষকরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

কাশ্মীরীদের সিদ্ধান্তে সম্পূর্ণ সমর্থন দেবে পাকিস্তান: রাষ্ট্রদূত

আপডেট সময় ০২:১০:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ মে ২০২৫

 

 

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিদ্যমান যুদ্ধবিরতি অব্যাহত থাকবে এবং এই অঞ্চলেই স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব—এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাই কমিশনার ড. মোহাম্মদ ফয়সাল।

আরও পড়ুন  পাকিস্তান, চ্যাম্পিয়নস ট্রফির আয়োজক হয়েও ফাইনালে কেন অনুপস্থিত? অবাক শোয়েব আখতার

রোববার (১১ মে) জিও নিউজের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, ব্রিটিশ গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হাই কমিশনার বলেন, ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছাতে যুক্তরাষ্ট্র, সৌদি আরবসহ একাধিক মিত্র দেশের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তিনি তাদের এই অবদানের প্রশংসা করেন।

ড. ফয়সাল জোর দিয়ে বলেন, “দক্ষিণ এশিয়ায় দীর্ঘস্থায়ী শান্তির জন্য কাশ্মীর সমস্যার টেকসই সমাধান প্রয়োজন। এ সমস্যার সমাধান হতে হবে জাতিসংঘের প্রস্তাব এবং কাশ্মীরিদের আকাঙ্ক্ষার ভিত্তিতে।”

তিনি আরও বলেন, “পাকিস্তান সবসময় কাশ্মীরিদের পাশে থেকেছে এবং ভবিষ্যতেও তাদের ইচ্ছাকে সম্মান জানাবে। কিন্তু ভারত কখনো স্পষ্ট করে বলেনি কাশ্মীরের মানুষ আসলে কী চায়।”

পাকিস্তান কি এই অঞ্চলে তার সামরিক উপস্থিতি কমাতে প্রস্তুত—এই প্রশ্নের জবাবে হাই কমিশনার জানান, “আমরা প্রস্তুত। পাকিস্তানের সেনা মোতায়েন কোনো সমস্যা নয়। মূল সমস্যা হলো, ভারত কাশ্মীরের জনগণের মতামত জানতে চায় না। মানুষ যা-ই পছন্দ করুক না কেন, পাকিস্তান তা মেনে নেবে।”

এর আগে শনিবার (১০ মে) বেশ কয়েকদিন ধরে চলা পাল্টাপাল্টি গোলাবর্ষণের পর ভারত ও পাকিস্তান যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ আলোচনা শেষে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছায় দেশ দুটি। মার্কিন সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

দুই পারমাণবিক শক্তিধর দেশের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই কাশ্মীর ইস্যুতে উত্তেজনা বিরাজ করছে। যদিও বিভিন্ন সময়ে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, কিন্তু প্রায়ই সীমান্তে সংঘর্ষের খবর পাওয়া যায়। হাই কমিশনার ফয়সালের মন্তব্য থেকে স্পষ্ট, পাকিস্তান এবার স্থায়ী সমাধানের পক্ষেই অবস্থান নিতে চায়।

এই অঞ্চলের শান্তির জন্য আন্তর্জাতিক মহলের ভূমিকাও আরও জোরদার হওয়া উচিত বলে মত দিয়েছেন বিশ্লেষকরা।