১০:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
আচরণবিধি লঙ্ঘন: অপসাংবাদিকতার শিকার বললেন মামুনুল হক পোস্টাল ব্যালটের ডিজাইনে পরিবর্তন আনছে ইসি গুম ও নির্যাতনের শিকার পরিবারের পাশে তারেক রহমান জাতিসংঘের এলডিসি উত্তরণবিষয়ক প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফর স্থগিত ব্রিটিশ নৌবাহিনীর প্রথম স্বয়ংক্রিয় হেলিকপ্টারের সফল প্রথম উড্ডয়ন ৬ কোটি টন ধ্বংসস্তূপের নিচে গা*জা, অপসারণে লাগবে কমপক্ষে সাত বছর ইরানকে ধন্যবাদ জানালেন ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে কঠোর ট্রাম্প: বিরোধী দেশে শুল্ক আরোপের হুমকি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে অপ্রয়োজনীয় বিমান সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে গাজা প্রশাসনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে নতুন বেসামরিক কমিটি গঠন

ইয়েমেনে অভিবাসী আটক কেন্দ্রে মার্কিন বিমান হামলা, নিহত ৬৮: হুতিদের দাবি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৩১:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৫
  • / 81

ছবি সংগৃহীত

 

ইয়েমেনে আফ্রিকান অভিবাসীদের একটি আটক কেন্দ্রে মার্কিন বিমান হামলায় অন্তত ৬৮ জন নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছে হুতি বিদ্রোহীরা। সোমবার (২৮ এপ্রিল) হুতিদের মালিকানাধীন আল-মাসিরাহ টেলিভিশন চ্যানেল এ তথ্য জানিয়েছে।

চ্যানেলটির প্রতিবেদনে বলা হয়, হুতি নিয়ন্ত্রিত শাদা প্রদেশের ওই আটক কেন্দ্রে মার্কিন বিমান হামলায় আরও ৪৭ জন আহত হয়েছেন, যাদের অধিকাংশের অবস্থা আশঙ্কাজনক। হামলার পরপরই প্রচারিত গ্রাফিক ফুটেজে দেখা যায়, ধ্বংসস্তূপের চারপাশে ছড়িয়ে রয়েছে অসংখ্য মৃতদেহ।

বিজ্ঞাপন

মার্কিন সেনাবাহিনী এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

হুতিদের দাবি অনুযায়ী, এই হামলা চালানো হয় মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের একটি ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা পর। ওই ঘোষণায় বলা হয়, ১৫ মার্চ যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুতিদের বিরুদ্ধে বিমান হামলা আরও জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। সেই নির্দেশনার পর থেকে মার্কিন বাহিনী ৮০০টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে।

ঘোষণায় আরও বলা হয়, এইসব হামলায় ‘শত শত হুতি যোদ্ধা এবং শীর্ষস্থানীয় নেতা’ নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন কর্মসূচির দায়িত্বে থাকা উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারাও রয়েছেন।

এছাড়াও হুতিদের নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চলতি মাসের শুরুতে লোহিত সাগরের উপকূলে রাস ইসা তেল টার্মিনালে মার্কিন বিমান হামলায় কমপক্ষে ৭৪ জন নিহত এবং ১৭১ জন আহত হন।

উল্লেখ্য, গত মাসে ট্রাম্প হুতিদের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় বড় আকারের হামলার নির্দেশ দেন এবং হুমকি দেন যে, এই গোষ্ঠীকে ‘সম্পূর্ণরূপে নির্মূল’ করা হবে। একই সঙ্গে তিনি ইরানকে সতর্ক করেন, যেন তারা হুতিদের অস্ত্র না দেয়। যদিও ইরান বারবার এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

শাদা গভর্নরেট, যা হুতিদের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত, সেখানে এই হামলা দেশটির দীর্ঘদিনের গৃহযুদ্ধের সর্বশেষ রক্তক্ষয়ী অধ্যায় হিসেবে দেখা হচ্ছে। এতে ইথিওপিয়া এবং অন্যান্য আফ্রিকান দেশ থেকে আসা অভিবাসীদের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। এসব মানুষ সৌদি আরবে কাজের আশায় ইয়েমেন পাড়ি দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়েছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইয়েমেনে অভিবাসী আটক কেন্দ্রে মার্কিন বিমান হামলা, নিহত ৬৮: হুতিদের দাবি

আপডেট সময় ০৪:৩১:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৫

 

ইয়েমেনে আফ্রিকান অভিবাসীদের একটি আটক কেন্দ্রে মার্কিন বিমান হামলায় অন্তত ৬৮ জন নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছে হুতি বিদ্রোহীরা। সোমবার (২৮ এপ্রিল) হুতিদের মালিকানাধীন আল-মাসিরাহ টেলিভিশন চ্যানেল এ তথ্য জানিয়েছে।

চ্যানেলটির প্রতিবেদনে বলা হয়, হুতি নিয়ন্ত্রিত শাদা প্রদেশের ওই আটক কেন্দ্রে মার্কিন বিমান হামলায় আরও ৪৭ জন আহত হয়েছেন, যাদের অধিকাংশের অবস্থা আশঙ্কাজনক। হামলার পরপরই প্রচারিত গ্রাফিক ফুটেজে দেখা যায়, ধ্বংসস্তূপের চারপাশে ছড়িয়ে রয়েছে অসংখ্য মৃতদেহ।

বিজ্ঞাপন

মার্কিন সেনাবাহিনী এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

হুতিদের দাবি অনুযায়ী, এই হামলা চালানো হয় মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের একটি ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা পর। ওই ঘোষণায় বলা হয়, ১৫ মার্চ যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুতিদের বিরুদ্ধে বিমান হামলা আরও জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। সেই নির্দেশনার পর থেকে মার্কিন বাহিনী ৮০০টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে।

ঘোষণায় আরও বলা হয়, এইসব হামলায় ‘শত শত হুতি যোদ্ধা এবং শীর্ষস্থানীয় নেতা’ নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন কর্মসূচির দায়িত্বে থাকা উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারাও রয়েছেন।

এছাড়াও হুতিদের নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চলতি মাসের শুরুতে লোহিত সাগরের উপকূলে রাস ইসা তেল টার্মিনালে মার্কিন বিমান হামলায় কমপক্ষে ৭৪ জন নিহত এবং ১৭১ জন আহত হন।

উল্লেখ্য, গত মাসে ট্রাম্প হুতিদের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় বড় আকারের হামলার নির্দেশ দেন এবং হুমকি দেন যে, এই গোষ্ঠীকে ‘সম্পূর্ণরূপে নির্মূল’ করা হবে। একই সঙ্গে তিনি ইরানকে সতর্ক করেন, যেন তারা হুতিদের অস্ত্র না দেয়। যদিও ইরান বারবার এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

শাদা গভর্নরেট, যা হুতিদের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত, সেখানে এই হামলা দেশটির দীর্ঘদিনের গৃহযুদ্ধের সর্বশেষ রক্তক্ষয়ী অধ্যায় হিসেবে দেখা হচ্ছে। এতে ইথিওপিয়া এবং অন্যান্য আফ্রিকান দেশ থেকে আসা অভিবাসীদের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। এসব মানুষ সৌদি আরবে কাজের আশায় ইয়েমেন পাড়ি দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়েছিলেন।