ঢাকা ০৪:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ১১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
জিয়ার ঘোষণা জাতিকে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে উজ্জীবিত করে: রাষ্ট্রপতি মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা: যুদ্ধবিরতির আগে ইরানের ৫ শর্ত ঘোষণা চিকিৎসক হিসেবে প্রতিটি শিশুর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে আমি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ফোনের ব্যাটারি চার্জ দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে? বন্ধ করুন এই ৫ ফিচার জ্বালানির বিশ্ববাজারে অস্থিরতা: দুই জাহাজ ডিজেলে ৩৩০ কোটি টাকা বাড়তি ব্যয় ২৫ মার্চের গণহত্যা: ইতিহাস জানাতে জোর দিলেন প্রধানমন্ত্রী মোবাইলে কথা বলতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারাল চালক, খাদে অটোরিকশা—প্রাণ গেল যাত্রীর, আহত ৫ সংঘাতের মাঝে কূটনৈতিক সুর: বিপাকে পড়ে যুদ্ধ থামানোর পথ খুঁজছেন ট্রাম্প প্রতিশ্রুতি দিয়েও ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র হামলার, কথা রাখলেন না ট্রাম্প ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে নিহত ২, আহত অন্তত ৩০

গাজায় ফের রক্তগঙ্গা, ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৬৪ জন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:০৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৫
  • / 168

ছবি সংগৃহীত

 

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর টানা বিমান হামলায় ফের রক্তাক্ত হলো ফিলিস্তিন। শুক্রবার ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চালানো এসব হামলায় অন্তত ৬৪ জন ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, নিহতদের অধিকাংশই গাজা শহর ও উত্তর গাজার বাসিন্দা। বেসামরিক জনগণ, বিশেষ করে নারী ও শিশুরাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

আরও পড়ুন  গাজার ত্রাণকেন্দ্রের কাছে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ২৭

ইসরায়েলি বাহিনী একযোগে গাজার উত্তর, মধ্য ও দক্ষিণাঞ্চলেও ব্যাপক হামলা চালিয়েছে। বিস্ফোরণের বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে পুরো উপত্যকা। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও আটকে আছেন বহু মানুষ। উদ্ধারকর্মীরা প্রাণপণ চেষ্টা চালালেও টানা বোমাবর্ষণের কারণে কাজ ব্যাহত হচ্ছে।

২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি আগ্রাসন ইতোমধ্যে গাজাকে মৃত্যুপুরীতে পরিণত করেছে। সর্বশেষ এই হামলার পর মোট প্রাণহানির সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৫১ হাজার। আহত হয়েছেন প্রায় ১ লাখ ১৭ হাজার মানুষ। এদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যা প্রায় ৫৬ শতাংশ।

মানবাধিকার সংগঠনগুলো এই অব্যাহত হামলাকে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে অভিহিত করছে। তাদের অভিযোগ, আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে ইসরায়েল বারবার বেসামরিক স্থাপনা ও জনগণের ওপর হামলা চালাচ্ছে।

গাজা এখন এক অনিশ্চয়তা আর ভয়াবহতার নাম। প্রতিদিন ভাঙছে ঘরবাড়ি, হারাচ্ছে পরিবার, নিভে যাচ্ছে হাজারো স্বপ্ন। যুদ্ধ বন্ধে বিশ্ব সম্প্রদায়ের কার্যকর ভূমিকার দাবি জানাচ্ছেন সাধারণ মানুষ ও মানবাধিকার কর্মীরা।

তবে ইসরায়েলি সরকার এই অভিযানের পক্ষে বলছে, তারা ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হামাসের বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে। যদিও বাস্তবে সবচেয়ে বড় বলি হচ্ছে গাজার সাধারণ মানুষ।

চোখের সামনে সন্তান হারানো এক মায়ের কান্না যেন গোটা মানবতাকে প্রশ্ন করে এই হত্যাযজ্ঞ আর কতকাল চলবে?

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজায় ফের রক্তগঙ্গা, ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৬৪ জন

আপডেট সময় ১০:০৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৫

 

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর টানা বিমান হামলায় ফের রক্তাক্ত হলো ফিলিস্তিন। শুক্রবার ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চালানো এসব হামলায় অন্তত ৬৪ জন ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, নিহতদের অধিকাংশই গাজা শহর ও উত্তর গাজার বাসিন্দা। বেসামরিক জনগণ, বিশেষ করে নারী ও শিশুরাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

আরও পড়ুন  গাজা ইস্যুতে উত্তপ্ত বৈঠক: নেতানিয়াহুর সামনে বাকবিতণ্ডায় জড়ালেন বেন গভির ও আইডিএফ প্রধান

ইসরায়েলি বাহিনী একযোগে গাজার উত্তর, মধ্য ও দক্ষিণাঞ্চলেও ব্যাপক হামলা চালিয়েছে। বিস্ফোরণের বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে পুরো উপত্যকা। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও আটকে আছেন বহু মানুষ। উদ্ধারকর্মীরা প্রাণপণ চেষ্টা চালালেও টানা বোমাবর্ষণের কারণে কাজ ব্যাহত হচ্ছে।

২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি আগ্রাসন ইতোমধ্যে গাজাকে মৃত্যুপুরীতে পরিণত করেছে। সর্বশেষ এই হামলার পর মোট প্রাণহানির সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৫১ হাজার। আহত হয়েছেন প্রায় ১ লাখ ১৭ হাজার মানুষ। এদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যা প্রায় ৫৬ শতাংশ।

মানবাধিকার সংগঠনগুলো এই অব্যাহত হামলাকে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে অভিহিত করছে। তাদের অভিযোগ, আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে ইসরায়েল বারবার বেসামরিক স্থাপনা ও জনগণের ওপর হামলা চালাচ্ছে।

গাজা এখন এক অনিশ্চয়তা আর ভয়াবহতার নাম। প্রতিদিন ভাঙছে ঘরবাড়ি, হারাচ্ছে পরিবার, নিভে যাচ্ছে হাজারো স্বপ্ন। যুদ্ধ বন্ধে বিশ্ব সম্প্রদায়ের কার্যকর ভূমিকার দাবি জানাচ্ছেন সাধারণ মানুষ ও মানবাধিকার কর্মীরা।

তবে ইসরায়েলি সরকার এই অভিযানের পক্ষে বলছে, তারা ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হামাসের বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে। যদিও বাস্তবে সবচেয়ে বড় বলি হচ্ছে গাজার সাধারণ মানুষ।

চোখের সামনে সন্তান হারানো এক মায়ের কান্না যেন গোটা মানবতাকে প্রশ্ন করে এই হত্যাযজ্ঞ আর কতকাল চলবে?