০৬:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
‘বাংলাদেশের পাশে আছে পাকিস্তান, বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে খেলবে না দল: পাকিস্তান স্পিকার না থাকায় এমপিদের শপথ পড়াবেন কে, জেনে নিন বিশ্বে ৭২ শতাংশ মানুষ স্বৈরাচারী শাসনের অধীনে আশুলিয়ায় ৬ মরদেহ পোড়ানো মামলার রায় আজ দ্বিতীয়বারের মতো বাবা হলেন জিয়াউল হক পলাশ ভোট কারচুপির ছক? জামায়াত নেতার নির্দেশে সিল তৈরি—মামলা ও বহিষ্কারে উত্তাল রাজনীতি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যে ভূগর্ভস্থ নতুন ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি প্রকাশ করল ইরান সৌদি লিগের ভেতরের টানাপোড়েন, ম্যাচ বয়কট করলেন রোনালদো জামায়াত আমিরের এক্স ‘হ্যাকড’: গ্রেপ্তার নিয়ে পুলিশের ভেতরে দ্বিমত যুব বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে আফগানিস্তানের বিদায়, ফয়সালের ঐতিহাসিক সেঞ্চুরি কীর্তি

যুদ্ধবিরতিতে ফিলিস্তিনিদের ‘না’, প্রস্তাবে যা বলেছে ইসরায়েল

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৩৩:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৫
  • / 86

ছবি সংগৃহীত

 

গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছে ইসরায়েল। তবে এ প্রস্তাব আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামীদের সংগঠন হামাস।

শুক্রবার (১৮ এপ্রিল) বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজায় চলমান যুদ্ধবিরতি ও বন্দিবিনিময় চুক্তি নিয়ে আলোচনা জোরদারের প্রস্তাব দিলেও হামাসের প্রধান আলোচক খলিল আল-হায়্যা এক ভিডিও বার্তায় বলেন, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নে আংশিক চুক্তি আমরা মানব না।

ইসরায়েলের প্রস্তাব অনুযায়ী, ৪৫ দিনের যুদ্ধবিরতির বিনিময়ে ১০ জিম্মিকে মুক্তির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে হামাস দাবি করেছে, সব ইসরায়েলি বন্দির বিনিময়ে ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তি এবং যুদ্ধের সম্পূর্ণ সমাপ্তির শর্তে আলোচনা করতে প্রস্তুত তারা। বর্তমানে গাজায় ৫৯ জন ইসরায়েলি নাগরিক আটক রয়েছেন, যাদের মধ্যে ২৪ জন জীবিত বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোত্রিচ হামাসের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের ঘোষণা দিয়ে বলেন, এখনই সময় হামাসের বিরুদ্ধে ‘জাহান্নামের দরজা খুলে দেওয়ার’। গত কয়েকদিনে ইসরায়েলি বিমান হামলায় গাজার আল-মাওয়াসি এলাকায় অন্তত ৩৭ জন বেসামরিক নিহত হয়েছেন। নিহতদের বেশিরভাগ বাস্তুচ্যুত নারী ও শিশু। স্থানীয়রা জানান, বিস্ফোরণের পর তাঁবুতে আগুন ধরে যায়, যা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এই হামলার বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে বলে জানিয়েছে।

গাজায় ইসরায়েলের নিষেধাজ্ঞার কারণে ত্রাণ সহায়তা প্রায় বন্ধ হওয়ার পথে। ১২টি আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থা সতর্ক করে জানিয়েছে, গাজায় মানবিক ব্যবস্থা ধসে পড়তে চলেছে। অন্যদিকে ইসরায়েল দাবি করেছে, হামাসের চাপে নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে এবং সাহায্যের কোনো ঘাটতি নেই।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলায় ইসরায়েলে ১,২০০ নিহত ও ২৫১ জনকে জিম্মি করা হয়। এর জবাবে ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে গাজায় এখন পর্যন্ত ৫১ হাজার ৬৫ জন নিহত হয়েছেন বলে হামাস-নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

যুদ্ধবিরতিতে ফিলিস্তিনিদের ‘না’, প্রস্তাবে যা বলেছে ইসরায়েল

আপডেট সময় ০৫:৩৩:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৫

 

গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছে ইসরায়েল। তবে এ প্রস্তাব আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামীদের সংগঠন হামাস।

শুক্রবার (১৮ এপ্রিল) বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজায় চলমান যুদ্ধবিরতি ও বন্দিবিনিময় চুক্তি নিয়ে আলোচনা জোরদারের প্রস্তাব দিলেও হামাসের প্রধান আলোচক খলিল আল-হায়্যা এক ভিডিও বার্তায় বলেন, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নে আংশিক চুক্তি আমরা মানব না।

ইসরায়েলের প্রস্তাব অনুযায়ী, ৪৫ দিনের যুদ্ধবিরতির বিনিময়ে ১০ জিম্মিকে মুক্তির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে হামাস দাবি করেছে, সব ইসরায়েলি বন্দির বিনিময়ে ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তি এবং যুদ্ধের সম্পূর্ণ সমাপ্তির শর্তে আলোচনা করতে প্রস্তুত তারা। বর্তমানে গাজায় ৫৯ জন ইসরায়েলি নাগরিক আটক রয়েছেন, যাদের মধ্যে ২৪ জন জীবিত বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোত্রিচ হামাসের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের ঘোষণা দিয়ে বলেন, এখনই সময় হামাসের বিরুদ্ধে ‘জাহান্নামের দরজা খুলে দেওয়ার’। গত কয়েকদিনে ইসরায়েলি বিমান হামলায় গাজার আল-মাওয়াসি এলাকায় অন্তত ৩৭ জন বেসামরিক নিহত হয়েছেন। নিহতদের বেশিরভাগ বাস্তুচ্যুত নারী ও শিশু। স্থানীয়রা জানান, বিস্ফোরণের পর তাঁবুতে আগুন ধরে যায়, যা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এই হামলার বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে বলে জানিয়েছে।

গাজায় ইসরায়েলের নিষেধাজ্ঞার কারণে ত্রাণ সহায়তা প্রায় বন্ধ হওয়ার পথে। ১২টি আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থা সতর্ক করে জানিয়েছে, গাজায় মানবিক ব্যবস্থা ধসে পড়তে চলেছে। অন্যদিকে ইসরায়েল দাবি করেছে, হামাসের চাপে নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে এবং সাহায্যের কোনো ঘাটতি নেই।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলায় ইসরায়েলে ১,২০০ নিহত ও ২৫১ জনকে জিম্মি করা হয়। এর জবাবে ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে গাজায় এখন পর্যন্ত ৫১ হাজার ৬৫ জন নিহত হয়েছেন বলে হামাস-নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।