ঢাকা ০৭:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ১১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঈদুল ফিতর শেষে স্বস্তিতে রাজধানীতে ফিরছে মানুষ জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে জরুরি বৈঠক ময়মনসিংহে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ভাইয়ের হাতে ভাই খুন মোদিকে ‘সবচেয়ে বড় অনুপ্রবেশকারী’ বলে মমতার তীব্র কটাক্ষ আজ রাতে, কখন ১ মিনিট অন্ধকারে থাকবে সারাদেশ জিয়ার ঘোষণা জাতিকে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে উজ্জীবিত করে: রাষ্ট্রপতি মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা: যুদ্ধবিরতির আগে ইরানের ৫ শর্ত ঘোষণা চিকিৎসক হিসেবে প্রতিটি শিশুর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে আমি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ফোনের ব্যাটারি চার্জ দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে? বন্ধ করুন এই ৫ ফিচার জ্বালানির বিশ্ববাজারে অস্থিরতা: দুই জাহাজ ডিজেলে ৩৩০ কোটি টাকা বাড়তি ব্যয়

রাশিয়ার পক্ষে চীনা নাগরিকেরা যুদ্ধ করছে, অভিযোগ ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৪১:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ এপ্রিল ২০২৫
  • / 169

ছবি সংগৃহীত

 

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন চীনের একাধিক নাগরিক রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নিচ্ছেন। বুধবার তিনি জানান, ইউক্রেনের সেনাবাহিনী ইতিমধ্যে দুইজন চীনা যোদ্ধাকে আটক করেছে, যারা রাশিয়ার পক্ষে যুদ্ধ করছিল।

জেলেনস্কির ভাষ্য অনুযায়ী, ইউক্রেনের হাতে এমন তথ্য ও প্রমাণ রয়েছে, যা থেকে জানা যাচ্ছে রাশিয়ার দলে আরও বহু চীনা নাগরিক সক্রিয়ভাবে জড়িত রয়েছেন। এমনকি আটক হওয়া ব্যক্তিদের জবানবন্দি ও দালিলিক প্রমাণ থেকে ধারণা করা হচ্ছে, চীনের সরকার এ বিষয়ে অবগত এবং সম্ভবত তাদের সম্মতি নিয়েই এসব নাগরিক রাশিয়ার হয়ে যুদ্ধে অংশ নিচ্ছেন।

আরও পড়ুন  “ওসির বিরুদ্ধে অভিযোগ” অপসারণ চাইলেন ইশরাক

তিনি আরও জানান, ইউক্রেনের কাছে ১৫৫ জন চীনা নাগরিকের নাম, পাসপোর্ট নম্বর এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য রয়েছে, যারা রাশিয়ার পক্ষে যুদ্ধ করছে। এসব যোদ্ধাদের সংগ্রহে আনতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিশেষ প্রচার চালানো হচ্ছে, যেখানে চীনা নাগরিকদের রাশিয়ার সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

এই প্রসঙ্গে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আগে থেকেই জানিয়েছিল, তারা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং নিজেদের নাগরিকদের সতর্ক করে দিয়েছে অন্য কোনো দেশের সেনাবাহিনীতে যোগ না দিতে। তবে জেলেনস্কির সাম্প্রতিক অভিযোগের পর বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া আসেনি।

বিশ্লেষকদের মতে, বিষয়টি শুধু ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধের পরিসর নয়, বরং আন্তর্জাতিক রাজনীতির ওপরও বড় প্রভাব ফেলতে পারে। যদি চীনা নাগরিকদের অংশগ্রহণ বেইজিংয়ের অনুমোদনেই হয়ে থাকে, তাহলে এ ঘটনাকে যুদ্ধের চক্র বিস্তারের ইঙ্গিত হিসেবেই দেখা যেতে পারে।

চীন-রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এবং ইউক্রেন যুদ্ধকে কেন্দ্র করে চীনের অবস্থান নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে যে কূটনৈতিক চাপ তৈরি হয়েছিল, তা নতুন করে বাড়তে পারে এই অভিযোগের পর। ইউক্রেন এখন চায়, বিষয়টি নিয়ে আন্তর্জাতিক তদন্ত হোক এবং যুদ্ধ পরিস্থিতিকে ঘোলাটে না করে চীন যেন আরও স্পষ্ট অবস্থান নেয়।

এদিকে রাশিয়ার তরফ থেকেও এ অভিযোগ নিয়ে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। ইউক্রেন অবশ্য জানিয়ে দিয়েছে, বিদেশি যোদ্ধা নিয়োগ বন্ধ না হলে তারা বিষয়টি আন্তর্জাতিক ফোরামে তুলবে।

বিষয় :

নিউজটি শেয়ার করুন

রাশিয়ার পক্ষে চীনা নাগরিকেরা যুদ্ধ করছে, অভিযোগ ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের

আপডেট সময় ১২:৪১:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ এপ্রিল ২০২৫

 

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন চীনের একাধিক নাগরিক রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নিচ্ছেন। বুধবার তিনি জানান, ইউক্রেনের সেনাবাহিনী ইতিমধ্যে দুইজন চীনা যোদ্ধাকে আটক করেছে, যারা রাশিয়ার পক্ষে যুদ্ধ করছিল।

জেলেনস্কির ভাষ্য অনুযায়ী, ইউক্রেনের হাতে এমন তথ্য ও প্রমাণ রয়েছে, যা থেকে জানা যাচ্ছে রাশিয়ার দলে আরও বহু চীনা নাগরিক সক্রিয়ভাবে জড়িত রয়েছেন। এমনকি আটক হওয়া ব্যক্তিদের জবানবন্দি ও দালিলিক প্রমাণ থেকে ধারণা করা হচ্ছে, চীনের সরকার এ বিষয়ে অবগত এবং সম্ভবত তাদের সম্মতি নিয়েই এসব নাগরিক রাশিয়ার হয়ে যুদ্ধে অংশ নিচ্ছেন।

আরও পড়ুন  সিন্ডিকেটের ফাঁদে কৃষি ভর্তুকি, অভিযোগে মুখর কৃষক সমাজ

তিনি আরও জানান, ইউক্রেনের কাছে ১৫৫ জন চীনা নাগরিকের নাম, পাসপোর্ট নম্বর এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য রয়েছে, যারা রাশিয়ার পক্ষে যুদ্ধ করছে। এসব যোদ্ধাদের সংগ্রহে আনতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিশেষ প্রচার চালানো হচ্ছে, যেখানে চীনা নাগরিকদের রাশিয়ার সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

এই প্রসঙ্গে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আগে থেকেই জানিয়েছিল, তারা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং নিজেদের নাগরিকদের সতর্ক করে দিয়েছে অন্য কোনো দেশের সেনাবাহিনীতে যোগ না দিতে। তবে জেলেনস্কির সাম্প্রতিক অভিযোগের পর বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া আসেনি।

বিশ্লেষকদের মতে, বিষয়টি শুধু ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধের পরিসর নয়, বরং আন্তর্জাতিক রাজনীতির ওপরও বড় প্রভাব ফেলতে পারে। যদি চীনা নাগরিকদের অংশগ্রহণ বেইজিংয়ের অনুমোদনেই হয়ে থাকে, তাহলে এ ঘটনাকে যুদ্ধের চক্র বিস্তারের ইঙ্গিত হিসেবেই দেখা যেতে পারে।

চীন-রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এবং ইউক্রেন যুদ্ধকে কেন্দ্র করে চীনের অবস্থান নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে যে কূটনৈতিক চাপ তৈরি হয়েছিল, তা নতুন করে বাড়তে পারে এই অভিযোগের পর। ইউক্রেন এখন চায়, বিষয়টি নিয়ে আন্তর্জাতিক তদন্ত হোক এবং যুদ্ধ পরিস্থিতিকে ঘোলাটে না করে চীন যেন আরও স্পষ্ট অবস্থান নেয়।

এদিকে রাশিয়ার তরফ থেকেও এ অভিযোগ নিয়ে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। ইউক্রেন অবশ্য জানিয়ে দিয়েছে, বিদেশি যোদ্ধা নিয়োগ বন্ধ না হলে তারা বিষয়টি আন্তর্জাতিক ফোরামে তুলবে।