ঢাকা ০১:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নেপালে আন্তর্জাতিক জুডো চ্যাম্পিয়নশিপে বিকেএসপি’র অভাবনীয় সাফল্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অভিনন্দন। কুমিল্লায় বাস-ট্রেন সংঘর্ষে শিশু-নারীসহ নিহত ১২ ফেনীতে ত্রিমুখী সংঘর্ষ: বাস-অ্যাম্বুলেন্স-মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ৩ ঈদের দিনে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা: জামালপুরে ভেঙে পড়ল ড্রাম ব্রিজ, নিহত ৫ ইরান যুদ্ধের পরিবেশগত মূল্য: দুই সপ্তাহেই ৫০ লাখ টন কার্বন নিঃসরণ জামালপুরে সেতু ভেঙে ব্রহ্মপুত্র নদে ডুবে ৪ শিশুর মৃত্যু, নিখোঁজ ১ ঈদের খাবার: মোগল দরবার থেকে বাঙালির ঘরে ইরানের আত্মরক্ষার অধিকার আছে: জাতিসংঘ মনে হয় নির্বাচনের পর দেশের মালিকানা অনেকাংশেই মানুষ ফিরে পেয়েছে: অর্থমন্ত্রী ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় গড়তে চাই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপে বড় ধাক্কা নয়, আত্মবিশ্বাসী অর্থ উপদেষ্টা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:০৪:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫
  • / 151

ছবি সংগৃহীত

 

 

যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন বাংলাদেশি পণ্যের ওপর নতুন করে শুল্ক আরোপ করলেও তা খুব বেশি সমস্যার সৃষ্টি করবে না বলে আশাবাদ জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।

আরও পড়ুন  চাকরি সংশোধন অধ্যাদেশ বাতিলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত উপদেষ্টার ফেরার পর: ভূমি সচিব

রোববার (৬ এপ্রিল) ঈদের ছুটি শেষে সচিবালয়ে প্রথম কর্মদিবসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, “আমরা এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে পারব। আমাদের অর্থনীতি এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি স্থিতিশীল।”

ড. সালেহউদ্দিন বলেন, “গত মার্চ মাসে ৩ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে, যা অর্থনীতির জন্য একটি বড় ইতিবাচক বার্তা। এতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভেও ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে।”

তিনি মনে করেন, দেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক অবস্থা অনেকটাই ভালো আছে এবং মানুষের কেনাকাটার সক্ষমতা বেড়েছে। “এবার ঈদে মানুষ সন্তুষ্টভাবে সময় কাটিয়েছে। বাজারে ভিড় ছিল, কেনাকাটাও হয়েছে ভালো। এটা অর্থনীতির শক্তি নির্দেশ করে,” বলেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কনীতি সম্পর্কে তিনি বলেন, “ট্রাম্প প্রশাসনের এ ধরনের নীতি প্রথম নয়। অতীতেও বিভিন্ন সময় এ ধরনের সিদ্ধান্ত এসেছে, আমরা তা সফলভাবে সামাল দিয়েছি। এবারও পারব।”

তিনি আরও যোগ করেন, “বাংলাদেশের পণ্য আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক। আমরা যদি গুণগত মান বজায় রাখি, নতুন বাজার খুঁজি এবং বিদ্যমান বাজারে আমাদের অবস্থান দৃঢ় করি, তাহলে এ ধরনের চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করাই সম্ভব।”

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এ ধরনের পরিস্থিতিতে সরকার ও বেসরকারি খাতের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো এবং রপ্তানিমুখী খাতকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

সব মিলিয়ে, যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপকে সরকার কঠিন চ্যালেঞ্জ হিসেবে না দেখলেও, আগেভাগেই পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে চলার ওপর জোর দিচ্ছেন নীতিনির্ধারকরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপে বড় ধাক্কা নয়, আত্মবিশ্বাসী অর্থ উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০১:০৪:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫

 

 

যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন বাংলাদেশি পণ্যের ওপর নতুন করে শুল্ক আরোপ করলেও তা খুব বেশি সমস্যার সৃষ্টি করবে না বলে আশাবাদ জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।

আরও পড়ুন  শুল্কযুদ্ধে নতুন মোড়, চীন-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার বিভ্রান্তি

রোববার (৬ এপ্রিল) ঈদের ছুটি শেষে সচিবালয়ে প্রথম কর্মদিবসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, “আমরা এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে পারব। আমাদের অর্থনীতি এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি স্থিতিশীল।”

ড. সালেহউদ্দিন বলেন, “গত মার্চ মাসে ৩ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে, যা অর্থনীতির জন্য একটি বড় ইতিবাচক বার্তা। এতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভেও ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে।”

তিনি মনে করেন, দেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক অবস্থা অনেকটাই ভালো আছে এবং মানুষের কেনাকাটার সক্ষমতা বেড়েছে। “এবার ঈদে মানুষ সন্তুষ্টভাবে সময় কাটিয়েছে। বাজারে ভিড় ছিল, কেনাকাটাও হয়েছে ভালো। এটা অর্থনীতির শক্তি নির্দেশ করে,” বলেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কনীতি সম্পর্কে তিনি বলেন, “ট্রাম্প প্রশাসনের এ ধরনের নীতি প্রথম নয়। অতীতেও বিভিন্ন সময় এ ধরনের সিদ্ধান্ত এসেছে, আমরা তা সফলভাবে সামাল দিয়েছি। এবারও পারব।”

তিনি আরও যোগ করেন, “বাংলাদেশের পণ্য আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক। আমরা যদি গুণগত মান বজায় রাখি, নতুন বাজার খুঁজি এবং বিদ্যমান বাজারে আমাদের অবস্থান দৃঢ় করি, তাহলে এ ধরনের চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করাই সম্ভব।”

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এ ধরনের পরিস্থিতিতে সরকার ও বেসরকারি খাতের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো এবং রপ্তানিমুখী খাতকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

সব মিলিয়ে, যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপকে সরকার কঠিন চ্যালেঞ্জ হিসেবে না দেখলেও, আগেভাগেই পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে চলার ওপর জোর দিচ্ছেন নীতিনির্ধারকরা।