০৯:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
প্রিসাইডিং অফিসার যাতে ভোটের রেজাল্ট ছাড়া বের হতে না পারে: মির্জা আব্বাস বিএনপি কাজে বিশ্বাসী, সমালোচনার রাজনীতিতে নয়: মির্জা ফখরুল গাজিয়াবাদে ৯ তলা থেকে লাফ দিয়ে ৩ বোনের মর্মান্তিক মৃত্যু শাকিবের সঙ্গে ‘প্রেম’ নিয়ে মুখ খুললেন ফারিয়া ত্রিশালে যমুনা এক্সপ্রেসের ধাক্কায় ট্রাক দুমড়ে যাওয়ায় চালক আহত নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে ২২ সেনাসহ নিহত ২৫৫ জন জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন স্থগিত: ইসি সচিব আরব সাগরে ইরানি ড্রোনকে ধ্বংস করল মার্কিন এফ-৩৫সি যুদ্ধবিমান কোচিং সেন্টার বন্ধসহ নানা নিয়মের শিক্ষা আইনের খসড়া প্রস্তুত মন্দিরের জায়গায় শৌচাগার: জবিতে দিনভর বিক্ষোভের পর শিক্ষার্থীদের মন্দির ‘উদ্বোধন’

সেন্টমার্টিনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে তিনটি রিসোর্ট পুড়ে ছাই

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:২৭:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৫
  • / 114

ছবি সংগৃহীত

 

 

প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে তিনটি রিসোর্ট সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে দ্বীপের পশ্চিম সৈকতের গলাচিপা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান জানান, আগুনে শায়রী, বিচ ভ্যালি ও কিংশুক রিসোর্ট পুড়ে যায়। তবে সৌভাগ্যবশত কোনো পর্যটক বা স্থানীয় বাসিন্দা হতাহত হয়নি। উন্নতমানের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা না থাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বেগ পেতে হয়।

দ্বীপের বাসিন্দা আব্দুল মালেক জানান, দ্বীপের বর্জ্য পোড়ানোর স্থান থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। সেন্টমার্টিনে ফায়ার সার্ভিসের অনুপস্থিতি এই ক্ষতির মাত্রা বাড়িয়ে দিয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তরা দ্রুত পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন। সেন্টমার্টিনের মতো গুরুত্বপূর্ণ পর্যটনস্থানে আধুনিক অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা স্থাপনের প্রয়োজনীয়তার কথাও জোরালোভাবে উঠে আসছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

সেন্টমার্টিনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে তিনটি রিসোর্ট পুড়ে ছাই

আপডেট সময় ১০:২৭:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৫

 

 

প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে তিনটি রিসোর্ট সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে দ্বীপের পশ্চিম সৈকতের গলাচিপা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান জানান, আগুনে শায়রী, বিচ ভ্যালি ও কিংশুক রিসোর্ট পুড়ে যায়। তবে সৌভাগ্যবশত কোনো পর্যটক বা স্থানীয় বাসিন্দা হতাহত হয়নি। উন্নতমানের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা না থাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বেগ পেতে হয়।

দ্বীপের বাসিন্দা আব্দুল মালেক জানান, দ্বীপের বর্জ্য পোড়ানোর স্থান থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। সেন্টমার্টিনে ফায়ার সার্ভিসের অনুপস্থিতি এই ক্ষতির মাত্রা বাড়িয়ে দিয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তরা দ্রুত পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন। সেন্টমার্টিনের মতো গুরুত্বপূর্ণ পর্যটনস্থানে আধুনিক অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা স্থাপনের প্রয়োজনীয়তার কথাও জোরালোভাবে উঠে আসছে।