ঢাকা ০১:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ১০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
প্রতিশ্রুতি দিয়েও ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র হামলার, কথা রাখলেন না ট্রাম্প ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে নিহত ২, আহত অন্তত ৩০ যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলায় ইরাকে ১৫ জন নিহত,আহত অন্তত ৩০ জুলাইযোদ্ধাদের দায়মুক্তিতে একমত সংসদীয় কমিটি অপরাধ দমনে চালু হচ্ছে ‘হটলাইন’: প্রতিমন্ত্রী পুতুল দেশে জ্বালানি মজুত নিয়ে আশ্বাস, তবে সরবরাহে চাপ ও অনিশ্চয়তা বাড়ছে সারাদেশের পেট্রোল পাম্প যে কোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে তেল-নিত্যপণ্যের দাম বাড়তে পারে: সতর্কবার্তা মির্জা ফখরুলের পাবনায় বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে গৃহবধূ নিহত, আহত ১০ আলটিমেটাম শেষ হওয়ার আগেই ভোল পাল্টালেন ট্রাম্প

এবারের বাজেট আকারে বড় নয়, কিন্তু বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে: অর্থ উপদেষ্টা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৪৯:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ মার্চ ২০২৫
  • / 179

ছবি সংগৃহীত

 

আগামী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট অহেতুক বড় করা হবে না, বরং বাস্তবসম্মত ও জনকল্যাণমুখী হবে বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। বাজেটে উন্নয়ন খাতে অপ্রয়োজনীয় প্রকল্পের ঠাঁই হবে না, বরং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির দিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

বুধবার অর্থ মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত বাজেট আলোচনা সভায় দেশের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম সম্পাদক ও সিনিয়র সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন অর্থ উপদেষ্টা। সেখানে অর্থনীতির বর্তমান সংকট, বাজেট বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ ও করণীয় নিয়ে আলোচনা হয়। সাংবাদিকরা মনে করেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দক্ষতার সঙ্গে অর্থনৈতিক ধাক্কা সামাল দিতে সক্ষম হয়েছে, তবে দীর্ঘমেয়াদে অপচয় রোধ ও কাঠামোগত সংস্কার জরুরি।

আরও পড়ুন  জুনেই ঘোষণা করা হবে নতুন বাজেট, জানালেন অর্থ উপদেষ্টা

অর্থ উপদেষ্টা বলেন, শুধু বাজেটের আকার বাড়ানোই সমাধান নয়, বরং অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করাই মূল চ্যালেঞ্জ। গৃহস্থালি শ্রমের অর্থনৈতিক স্বীকৃতি, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও সামাজিক বৈষম্য কমানোর মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো বাজেটে প্রাধান্য পাবে।

তিনি জানান, এমন একটি বাজেট করা হবে, যা কোনো রাজনৈতিক সরকার পরিবর্তনের পরেও টিকিয়ে রাখতে বাধ্য হবে। সামাজিক নিরাপত্তা খাতে সুবিধাভোগীদের ভাতা বাড়ানো হবে, যাতে নিম্নআয়ের জনগোষ্ঠী অর্থনৈতিক সুরক্ষা পায়। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, ব্যাংকিং খাতে স্থিতিশীলতা এবং জাতীয় আয়ের প্রবৃদ্ধি ধরে রাখার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পাবে।

এনবিআরসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সংস্কারের কাজ শুরু হবে, যা ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। আগামী অর্থবছরের বাজেট হবে এমন, যা দেশকে টেকসই অর্থনীতির দিকে এগিয়ে নেবে।

অর্থ উপদেষ্টা আরও জানান, ২০২৬ সালের মধ্যেই বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উত্তরণের পথে আরও দৃঢ় হবে। সেই লক্ষ্য সামনে রেখে বাজেট প্রণয়ন করা হচ্ছে, যাতে দেশের অর্থনীতি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারে। সরকারের পরিকল্পনা হলো, উন্নয়ন ব্যয় যথাযথভাবে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা।

নিউজটি শেয়ার করুন

এবারের বাজেট আকারে বড় নয়, কিন্তু বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে: অর্থ উপদেষ্টা

আপডেট সময় ১০:৪৯:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ মার্চ ২০২৫

 

আগামী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট অহেতুক বড় করা হবে না, বরং বাস্তবসম্মত ও জনকল্যাণমুখী হবে বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। বাজেটে উন্নয়ন খাতে অপ্রয়োজনীয় প্রকল্পের ঠাঁই হবে না, বরং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির দিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

বুধবার অর্থ মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত বাজেট আলোচনা সভায় দেশের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম সম্পাদক ও সিনিয়র সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন অর্থ উপদেষ্টা। সেখানে অর্থনীতির বর্তমান সংকট, বাজেট বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ ও করণীয় নিয়ে আলোচনা হয়। সাংবাদিকরা মনে করেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দক্ষতার সঙ্গে অর্থনৈতিক ধাক্কা সামাল দিতে সক্ষম হয়েছে, তবে দীর্ঘমেয়াদে অপচয় রোধ ও কাঠামোগত সংস্কার জরুরি।

আরও পড়ুন  ডিসেম্বর থেকেই জাতীয় গ্রিডে রূপপুর বিদ্যুৎ: অর্থ উপদেষ্টা

অর্থ উপদেষ্টা বলেন, শুধু বাজেটের আকার বাড়ানোই সমাধান নয়, বরং অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করাই মূল চ্যালেঞ্জ। গৃহস্থালি শ্রমের অর্থনৈতিক স্বীকৃতি, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও সামাজিক বৈষম্য কমানোর মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো বাজেটে প্রাধান্য পাবে।

তিনি জানান, এমন একটি বাজেট করা হবে, যা কোনো রাজনৈতিক সরকার পরিবর্তনের পরেও টিকিয়ে রাখতে বাধ্য হবে। সামাজিক নিরাপত্তা খাতে সুবিধাভোগীদের ভাতা বাড়ানো হবে, যাতে নিম্নআয়ের জনগোষ্ঠী অর্থনৈতিক সুরক্ষা পায়। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, ব্যাংকিং খাতে স্থিতিশীলতা এবং জাতীয় আয়ের প্রবৃদ্ধি ধরে রাখার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পাবে।

এনবিআরসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সংস্কারের কাজ শুরু হবে, যা ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। আগামী অর্থবছরের বাজেট হবে এমন, যা দেশকে টেকসই অর্থনীতির দিকে এগিয়ে নেবে।

অর্থ উপদেষ্টা আরও জানান, ২০২৬ সালের মধ্যেই বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উত্তরণের পথে আরও দৃঢ় হবে। সেই লক্ষ্য সামনে রেখে বাজেট প্রণয়ন করা হচ্ছে, যাতে দেশের অর্থনীতি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারে। সরকারের পরিকল্পনা হলো, উন্নয়ন ব্যয় যথাযথভাবে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা।