ঢাকা ১১:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইরান যুদ্ধের পরিবেশগত মূল্য: দুই সপ্তাহেই ৫০ লাখ টন কার্বন নিঃসরণ জামালপুরে সেতু ভেঙে ব্রহ্মপুত্র নদে ডুবে ৪ শিশুর মৃত্যু, নিখোঁজ ১ ঈদের খাবার: মোগল দরবার থেকে বাঙালির ঘরে ইরানের আত্মরক্ষার অধিকার আছে: জাতিসংঘ মনে হয় নির্বাচনের পর দেশের মালিকানা অনেকাংশেই মানুষ ফিরে পেয়েছে: অর্থমন্ত্রী ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় গড়তে চাই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ঈদগাহে প্রধানমন্ত্রীর ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় ঈদে নাড়ির টানে ঘরে ফেরা লোকজনের ওপর চরম জুলুম করা হচ্ছে: শফিকুর রহমান ইরান যুদ্ধে জড়িয়ে বিপাকে ট্রাম্প টিকটকার রাকিব হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন, যেভাবে চলে কিলিং মিশন

গোপালগঞ্জে সংঘর্ষের ঘটনায় ১৪ জন আটক, মামলা প্রস্তুতিতে পুলিশ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৪৪:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই ২০২৫
  • / 248

ছবি সংগৃহীত

 

গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ঘোষিত জুলাই মাসের পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে সহিংস ঘটনায় আজ বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি। তবে ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ১৪ জনকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মির মো. সাজেদুর রহমান।

আজ সকাল পৌনে ১০টার দিকে ওসি সাজেদুর রহমান জানান, বুধবারের সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। গত রাত তিনটার দিকে যৌথ বাহিনী অভিযান চালিয়ে আটক ১৪ জনকে থানায় হস্তান্তর করে। বর্তমানে শহরের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং পরিবেশ শান্ত আছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুন  গোপালগঞ্জে সহিংসতার ঘটনায় কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: ঢাকা রেঞ্জ ডিআইজি

বুধবার দিনভর এনসিপির পদযাত্রাকে ঘিরে শহরের বিভিন্ন এলাকায় দফায় দফায় হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ এবং ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এসব সহিংস কর্মকাণ্ডে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা অংশ নেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে হামলাকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংঘর্ষ বাধে।

এই সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই চারজন নিহত হন এবং অন্তত নয়জন গুলিবিদ্ধসহ অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে পড়লে কর্তৃপক্ষ রাতেই শহরে কারফিউ জারি করে, যা আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।

রাতভর আতঙ্ক আর উৎকণ্ঠায় কাটে গোপালগঞ্জ শহরের বাসিন্দাদের। আজ সকালেও শহরের পরিবেশ ছিল থমথমে। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হতে শুরু করে। সড়ক ও বাজারে লোকজনের আনাগোনা বাড়তে দেখা গেছে। শহরের রাস্তাগুলোতে পড়ে থাকা ইট, বাঁশ ও কাঠের টুকরা সরাতে সকাল থেকেই পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা কাজ করছেন।

সাম্প্রতিক এই সহিংসতার ঘটনায় শহরের জনগণের মধ্যে এখনও আতঙ্ক বিরাজ করছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সতর্ক অবস্থান বজায় রাখা হয়েছে এবং যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এনসিপির পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, এ ঘটনায় দায়ীদের চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

গোপালগঞ্জে সংঘর্ষের ঘটনায় ১৪ জন আটক, মামলা প্রস্তুতিতে পুলিশ

আপডেট সময় ১২:৪৪:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই ২০২৫

 

গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ঘোষিত জুলাই মাসের পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে সহিংস ঘটনায় আজ বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি। তবে ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ১৪ জনকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মির মো. সাজেদুর রহমান।

আজ সকাল পৌনে ১০টার দিকে ওসি সাজেদুর রহমান জানান, বুধবারের সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। গত রাত তিনটার দিকে যৌথ বাহিনী অভিযান চালিয়ে আটক ১৪ জনকে থানায় হস্তান্তর করে। বর্তমানে শহরের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং পরিবেশ শান্ত আছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুন  ঢাকা সিটি কলেজ ও আইডিয়াল কলেজ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, সংঘর্ষ

বুধবার দিনভর এনসিপির পদযাত্রাকে ঘিরে শহরের বিভিন্ন এলাকায় দফায় দফায় হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ এবং ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এসব সহিংস কর্মকাণ্ডে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা অংশ নেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে হামলাকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংঘর্ষ বাধে।

এই সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই চারজন নিহত হন এবং অন্তত নয়জন গুলিবিদ্ধসহ অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে পড়লে কর্তৃপক্ষ রাতেই শহরে কারফিউ জারি করে, যা আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।

রাতভর আতঙ্ক আর উৎকণ্ঠায় কাটে গোপালগঞ্জ শহরের বাসিন্দাদের। আজ সকালেও শহরের পরিবেশ ছিল থমথমে। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হতে শুরু করে। সড়ক ও বাজারে লোকজনের আনাগোনা বাড়তে দেখা গেছে। শহরের রাস্তাগুলোতে পড়ে থাকা ইট, বাঁশ ও কাঠের টুকরা সরাতে সকাল থেকেই পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা কাজ করছেন।

সাম্প্রতিক এই সহিংসতার ঘটনায় শহরের জনগণের মধ্যে এখনও আতঙ্ক বিরাজ করছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সতর্ক অবস্থান বজায় রাখা হয়েছে এবং যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এনসিপির পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, এ ঘটনায় দায়ীদের চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।