ঢাকা ০৫:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

সরাসরি আলোচনাই সেরা উপায়’—ইরান প্রসঙ্গে আশাবাদী ট্রাম্প

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:০৩:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫
  • / 330

ছবি সংগৃহীত

 

 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে সরাসরি কূটনৈতিক আলোচনার সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেছেন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার চলমান উত্তেজনা ও পাল্টাপাল্টি হুমকির মাঝেও তিনি মনে করছেন, মধ্যস্থতাকারী ছাড়াই মুখোমুখি আলোচনাই সবচেয়ে কার্যকর পথ।

আরও পড়ুন  ট্রাম্পের ‘আমেরিকা উপসাগর’ সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান, হোয়াইট হাউসের তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এপির মামলা

বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, “আমার বিশ্বাস, সরাসরি আলোচনা সবচেয়ে ভালো ফল দেয়। এতে ভুল বোঝাবুঝি কমে এবং সিদ্ধান্ত দ্রুত হয়।” তিনি আরও জানান, ইরান শুরুতে মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে আলোচনার আগ্রহ দেখালেও এখন সেটার আর প্রয়োজন নেই বলেই তিনি মনে করছেন।

সম্প্রতি ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের ওপর নতুন করে একের পর এক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ ছিল ইরানের তেল রপ্তানি সম্পূর্ণ বন্ধ করার লক্ষ্যে নেওয়া পদক্ষেপ। এর আগেও ২০১৮ সালে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি বহুপক্ষীয় পারমাণবিক চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নেন। সেই চুক্তির আওতায় ইরান পারমাণবিক কার্যক্রম সীমিত করার শর্তে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা থেকে কিছুটা মুক্তি পেয়েছিল।

তবে ইরান বরাবরই দাবি করে আসছে, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ এবং তারা কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করছে না। এমন এক সময়ে এই উত্তেজনা বাড়ছে, যখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান মিত্র ইসরায়েলের ওপরও রয়েছে অঘোষিত পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডারের অভিযোগ।

বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এলেও ট্রাম্পের অবস্থান বারবার প্রশ্নের মুখে পড়ছে। একদিকে তিনি শান্তিপূর্ণ আলোচনার কথা বলছেন, অন্যদিকে ইরানকে সামরিক হামলার হুমকিও দিয়ে যাচ্ছেন। ফলে আন্তর্জাতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে ট্রাম্প আসলে আলোচনায় আগ্রহী, না কি চাপে ফেলে তেহরানকে নতজানু করতে চাচ্ছেন?

ইরান এখনো সরাসরি আলোচনার বিষয়ে সুস্পষ্ট অবস্থান জানায়নি। তবে ওয়াশিংটনের সঙ্গে পরোক্ষ আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে কিছুটা নমনীয়তা দেখিয়েছে তেহরান। এখন দেখার বিষয়, এ উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে কথার লড়াই শান্তির পথে এগোয়, নাকি সংঘাত আরও ঘনীভূত হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

সরাসরি আলোচনাই সেরা উপায়’—ইরান প্রসঙ্গে আশাবাদী ট্রাম্প

আপডেট সময় ১২:০৩:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫

 

 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে সরাসরি কূটনৈতিক আলোচনার সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেছেন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার চলমান উত্তেজনা ও পাল্টাপাল্টি হুমকির মাঝেও তিনি মনে করছেন, মধ্যস্থতাকারী ছাড়াই মুখোমুখি আলোচনাই সবচেয়ে কার্যকর পথ।

আরও পড়ুন  ট্রাম্প-রামাফোসা বৈঠক: শ্বেতাঙ্গ গণহত্যা ও জমি দখলের মিথ্যা অভিযোগ ট্রাম্পের

বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, “আমার বিশ্বাস, সরাসরি আলোচনা সবচেয়ে ভালো ফল দেয়। এতে ভুল বোঝাবুঝি কমে এবং সিদ্ধান্ত দ্রুত হয়।” তিনি আরও জানান, ইরান শুরুতে মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে আলোচনার আগ্রহ দেখালেও এখন সেটার আর প্রয়োজন নেই বলেই তিনি মনে করছেন।

সম্প্রতি ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের ওপর নতুন করে একের পর এক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ ছিল ইরানের তেল রপ্তানি সম্পূর্ণ বন্ধ করার লক্ষ্যে নেওয়া পদক্ষেপ। এর আগেও ২০১৮ সালে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি বহুপক্ষীয় পারমাণবিক চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নেন। সেই চুক্তির আওতায় ইরান পারমাণবিক কার্যক্রম সীমিত করার শর্তে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা থেকে কিছুটা মুক্তি পেয়েছিল।

তবে ইরান বরাবরই দাবি করে আসছে, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ এবং তারা কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করছে না। এমন এক সময়ে এই উত্তেজনা বাড়ছে, যখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান মিত্র ইসরায়েলের ওপরও রয়েছে অঘোষিত পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডারের অভিযোগ।

বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এলেও ট্রাম্পের অবস্থান বারবার প্রশ্নের মুখে পড়ছে। একদিকে তিনি শান্তিপূর্ণ আলোচনার কথা বলছেন, অন্যদিকে ইরানকে সামরিক হামলার হুমকিও দিয়ে যাচ্ছেন। ফলে আন্তর্জাতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে ট্রাম্প আসলে আলোচনায় আগ্রহী, না কি চাপে ফেলে তেহরানকে নতজানু করতে চাচ্ছেন?

ইরান এখনো সরাসরি আলোচনার বিষয়ে সুস্পষ্ট অবস্থান জানায়নি। তবে ওয়াশিংটনের সঙ্গে পরোক্ষ আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে কিছুটা নমনীয়তা দেখিয়েছে তেহরান। এখন দেখার বিষয়, এ উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে কথার লড়াই শান্তির পথে এগোয়, নাকি সংঘাত আরও ঘনীভূত হয়।