ঢাকা ১১:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

হাতিরঝিলে বিলাসবহুল গাড়ি থেকে এক লাখ ৬০ হাজার ইয়াবা জব্দ: গ্রেপ্তার চার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৪৫:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫
  • / 338

ছবি সংগৃহীত

 

রাজধানীর ব্যস্ততম এলাকা হাতিরঝিলে গোপন অভিযানে একটি প্রাইভেট কার থেকে উদ্ধার করা হয়েছে এক লাখ ৬০ হাজার পিস ইয়াবা। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) এই অভিযান পরিচালনা করে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে চারজনকে তারা সবাই একটি সংঘবদ্ধ মাদক চক্রের সদস্য বলে জানিয়েছে ডিএনসি।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন নজরুল ইসলাম ওরফে সোহেল রানা (৩৪), আল-মামুন (৩২), মোহাম্মদ ফারুক ওরফে ওমর ফারুক (৪৬) এবং ফারুকের স্ত্রী তানিয়া (৩২)।

আরও পড়ুন  তেঁতুলিয়া ও টাঙ্গাইলে ডাকাতি: আন্তঃজেলা চক্রের পাঁচ সদস্য গ্রেপ্তার

ডিএনসির দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই তারা টেকনাফ থেকে ইয়াবা এনে রাজধানীজুড়ে বিলাসবহুল গাড়িতে করে সরবরাহ করছিলেন। বাইং হাউস ও আবাসন ব্যবসার আড়ালে গড়ে তুলেছিলেন এক বিশাল মাদক নেটওয়ার্ক।

ডিএনসির উপপরিচালক শামীম আহমেদ বলেন, তিন মাস আগেই এই চক্র সম্পর্কে গোয়েন্দা তথ্য পাওয়া যায়। একাধিক গোয়েন্দা অভিযানের পর শুক্রবার দিবাগত রাতে হাতিরঝিল এলাকায় চালানো হয় সফল অভিযান।

বলা হয়, ঈদুল ফিতর সামনে রেখে চক্রটি বিপুল পরিমাণ ইয়াবা পাচারের পরিকল্পনা করছিল। হুন্দাই ব্র্যান্ডের একটি বিলাসবহুল গাড়ির পাদানির নিচে বিশেষ প্যানেল তৈরি করে তাতে ইয়াবা লুকানো হয়। প্যানেলটি বাইরে থেকে বোঝার উপায় ছিল না, যতক্ষণ না গোয়েন্দা সূত্র থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী সেটি খোলা হয়।

ডিএনসি জানায়, গাড়িটি আটকের সময় সাত কিলোমিটার পর্যন্ত ধাওয়া করা হয়। তল্লাশিতে প্রাথমিকভাবে কিছু না পেলেও সন্দেহজনক অংশ খুলতেই বেরিয়ে আসে এক লাখ ৬০ হাজার পিস ইয়াবা।

গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে রমনা সার্কেলের পরিদর্শক লোকমান হোসেন বাদী হয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেছেন।

ডিএনসির ভাষ্য, গ্রেপ্তারদের জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া গেছে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। এ চক্রটি ইতিপূর্বেও নজরদারিতে ছিল, তবে আগের অভিযান ব্যর্থ হয়েছিল। এবার ঈদের আগেই ইয়াবার বড় চালান আটক করায় ঢাকার বড় একটি মাদক সরবরাহ বন্ধ হলো বলে মনে করছে ডিএনসি।

নিউজটি শেয়ার করুন

হাতিরঝিলে বিলাসবহুল গাড়ি থেকে এক লাখ ৬০ হাজার ইয়াবা জব্দ: গ্রেপ্তার চার

আপডেট সময় ১১:৪৫:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫

 

রাজধানীর ব্যস্ততম এলাকা হাতিরঝিলে গোপন অভিযানে একটি প্রাইভেট কার থেকে উদ্ধার করা হয়েছে এক লাখ ৬০ হাজার পিস ইয়াবা। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) এই অভিযান পরিচালনা করে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে চারজনকে তারা সবাই একটি সংঘবদ্ধ মাদক চক্রের সদস্য বলে জানিয়েছে ডিএনসি।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন নজরুল ইসলাম ওরফে সোহেল রানা (৩৪), আল-মামুন (৩২), মোহাম্মদ ফারুক ওরফে ওমর ফারুক (৪৬) এবং ফারুকের স্ত্রী তানিয়া (৩২)।

আরও পড়ুন  অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে পশ্চিমবঙ্গে ১৪ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

ডিএনসির দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই তারা টেকনাফ থেকে ইয়াবা এনে রাজধানীজুড়ে বিলাসবহুল গাড়িতে করে সরবরাহ করছিলেন। বাইং হাউস ও আবাসন ব্যবসার আড়ালে গড়ে তুলেছিলেন এক বিশাল মাদক নেটওয়ার্ক।

ডিএনসির উপপরিচালক শামীম আহমেদ বলেন, তিন মাস আগেই এই চক্র সম্পর্কে গোয়েন্দা তথ্য পাওয়া যায়। একাধিক গোয়েন্দা অভিযানের পর শুক্রবার দিবাগত রাতে হাতিরঝিল এলাকায় চালানো হয় সফল অভিযান।

বলা হয়, ঈদুল ফিতর সামনে রেখে চক্রটি বিপুল পরিমাণ ইয়াবা পাচারের পরিকল্পনা করছিল। হুন্দাই ব্র্যান্ডের একটি বিলাসবহুল গাড়ির পাদানির নিচে বিশেষ প্যানেল তৈরি করে তাতে ইয়াবা লুকানো হয়। প্যানেলটি বাইরে থেকে বোঝার উপায় ছিল না, যতক্ষণ না গোয়েন্দা সূত্র থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী সেটি খোলা হয়।

ডিএনসি জানায়, গাড়িটি আটকের সময় সাত কিলোমিটার পর্যন্ত ধাওয়া করা হয়। তল্লাশিতে প্রাথমিকভাবে কিছু না পেলেও সন্দেহজনক অংশ খুলতেই বেরিয়ে আসে এক লাখ ৬০ হাজার পিস ইয়াবা।

গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে রমনা সার্কেলের পরিদর্শক লোকমান হোসেন বাদী হয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেছেন।

ডিএনসির ভাষ্য, গ্রেপ্তারদের জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া গেছে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। এ চক্রটি ইতিপূর্বেও নজরদারিতে ছিল, তবে আগের অভিযান ব্যর্থ হয়েছিল। এবার ঈদের আগেই ইয়াবার বড় চালান আটক করায় ঢাকার বড় একটি মাদক সরবরাহ বন্ধ হলো বলে মনে করছে ডিএনসি।