ঢাকা ০১:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা

হাতিরঝিলে বিলাসবহুল গাড়ি থেকে এক লাখ ৬০ হাজার ইয়াবা জব্দ: গ্রেপ্তার চার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৪৫:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫
  • / 447

ছবি সংগৃহীত

 

রাজধানীর ব্যস্ততম এলাকা হাতিরঝিলে গোপন অভিযানে একটি প্রাইভেট কার থেকে উদ্ধার করা হয়েছে এক লাখ ৬০ হাজার পিস ইয়াবা। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) এই অভিযান পরিচালনা করে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে চারজনকে তারা সবাই একটি সংঘবদ্ধ মাদক চক্রের সদস্য বলে জানিয়েছে ডিএনসি।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন নজরুল ইসলাম ওরফে সোহেল রানা (৩৪), আল-মামুন (৩২), মোহাম্মদ ফারুক ওরফে ওমর ফারুক (৪৬) এবং ফারুকের স্ত্রী তানিয়া (৩২)।

আরও পড়ুন  দুদকের মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে গ্রেপ্তার দেখাল আদালত

ডিএনসির দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই তারা টেকনাফ থেকে ইয়াবা এনে রাজধানীজুড়ে বিলাসবহুল গাড়িতে করে সরবরাহ করছিলেন। বাইং হাউস ও আবাসন ব্যবসার আড়ালে গড়ে তুলেছিলেন এক বিশাল মাদক নেটওয়ার্ক।

ডিএনসির উপপরিচালক শামীম আহমেদ বলেন, তিন মাস আগেই এই চক্র সম্পর্কে গোয়েন্দা তথ্য পাওয়া যায়। একাধিক গোয়েন্দা অভিযানের পর শুক্রবার দিবাগত রাতে হাতিরঝিল এলাকায় চালানো হয় সফল অভিযান।

বলা হয়, ঈদুল ফিতর সামনে রেখে চক্রটি বিপুল পরিমাণ ইয়াবা পাচারের পরিকল্পনা করছিল। হুন্দাই ব্র্যান্ডের একটি বিলাসবহুল গাড়ির পাদানির নিচে বিশেষ প্যানেল তৈরি করে তাতে ইয়াবা লুকানো হয়। প্যানেলটি বাইরে থেকে বোঝার উপায় ছিল না, যতক্ষণ না গোয়েন্দা সূত্র থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী সেটি খোলা হয়।

ডিএনসি জানায়, গাড়িটি আটকের সময় সাত কিলোমিটার পর্যন্ত ধাওয়া করা হয়। তল্লাশিতে প্রাথমিকভাবে কিছু না পেলেও সন্দেহজনক অংশ খুলতেই বেরিয়ে আসে এক লাখ ৬০ হাজার পিস ইয়াবা।

গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে রমনা সার্কেলের পরিদর্শক লোকমান হোসেন বাদী হয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেছেন।

ডিএনসির ভাষ্য, গ্রেপ্তারদের জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া গেছে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। এ চক্রটি ইতিপূর্বেও নজরদারিতে ছিল, তবে আগের অভিযান ব্যর্থ হয়েছিল। এবার ঈদের আগেই ইয়াবার বড় চালান আটক করায় ঢাকার বড় একটি মাদক সরবরাহ বন্ধ হলো বলে মনে করছে ডিএনসি।

নিউজটি শেয়ার করুন

হাতিরঝিলে বিলাসবহুল গাড়ি থেকে এক লাখ ৬০ হাজার ইয়াবা জব্দ: গ্রেপ্তার চার

আপডেট সময় ১১:৪৫:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫

 

রাজধানীর ব্যস্ততম এলাকা হাতিরঝিলে গোপন অভিযানে একটি প্রাইভেট কার থেকে উদ্ধার করা হয়েছে এক লাখ ৬০ হাজার পিস ইয়াবা। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) এই অভিযান পরিচালনা করে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে চারজনকে তারা সবাই একটি সংঘবদ্ধ মাদক চক্রের সদস্য বলে জানিয়েছে ডিএনসি।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন নজরুল ইসলাম ওরফে সোহেল রানা (৩৪), আল-মামুন (৩২), মোহাম্মদ ফারুক ওরফে ওমর ফারুক (৪৬) এবং ফারুকের স্ত্রী তানিয়া (৩২)।

আরও পড়ুন  রায়পুরে স্বেচ্ছাসেবকদল কর্মী হত্যায় বিএনপি নেতাকর্মীসহ ১৪ জন গ্রেপ্তার

ডিএনসির দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই তারা টেকনাফ থেকে ইয়াবা এনে রাজধানীজুড়ে বিলাসবহুল গাড়িতে করে সরবরাহ করছিলেন। বাইং হাউস ও আবাসন ব্যবসার আড়ালে গড়ে তুলেছিলেন এক বিশাল মাদক নেটওয়ার্ক।

ডিএনসির উপপরিচালক শামীম আহমেদ বলেন, তিন মাস আগেই এই চক্র সম্পর্কে গোয়েন্দা তথ্য পাওয়া যায়। একাধিক গোয়েন্দা অভিযানের পর শুক্রবার দিবাগত রাতে হাতিরঝিল এলাকায় চালানো হয় সফল অভিযান।

বলা হয়, ঈদুল ফিতর সামনে রেখে চক্রটি বিপুল পরিমাণ ইয়াবা পাচারের পরিকল্পনা করছিল। হুন্দাই ব্র্যান্ডের একটি বিলাসবহুল গাড়ির পাদানির নিচে বিশেষ প্যানেল তৈরি করে তাতে ইয়াবা লুকানো হয়। প্যানেলটি বাইরে থেকে বোঝার উপায় ছিল না, যতক্ষণ না গোয়েন্দা সূত্র থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী সেটি খোলা হয়।

ডিএনসি জানায়, গাড়িটি আটকের সময় সাত কিলোমিটার পর্যন্ত ধাওয়া করা হয়। তল্লাশিতে প্রাথমিকভাবে কিছু না পেলেও সন্দেহজনক অংশ খুলতেই বেরিয়ে আসে এক লাখ ৬০ হাজার পিস ইয়াবা।

গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে রমনা সার্কেলের পরিদর্শক লোকমান হোসেন বাদী হয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেছেন।

ডিএনসির ভাষ্য, গ্রেপ্তারদের জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া গেছে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। এ চক্রটি ইতিপূর্বেও নজরদারিতে ছিল, তবে আগের অভিযান ব্যর্থ হয়েছিল। এবার ঈদের আগেই ইয়াবার বড় চালান আটক করায় ঢাকার বড় একটি মাদক সরবরাহ বন্ধ হলো বলে মনে করছে ডিএনসি।