ঢাকা ০৩:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে

ইসরাইলি হামলায় গুঁড়িয়ে গেল গাজার তুরস্ক-ফিলিস্তিন মৈত্রী হাসপাতাল

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:২২:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ মার্চ ২০২৫
  • / 365

ছবি সংগৃহীত

 

দখলদার ইসরাইলের বর্বরোচিত আগ্রাসনের নতুন শিকার হলো গাজার তুরস্ক-ফিলিস্তিন মৈত্রী হাসপাতাল। নেটজারিম করিডোরের নিকট এই হাসপাতালটি ছিল চিকিৎসাসেবার অন্যতম ভরসা, যেখানে অসংখ্য আহত ও রোগীরা সেবা পেয়ে আসছিলেন।

হৃদয়বিদারক এই ঘটনায় ধ্বংস হয়ে গেছে শুধু একটি হাসপাতাল নয়, ভেঙে পড়েছে হাজারো মানুষের চিকিৎসার আশা। হাসপাতালটি গাজা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন অনুষদের অধীনে পরিচালিত হতো, যা একইসাথে গবেষণা ও চিকিৎসাসেবা প্রদান করত।

আরও পড়ুন  মিশরের সামরিক প্রস্তুতি নিয়ে চড়ছে উত্তেজনা: ইসরাইলের হুঁশিয়ারি

স্থানীয় সূত্র বলছে, হামলার সময় হাসপাতালটিতে অনেক রোগী ও মেডিকেল স্টাফ অবস্থান করছিলেন। হামলার পর বহু মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়ে আছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এই হাসপাতালটি তুরস্ক ও ফিলিস্তিনের বন্ধুত্বের প্রতীক হিসেবে গড়ে উঠেছিল। মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবে তুরস্ক এর নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল এবং দীর্ঘদিন ধরে এটি গাজায় আধুনিক চিকিৎসার একটি কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল।

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো ইসরাইলের এই কর্মকাণ্ডকে ‘যুদ্ধাপরাধ’ বলে নিন্দা জানিয়েছে। তাদের দাবি, যুদ্ধক্ষেত্রে হাসপাতালের মতো বেসামরিক স্থাপনায় হামলা আন্তর্জাতিক আইন ও মানবতা পরিপন্থী।

এই ঘটনার পর তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছে, “এটি মানবতাবিরোধী অপরাধ। গাজার মানুষের প্রতি সহানুভূতির বদলে ইসরাইল নির্দয়তা ও ধ্বংসযজ্ঞের পথ বেছে নিচ্ছে।”

ফিলিস্তিনি জনগণের জন্য চিকিৎসা ও শিক্ষা দুটোই একসাথে সরবরাহ করছিল যে প্রতিষ্ঠানটি, আজ সেটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত। গাজার মানবিক সংকট আরও গভীর হলো এই হামলার মাধ্যমে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইসরাইলি হামলায় গুঁড়িয়ে গেল গাজার তুরস্ক-ফিলিস্তিন মৈত্রী হাসপাতাল

আপডেট সময় ০৪:২২:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ মার্চ ২০২৫

 

দখলদার ইসরাইলের বর্বরোচিত আগ্রাসনের নতুন শিকার হলো গাজার তুরস্ক-ফিলিস্তিন মৈত্রী হাসপাতাল। নেটজারিম করিডোরের নিকট এই হাসপাতালটি ছিল চিকিৎসাসেবার অন্যতম ভরসা, যেখানে অসংখ্য আহত ও রোগীরা সেবা পেয়ে আসছিলেন।

হৃদয়বিদারক এই ঘটনায় ধ্বংস হয়ে গেছে শুধু একটি হাসপাতাল নয়, ভেঙে পড়েছে হাজারো মানুষের চিকিৎসার আশা। হাসপাতালটি গাজা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন অনুষদের অধীনে পরিচালিত হতো, যা একইসাথে গবেষণা ও চিকিৎসাসেবা প্রদান করত।

আরও পড়ুন  তুরস্ককে ‘নতুন শত্রু’ হিসেবে ঘোষণা দিতে পারে ইসরায়েল: হাকান ফিদান

স্থানীয় সূত্র বলছে, হামলার সময় হাসপাতালটিতে অনেক রোগী ও মেডিকেল স্টাফ অবস্থান করছিলেন। হামলার পর বহু মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়ে আছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এই হাসপাতালটি তুরস্ক ও ফিলিস্তিনের বন্ধুত্বের প্রতীক হিসেবে গড়ে উঠেছিল। মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবে তুরস্ক এর নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল এবং দীর্ঘদিন ধরে এটি গাজায় আধুনিক চিকিৎসার একটি কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল।

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো ইসরাইলের এই কর্মকাণ্ডকে ‘যুদ্ধাপরাধ’ বলে নিন্দা জানিয়েছে। তাদের দাবি, যুদ্ধক্ষেত্রে হাসপাতালের মতো বেসামরিক স্থাপনায় হামলা আন্তর্জাতিক আইন ও মানবতা পরিপন্থী।

এই ঘটনার পর তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছে, “এটি মানবতাবিরোধী অপরাধ। গাজার মানুষের প্রতি সহানুভূতির বদলে ইসরাইল নির্দয়তা ও ধ্বংসযজ্ঞের পথ বেছে নিচ্ছে।”

ফিলিস্তিনি জনগণের জন্য চিকিৎসা ও শিক্ষা দুটোই একসাথে সরবরাহ করছিল যে প্রতিষ্ঠানটি, আজ সেটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত। গাজার মানবিক সংকট আরও গভীর হলো এই হামলার মাধ্যমে।