ঢাকা ০৮:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

অবৈধ শিক্ষক নিয়োগ: যবিপ্রবির সাবেক দুই ভিসিসহ চার শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৩২:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ মার্চ ২০২৫
  • / 401

ছবি সংগৃহীত

 

অবৈধভাবে শিক্ষক নিয়োগের অভিযোগে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) সাবেক দুই উপাচার্যসহ চার শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযুক্তরা হলেন সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আব্দুস সাত্তার, অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন এবং আরও দুই শিক্ষক।

দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন জানান, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরেই আসছিল। তদন্তে এ সংক্রান্ত প্রমাণ পাওয়ায় আমরা আইনি ব্যবস্থা নিয়েছি।’

আরও পড়ুন  আসাদুজ্জামান নূরের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি। যেকোনো ধরনের দুর্নীতি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য ক্ষতিকর। তাই এ ধরনের অপরাধে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আমরা বদ্ধপরিকর।’ জানা গেছে, অভিযুক্তরা নিয়মবহির্ভূতভাবে শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছেন, যেখানে মেধার পরিবর্তে ব্যক্তিগত স্বার্থকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম-নীতি উপেক্ষা করে পছন্দের ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তাঁদের বিরুদ্ধে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন মহল থেকে এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে। অনেকে বলছেন, এই ধরনের দুর্নীতি উচ্চশিক্ষার মানকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে স্বচ্ছ নিয়োগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে কঠোর নজরদারি ও কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা থাকা দরকার।

এদিকে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলার খবর ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। অনেকেই সঠিক তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, শিক্ষক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ শুধু যবিপ্রবিতেই নয়, দেশের আরও কিছু উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও এ ধরনের অভিযোগ শোনা যায়। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে আরও কঠোর হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

অবৈধ শিক্ষক নিয়োগ: যবিপ্রবির সাবেক দুই ভিসিসহ চার শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

আপডেট সময় ০৪:৩২:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ মার্চ ২০২৫

 

অবৈধভাবে শিক্ষক নিয়োগের অভিযোগে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) সাবেক দুই উপাচার্যসহ চার শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযুক্তরা হলেন সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আব্দুস সাত্তার, অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন এবং আরও দুই শিক্ষক।

দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন জানান, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরেই আসছিল। তদন্তে এ সংক্রান্ত প্রমাণ পাওয়ায় আমরা আইনি ব্যবস্থা নিয়েছি।’

আরও পড়ুন  রামিসা হত্যা মামলায় দ্রুত চার্জশিটের আশ্বাস স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি। যেকোনো ধরনের দুর্নীতি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য ক্ষতিকর। তাই এ ধরনের অপরাধে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আমরা বদ্ধপরিকর।’ জানা গেছে, অভিযুক্তরা নিয়মবহির্ভূতভাবে শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছেন, যেখানে মেধার পরিবর্তে ব্যক্তিগত স্বার্থকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম-নীতি উপেক্ষা করে পছন্দের ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তাঁদের বিরুদ্ধে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন মহল থেকে এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে। অনেকে বলছেন, এই ধরনের দুর্নীতি উচ্চশিক্ষার মানকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে স্বচ্ছ নিয়োগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে কঠোর নজরদারি ও কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা থাকা দরকার।

এদিকে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলার খবর ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। অনেকেই সঠিক তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, শিক্ষক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ শুধু যবিপ্রবিতেই নয়, দেশের আরও কিছু উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও এ ধরনের অভিযোগ শোনা যায়। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে আরও কঠোর হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।